২৯ মে পশ্চিমবঙ্গে শেষ দফায় ভোট। আর তাই শেষ মুহূর্তে সব দলই নেমেছে কোমর বেঁধে। একাধিক টলিউড তারকা নিজেদের পছন্দের দলের হয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। রবিবার বনগাঁয় এক বিশাল রোড শো-র আয়োজন করা হয়েছিল ঘাসফুল দলের পক্ষ থেকে। আর তাতে তারকা মুখ হিসেবে দেখা গেল অঙ্কুশ হাজরাকে।

পছন্দের অভিনেতাকে দেখতে থিকথিকে ভিড়। একপলক দেখার, ছোঁয়ার আকুতি। এমনকী, ভিড়ের মধ্যে বেশকয়েকবার হাতেও পড়ল টান। তরুণীদেপ মধ্যে হুড়োহুড়ি। কেউ কেউ আবার উপহারও এনেছেন। আর এই সমস্তকিছুই হাসিমুখে সামলালেন। এদিন অঙ্কুশের পাশে দেখা গেল অভিনেতা সোহেল দত্তকে।
সরাসরি রাজনীতিতে না থাকলেও, অঙ্কুশ হাজরা তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। রাজ্য সরকারের যে কোনো অনুষ্ঠানেই থাকেন তিনি ও তাঁর বান্ধবী ঐন্দ্রিলা সেন। অঙ্কুশ স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি এই মুহূর্তে রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন না এবং সম্পূর্ণভাবে সিনেমা ও প্রযোজনা নিয়েই ব্যস্ত থাকতে চান
২০২৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক মর্যাদাপূর্ণ 'মহানায়ক সম্মান'-এ ভূষিত হয়েছেন। নিন্দুকদের দাবি, শাসকদলের সঙ্গে দহরম-মহরম থাকার কারণেই নাকি এই সম্মান।যদিও নিজেই জানিয়েছিলেন যে, তিনি নিজেকে এই প্রজন্মের 'মহানায়ক' হিসেবে মানেন না এবং এই পুরস্কারের যোগ্য হয়ে উঠতে তার আরও অনেক পরিশ্রম বাকি।
২০১০ সালে 'কেল্লাফতে' ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন অঙ্কুশ হাজরা। ‘খিলাড়ি’, ‘কানামাছি’, ‘আমি শুধু চেয়েছি তোমায়’, ‘ভিলেন’, ‘বিবাহ অভিযান’, ‘ম্যাজিক’, এবং ‘শিকারপুর’-এর মতো ভিন্নধর্মী ছবিতে অভিনয় করে তিনি প্রশংসা পেয়েছেন। ২০২২ সালের ১৫ আগস্ট অঙ্কুশ নিজের প্রযোজনা সংস্থা ‘অঙ্কুশ হাজরা মোশন পিকচার্স’ শুরু করেন।
{{/usCountry}}২০১০ সালে 'কেল্লাফতে' ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন অঙ্কুশ হাজরা। ‘খিলাড়ি’, ‘কানামাছি’, ‘আমি শুধু চেয়েছি তোমায়’, ‘ভিলেন’, ‘বিবাহ অভিযান’, ‘ম্যাজিক’, এবং ‘শিকারপুর’-এর মতো ভিন্নধর্মী ছবিতে অভিনয় করে তিনি প্রশংসা পেয়েছেন। ২০২২ সালের ১৫ আগস্ট অঙ্কুশ নিজের প্রযোজনা সংস্থা ‘অঙ্কুশ হাজরা মোশন পিকচার্স’ শুরু করেন।
{{/usCountry}}তাঁর প্রযোজিত প্রথম ছবি ‘মির্জা’ (Mirza), যা ২০২৪ সালে মুক্তি পায়। এটি একটি বড় বাজেটের অ্যাকশন থ্রিলার ছবি, যদিও বক্স অফিসে সেভাবে কামাল করতে পারেনি। শেষ সিনেমা ছিল নারী চরিত্র বেজায় জটিল, যার রীতিমতো ভরাডুবি হয়।
তারকাদের মধ্য়ে জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন দেব, সৌমিতৃষা কুণ্ডু-রা। এমনকী, তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন এসেছে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের তরফে। মমতার সভায় এসেছিলেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। টলিপাড়ার তারকারা বেশিরভাগই এখন ‘দিদির’ পাশে, এবার কতটা মন থেকে, আর কতটা চাপে পড়ে তা বলা মুশকিল! এখন দেখার, প্রচারের এই বহর কতটা ছাপ ফেলতে পারে ব্যালেট বক্সে। ৪ জুন কাদের মুখে ফোটে জয়ের হাসি।