Arijit Singh-Jiaganj: ভারতের আইটি সংস্থা HCL Group তাদের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের জন্য একটি বিশেষ লাইভ কনসার্টের আয়োজন করে সম্প্রতি। এই অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় গায়ক অরিজিৎ সিং। এই প্রাইভেট ইভেন্টটি মূলত HCLTech-এর কর্মীদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে সংস্থার স্টার্টআপ থেকে গ্লোবাল কোম্পানিতে পরিণত হওয়ার ৫০ বছরের যাত্রা উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, অরিজিৎ সিং তাঁর জনপ্রিয় সব গান গেয়ে কর্মীদের মাতিয়ে তুলছেন।

একজন ইউজার লিখেছেন, ‘লেভেলটাই আলাদা—অনুভূতি, কণ্ঠ, ভাইব সবই নেক্সট লেভেল।’আরেকজন লিখেছেন, ‘এইচসিএল এভাবেই ৫০ বছর উদযাপন করছে—লাইট, মিউজিক আর মঞ্চে অরিজিৎ সিং, গায়ে কাঁটা দেওয়া অভিজ্ঞতা বলা চলে।’ এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিলিয়নেয়ার এই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা শিব নাদার। তাঁকে হুইলচেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়।
এই অনুষ্ঠানের একাধিক ঝলক সামনে এসেছে। একটিতে দেখা যায় যে, অরিজিৎকে সেখানে উপস্থিত কিছু বাঙালি খাঁটি বাংলায় অনুরোধ করেন, ‘বাংলা গান’! আর এর জবাব বাংলাতেই দেন গায়ক। বলেন, ‘বাংলা গান শুনতে জিয়াগঞ্জে আসতে হবে।’ এরপর দেখা যায় যে, অরিজিৎ গান ধরেন, ‘ইয়ে দিল্লি হ্যায় মেরে ইয়ার’!
বর্তমানে বেশিরভাগ সময়টা জিয়াগঞ্জেই কাটাচ্ছেন অরিজিৎ সিং। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার এই ছোট্ট শহরেই বেড়ে উঠেছে। এখানেই রয়েছে তাঁর নিজের বাড়ি, একটি রেস্তোরাঁও খুলেছেন, যা চালান অরিজিতের বাবা। স্থানীয়ভাবে এবং পরিবারের কাছে তিনি 'সোমু' নামে পরিচিত ছিলেন। এখানো সেখানকার লোক তাঁকে সোমু বলেই ডাকে।
অরিজিৎ জিয়াগঞ্জের রাজা বিজয় সিংহ বিদ্যামন্দির স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি জিয়াগঞ্জেরই শ্রীপত সিং কলেজে ভর্তি হন। খুব ছোটবেলা থেকেই তাঁর সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ ছিল। পরিবারের সাংস্কৃতিক পরিবেশ তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাঁর মামা একজন তবলা বাদক এবং মাসি ধ্রুপদী সংগীতশিল্পী ছিলেন। মায়ের সঙ্গে ছোটবেলায় স্থানীয় গুরুদ্বারে গিয়ে কীর্তন গাইতেন, যা তাঁর সংগীত জীবনের অন্যতম ভিত্তি তৈরি করেছিল। চলতি বছরের শুরুতে অরিজিৎ সিং জানান যে, প্লে ব্যাক থেকে তিনি বর্তমানে অবসর নিতে চান। ইতিমধ্যেই অরিজিতের কল্যাণে জিয়াগঞ্জে ঘুরে গিয়েছেন এড শিরান, আমির খান, সলমন খানের প্রেমিকা ইউলিয়া ভান্টুর, সোনু নিগমের মতো তারকারা। আর এবার দিল্লির এই অনুষ্ঠানেও সগর্বে নিজের শহরের নাম নিলেন গায়ক। যাতে আপ্লুত এই এলাকার মানুষরা।
{{/usCountry}}অরিজিৎ জিয়াগঞ্জের রাজা বিজয় সিংহ বিদ্যামন্দির স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি জিয়াগঞ্জেরই শ্রীপত সিং কলেজে ভর্তি হন। খুব ছোটবেলা থেকেই তাঁর সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ ছিল। পরিবারের সাংস্কৃতিক পরিবেশ তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাঁর মামা একজন তবলা বাদক এবং মাসি ধ্রুপদী সংগীতশিল্পী ছিলেন। মায়ের সঙ্গে ছোটবেলায় স্থানীয় গুরুদ্বারে গিয়ে কীর্তন গাইতেন, যা তাঁর সংগীত জীবনের অন্যতম ভিত্তি তৈরি করেছিল। চলতি বছরের শুরুতে অরিজিৎ সিং জানান যে, প্লে ব্যাক থেকে তিনি বর্তমানে অবসর নিতে চান। ইতিমধ্যেই অরিজিতের কল্যাণে জিয়াগঞ্জে ঘুরে গিয়েছেন এড শিরান, আমির খান, সলমন খানের প্রেমিকা ইউলিয়া ভান্টুর, সোনু নিগমের মতো তারকারা। আর এবার দিল্লির এই অনুষ্ঠানেও সগর্বে নিজের শহরের নাম নিলেন গায়ক। যাতে আপ্লুত এই এলাকার মানুষরা।
{{/usCountry}}