...
...
Next Story

Akshay Kumar: ১০৪ জ্বরে অচৈতন্য হাল! বৈষ্ণদেবী দর্শনে গিয়ে বিপাকে অক্ষয়, শোনালেন দৈব অভিজ্ঞতা

অক্ষয় কুমার একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে তাঁর বাবা-মা সন্তানের জন্য মাতা বৈষ্ণো দেবীর কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন এবং বলেছিলেন যে তাদের সন্তানকে দুষ্টু হতে দেওয়া উচিত। তাঁর জন্মের পর যখন তাঁর বাবা-মা আবার বৈষ্ণোদেবীর কাছে গিয়েছিলেন, তখন অদ্ভুত কিছু ঘটেছিল।

Published on: Apr 15, 2026, 13:06:05 IST
Advertisement

বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার এই মুহূর্তে তাঁর আসন্ন ছবি ‘ভূত বাংলা’-র প্রচারে ব্যস্ত। আর ছবির প্রচারের মাঝেই খিলাড়ি তাঁর শৈশবের একটি ঘটনা শোনান। জানান, জন্মের কিছুদিন পরেই তাঁর বাবা-মা প্রায় তাঁকে হারাতে বসেছিলেন। ১৯৬৯ সালের সেই ঘটনা স্মরণ করে অক্ষয় কুমার বলেন, তাঁর জন্ম হয়েছিল বাবা-মায়ের একটি মানতের পর, যেখানে তাঁরা একটি অদ্ভুত ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। আর পুত্র সন্তান কোলে পাওয়ার পর, তাঁরা বৈষ্ণদেবী মন্দিরে যান পুজো দিতে। সেখানেই মৃত্যুর মুখ থেকে কোনরকমে বেঁচে ফেরেন অভিনেতা।

অক্ষয় কুমারের বাবা-মায়ের সেই প্রার্থনা

অক্ষয় কুমার।
অক্ষয় কুমার।

অক্ষয় কুমার HT City-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, তাঁর জন্ম হয়েছিল বাবা-মায়ের একটি বিশেষ মানতের পর। তাঁর বাবা-মা বৈষ্ণদেবীতে গিয়ে প্রার্থনা করেছিলেন, যেন তাঁদের একটি সন্তান হয়। তবে তাঁরা ভগবানের কাছে একটি অদ্ভুত ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। অক্ষয় বলেন, ‘আমাদের একটি সন্তান দিন, তবে সে যেন দুষ্টু হয়।’ ঠিক এক বছর পর তাঁর জন্ম হয়। এক বছর বয়সে তাঁকে নিয়ে বাবা-মা আবার বৈষ্ণদেবী মন্দিরে যান দেবীকে ধন্যবাদ জানাতে।

কঠিন পরিস্থিতিতেও বিশ্বাস টলেনি

কাটরায় পৌঁছনোর পর এক বছর বয়সী অক্ষয় কুমারের মারাত্মক জ্বর আসে। তাঁর শরীর খুব খারাপ হয়ে যায়। প্রথমে ১০৩, পরে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর ওঠে এবং তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন কাটরায় চিকিৎসা ব্যবস্থা এখনের মতো উন্নত ছিল না। স্থানীয় চিকিৎসক পরামর্শ দেন, শিশুটিকে দ্রুত দিল্লিতে নিয়ে যেতে। কিন্তু সেই অবস্থাতেও তাঁর মায়ের বিশ্বাস টলেনি। তাঁর মা বলেন, ‘মা যদি আমাদের এই সন্তান দিয়ে থাকেন, তবে তিনিই আবার তাকে নিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু আমরা পিছিয়ে যাব না, যাত্রা চালিয়ে যাব।’

মন্দিরে প্রার্থনার পর অলৌকিক ঘটনা

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe