কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সোমবার ৫ সেপ্টেম্বর জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এসেছেন কলকাতায়। দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ইকো পার্কে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদের একটি প্রস্তাবিত ১২৫ ফুট উঁচু মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন। এরপরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যাওয়ার কথা ছিল মেলা প্রাঙ্গণে একটি স্মরণসভায় অংশ নিতে। কিন্তু তার আগে আচমকাই হাজির হন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়ের বাড়িতে।

অমিত শাহ ও শুভন্দু অধিকারি সোমবার ৪.৫৫ নাগাদ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বালিগঞ্জ ফাঁড়ির বাড়িতে হাজির হন। জানা গিয়েছে যে, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গোটা দেশ জুড়ে যে সম্পর্ক অভিযান চলছে, সেই কারণেই এই সৌজন্য সাক্ষাৎ। অভিনেতাকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সম্পর্কিত কিছু বইও উপহার হিসেবে দেন অমিত শাহ। বাংলা সিনেমা নিয়ে দুজনের মধ্যে কিছু কথাও হয়। এরপর ৫.১০ নাগাদ এই বাড়ি থেকে বেরিয়ে তাঁরা চলে যান মিলন মেলা প্রাঙ্গনে।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে অভিনেতাকে 'পদ্মশ্রী' সম্মানে ভূষিত করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার অভিনেতার বাড়ি গিয়ে তাঁকে পদ্মশ্রী পাওয়ার জন্য অভিনন্দনও জানান। কদিন আগে আবার নিজের ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানাতে প্রসেনজিৎ নিজে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতে। আর এই ঘটনাপ্রবাহকে সঙ্গী করে একাধিক সময়ে অভিনেতার বিজেপিতে যোগদানের গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
তবে প্রসেনজিৎ বারবরই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাঁর এই সাক্ষাৎগুলোর সাথে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই এবং তাঁর ওপর যেন কোনো রাজনৈতিক রঙ না লাগানো হয়।
{{/usCountry}}তবে প্রসেনজিৎ বারবরই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাঁর এই সাক্ষাৎগুলোর সাথে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই এবং তাঁর ওপর যেন কোনো রাজনৈতিক রঙ না লাগানো হয়।
{{/usCountry}}বিজেপির তরফে সোমবার জানানো হয়েছে যে, যখন পদ্মশ্রী নিতে দিল্লিতে গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের, সেই সময় তাঁর সঙ্গে অমিত শাহের দেখা হয়েছিল। সেই সময়েই, কলকাতা এলে শাহকে তাঁর বাড়িতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’। তাই প্রায় মিনিট পনেরো ছিলেন শাহ এদিন ‘উৎসব’-এ। শুভেন্দু ও অমিত শাহ ছাড়াও ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, নিশীথ প্রামাণিত, লকেট চট্টোপাধ্যায় ও বিজেপির অন্যান্য নেতানেত্রীরা।