Ahona Dutta-Dipankar Ray: কদিন আগেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন পেশায় মেকআপ আর্টিস্ট দীপঙ্কর রায়। অহনার একটা ছবি থেকেই সামনে আসে বিষয়টা। বরের সঙ্গে একটা সেলফি পোস্ট করেছিলেন, যেখানে দেখা গিয়েছিল যে, হাসপাতালের বিছানায় বসে দীপঙ্কর। স্যালাইন চলছে। সারা বুকজুড়ে বিভিন্ন নল। জানা যায়, আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন দীপঙ্কর। ড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তাঁকে। হয়েছে অ্যাঞ্জিওগ্রাম। তবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও, বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন ডাক্তারেরা।

এবার দীপঙ্করের সঙ্গে মিষ্টি মুহূর্ত ভাগ করে নিলেন অহনা দত্ত। দুজনের রোম্যান্টিক মুহূর্ত ধরা পড়ল ক্যামেরাতে। অহনার গায়ে নীল রঙের স্ট্রাইপড শার্ট। দীপঙ্কর পরে আছেন হলুদ রঙের টি-শার্ট। একটি বই অহনার হাতে। যদিও মজেছেন বরের আদরে। আর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ছুটির দিন’!
ডেইলি সোপের চাপে অহনার ছুটিছাটা মেলে না বললেই চলে। দীপঙ্করও ছোট পর্দায় মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন। ফলে চূড়ান্ত ব্যস্ততা দুজনেরই। আগে সময় পেলেই একে-অপরের সঙ্গে বেরিয়ে পড়তেন। গাড়ি নিয়ে উইকেন্ড ট্যুর, বা পছন্দের রেস্তোরাঁয় ভুরিভোজ। তবে এখন মেয়ে মীরা কোলে আসার পর থেকেই, একটু হলেও লাগাম পড়েছে বোহেমিয়ান জীবনে। যদিও একরত্তি কন্যাকে নিয়েই বেরিয়ে পড়েন অহনা। ২০ পেরোতে না পেরোতেই মা হয়েছেন! তবে, এই অল্প বয়সেও মাতৃত্ব, সংসার, কাজ সবটাই খুব সুন্দরভাবে সামলে নিচ্ছেন।
অহনার মা তাঁর আর দীপঙ্করের প্রেম বা বিয়ে, কোনোটাতেই মত দেননি। ফলে বাপের বাড়ির কেউ নেই পাশে। তবে অহনাকে আগলে রেখেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ি। যদিও শাশুড়ি মারা গিয়েছেন তাঁদের বিয়ের পরপর। নাতনিকে দেখে যেতে পারেননি বলে, তাঁর নামেই মেয়ের নাম রেখেছেন মীরা। আপাতত শ্বশুর ও ন্যানিদের কাছে মীরাকে রেখে কাজে বের হন অহনা ও দীপঙ্কর।
{{/usCountry}}অহনার মা তাঁর আর দীপঙ্করের প্রেম বা বিয়ে, কোনোটাতেই মত দেননি। ফলে বাপের বাড়ির কেউ নেই পাশে। তবে অহনাকে আগলে রেখেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ি। যদিও শাশুড়ি মারা গিয়েছেন তাঁদের বিয়ের পরপর। নাতনিকে দেখে যেতে পারেননি বলে, তাঁর নামেই মেয়ের নাম রেখেছেন মীরা। আপাতত শ্বশুর ও ন্যানিদের কাছে মীরাকে রেখে কাজে বের হন অহনা ও দীপঙ্কর।
{{/usCountry}}স্বভাবতই স্বামীর অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তিতে বড় বিপদে পড়েছিল পরিবার। অহনা ফেসবুকে ভিডিয়ো শেয়ার করে জানিয়েছিলেন, ‘ছোট্ট মীরাকে বাড়িতে রেখে আসতে হয়েছিল, তাই সব মিলিয়ে আমি বেশ চাপে ছিলাম। শনিবার আমি শুটিংয়ে ছিলাম, তখন হঠাৎ দীপঙ্কর ফোন করে জানায়, তার বুকে প্রচণ্ড ব্যথা হচ্ছে এবং সে ঠিকমতো নিঃশ্বাস নিতে পারছে না। এরপর আমার শ্বশুরমশাই তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। তার সুগার ও প্রেশার ক্রমশ ওঠানামা করতে থাকে। এর মধ্যেই আমি হাসপাতালে পৌঁছে যাই। পরে তাকে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং আইসিইউ-তে ভর্তি করা হয়। বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার চিকিৎসা চলছে।’
আর দীপঙ্কর জানান, সেদিনের ঘটনা মনে করলে এখনো আতঙ্ক অনুভূত হয় তাঁর। এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল, যেন সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে। বলেন, এতটাই কষ্ট অনুভূত হচ্ছিল যে মনে হচ্ছিল, যেন যে কোনো মুহূর্তে প্রাণটা বেরিয়ে যাবে। নিঃশ্বাস নিতে ভীষণ কষ্ট হচ্ছিল। সেই সময় অহনা বাড়িতে উপস্থিত ছিল না, এবং মীরাকে নিয়ে বাবা একাই বাড়িতে ছিলেন। বারবার প্যানিক অ্যাটাক অনুভূত হচ্ছিল এবং কী করা উচিত, তা বুঝে ওঠা যাচ্ছিল না।