Arijit Singh Education: আজ তাঁর কণ্ঠের দাপটে কাঁপছে বলিউড। কিন্তু অরিজিৎ সিং-এর জীবনটা অন্যরকম হতেই পারত। গিটারের বদলে তাঁর হাতে থাকতে পারত টেস্ট টিউব কিংবা মাইক্রোস্কোপ। স্কুলজীবনে অরিজিৎ-এর পছন্দের বিষয় ছিল বিজ্ঞান। সেই মতো একাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে ভর্তিও হয়েছিলেন। কিন্তু মাঝপথে সব সমীকরণ ওলটপালট হয়ে যায় মাত্র একটি প্রশ্নে!

বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্নে জল ঢাললেন কে?
অরিজিৎ নিজেই এক পডকাস্টে এসে জানিয়েছেন, সায়েন্স নিয়ে পড়ার সময় তাঁর গানের শিক্ষক তাঁকে সরাসরি প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তুই কি বড় হয়ে বৈজ্ঞানিক হবি?’ কারণ তেমনটা না হলে সায়েন্স নিয়ে সময় নষ্ট করার কী দরকার? বিজ্ঞান নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর সঙ্গীতের রেওয়াজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল অরিজিৎ-এর। পড়ার চাপে দিনে আট ঘণ্টা তো দূর অস্ত, গান নিয়ে বসাই হয়ে ওঠেছিল দুষ্কর। তাই তাঁর গুরুর কথা শুনেই বিজ্ঞান ভুলে কলাবিভাগে অ্য়াডমিশন নেন অরিজিৎ।
আর্টসের ছাত্র অরিজিৎ: কী কী বিষয় ছিল তাঁর?
বিজ্ঞান ছাড়লেও পড়াশোনায় ফাঁকি দেননি তিনি। কলাবিভাগে এসে অরিজিৎ এমন সব বিষয় বেছে নিয়েছিলেন যা তাঁর সৃজনশীল সত্তাকে আরও শানিত করেছিল। ক্লাস টেনের পর ইতিহাস থেকে পিছু হঠানোর জেদ থেকেই শুরুতে বিজ্ঞান বেছেছিলেন, কিন্তু শেষমেষ তা সম্ভবপর হয়নি। তাঁর পাঠ্য তালিকায় ছিল:
দর্শন (Philosophy)
{{/usCountry}}দর্শন (Philosophy)
{{/usCountry}}ইতিহাস (History)
ভূগোল (Geography)
বাংলা ও ইংরেজি (আবশ্যিক)। অরিজিৎ সাফ জানিয়েছেন, এর মধ্য়ে তাঁর সবচেয়ে পছন্দের বিষয় হয়ে উঠেছিল দর্শন। যে বিষয়ের গভীরতা অরিজিৎ-এর জীবন দর্শকনকে প্রভাবিত করেছে।
বিজ্ঞান হারালেও সংগীত জগত কী পেল?
অরিজিতের কথায়, সেই সময় সায়েন্স ছাড়ার সিদ্ধান্তটা কঠিন মনে হলেও আজ বোঝা যায় সেটাই ছিল তাঁর জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। সায়েন্সের জটিল ইকুয়েশন থেকে মুক্তি পেয়েই তিনি নিজেকে উজাড় করে দিতে পেরেছিলেন সুরের সাধনায়।
চলতি বছরই প্লে-ব্যাক জগত থেকে নিজের বিদায় ঘণ্টা বাজিয়েছেন অরিজিৎ। কারণ জীবনটা নিজের শর্তে বাঁচেন তিনি। এখনও পর্দায় অরিজিৎ-এর পূর্বে রের্কড করা বেশকিছু গান শোনা যাবে ঠিকই, কিন্তু নতুন করে কোনওরকম প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন না অরিজিৎ।