...
...
Next Story

Ayush Gupta Saregamapa Winner: ‘জিরো থেকে চ্যাম্পিয়ন’, সারেগামাপা-র ট্রফি জিতে চোখে জল আয়ুষের, কত প্রাইজ মানি পেল সে?

Ayush Gupta Saregamapa Winner: ‘এই ট্রফি আমার যতটা, আপনাদেরও ততটা’, সারেগামাপা-র ট্রফি ছিনিয়ে নিল ইসলামপুরের ছেলে আয়ুষ। দ্বিতীয় আর তৃতীয় হল কারা?

Published on: Jun 29, 2026 07:00 AM IST
Advertisement

Ayush Gupta Saregamapa Winner: রবিবার রাতে অবসান ঘটল দীর্ঘ প্রতীক্ষার। টেলিভিশন পর্দার অন্যতম সেরা মিউজিক্যাল রিয়্যালিটি শো ‘জি বাংলা সারেগামাপা ২০২৫–২৬’ (Zee Bangla Sa Re Ga Ma Pa 2025-26)-এর গ্র্যান্ড ফিনালে-তে যবনিকা পড়ল। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার খবরে সিলমোহর, সেরার সেরা শিরোপা ছিনিয়ে নিলেন সকলের প্রিয়, ইসলামপুরের ছেলে আয়ুষ গুপ্তা। দীর্ঘ কয়েক মাসের কঠিন লড়াই, সুরের পরীক্ষা এবং রুদ্ধশ্বাস মুহূর্ত পার করে ট্রফি এখন তাঁর হাতে।

‘জিরো থেকে চ্যাম্পিয়ন’, সারেগামাপা-র ট্রফি জিতে চোখে জল আয়ুষের, কত টাকা পেল সে?
‘জিরো থেকে চ্যাম্পিয়ন’, সারেগামাপা-র ট্রফি জিতে চোখে জল আয়ুষের, কত টাকা পেল সে?

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অফুরন্ত আবেগ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে একটি দীর্ঘ পোস্ট শেয়ার করেছেন আয়ুষ। ‘জিরো থেকে চ্যাম্পিয়ন’ হওয়ার এই অসামান্য জার্নিতে তিনি কীভাবে পাশে পেয়েছেন দর্শক এবং তাঁর মেন্টরদের, সেই গল্পই ভাগ করে নিলেন চোখের জলে।

'জিরো থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সফর... ঘুমহীন রাতগুলো সার্থক’

সারেগামাপা-র সোনালী ট্রফি হাতে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে আয়ুষ তাঁর মনের অনুভূতি উগরে দিয়ে লিখেছেন, ‘জিরো থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সফর... এই সফরে অনেক চড়াই-উতরাই এসেছে। কখনও কখনও মনে হয়েছে বড্ড কঠিন, কিন্তু একটা জিনিসের ওপর সবসময় বিশ্বাস ছিল— আমার দর্শকেরা আমার পাশে আছেন। আপনাদের সবার ভালোবাসা আর দোয়াই ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আজ সমস্ত কঠোর পরিশ্রম, বিনিদ্র রজনী, ঈশ্বরের আর্শীবাদ এবং আপনাদের অফুরন্ত ভালোবাসার জোরেই আমি জি বাংলা সারেগামাপা ২০২৫–২৬-এর চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি। আপনাদের নিজেদের আয়ুষ আজ উইনার ট্রফি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে... আর মনটা শুধু কৃতজ্ঞতায় ভরে রয়েছে।’

নিজের এই সাফল্যের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব গ্রুমার, মেন্টর এবং বিচারক মণ্ডলীকে সঁপে দিয়েছেন আয়ুষ। প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত তাঁকে গাইড করার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রূপম ইসলাম, শান্তনু মৈত্র, জিৎ গাঙ্গুলী ও কৌশিকী চক্রবর্তীদের মতো সঙ্গীত জগতের নক্ষত্রদের।

নিজের পোস্টে বিচারক ও সঞ্চালকের নাম উল্লেখ করে আয়ুষ লেখেন: ‘সৌমেন নন্দী স্যার, কল্যাণ ভট্টাচার্য স্যার, ঝুমুর চ্যাটার্জি ম্যাম, রথীজিৎ ভট্টাচার্য স্যার, শান্তনু মৈত্র স্যার, জিৎ গাঙ্গুলী স্যার, রূপম ইসলাম স্যার, কৌশিকী চক্রবর্তী মা, অন্তরা মিত্র ম্যাম, শুভমিতা ব্যানার্জি অফিশিয়াল ম্যাম, জোজো মুখার্জি ম্যাম, ইমন চক্রবর্তী দি, রূপঙ্কর বাগчи স্যার, শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায় ম্যাম এবং আবির চ্যাটার্জি দাদা— আপনাদের সবার আশীর্বাদ আর সঠিক দিক নির্দেশনা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ।’

‘এই ট্রফি আমার যতটা, আপনাদেরও ততটা’— দর্শকদের বার্তা

আয়ুষ তাঁর অনুরাগীদের মনে করিয়ে দিতে ভোলেননি যে, এই জয় আসলে সাধারণ মানুষের জয়। দর্শকদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন হয়ে তিনি লেখেন, ‘এই অনুভূতি প্রকাশ করার মতো শব্দ হয়তো এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই, তবে একটা প্রতিশ্রুতি নিশ্চয়ই দেব— আমি আজীবন শিখতে থাকব এবং আপনাদের আরও অনেক বেশি গর্বিত করব। আর আমার প্রিয় দর্শক... এই ট্রফিটা আমার যতটা, ঠিক ততটাই আপনাদেরও। প্রতিটি ভোট, প্রতিটি প্রার্থনা এবং মেসেজের জন্য দিল সে শুকরিয়া।’

পোস্টের শেষে বাংলায় নিজের মনের টান প্রকাশ করে নতুন চ্যাম্পিয়ন লিখেছেন, ‘আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ভালোবাসি। গানে গানে পাশে থেকো। এটা কোনও শেষ নয়... এটা আমার মিউজিক্যাল জার্নির একটা নতুন শুরু মাত্র।’ সুরের মঞ্চে আয়ুষের এই রাজকীয় জয়ে স্বভাবতই দারুণ খুশি গোটা বাংলার সঙ্গীতপ্রেমীরা।

সারেগামাপা-র মঞ্চে দ্বিতীয় স্থানেই সন্তুষ্ট থাকতে হল সায়ন্তনীকে, তৃতীয় সৃজন পোড়েল। ট্রফি ছাড়াও ঢালাও উপহার আর প্রাইজ মানি পেয়েছেন তিনজনেই। আয়ুষের হাতে ট্রফি ছাড়াও উঠেছে এসইউভি-র চাবি, সোনার গয়নার সেট এবং মোট ছয় লক্ষ টাকা প্রাইজ মানি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe