...
...
Next Story

Dilip Ghosh Jhalmuri Song: বিরোধীদের ‘ঝাল’ লাগাতে ‘ঝালমুড়ি’ গান গাইলেন বিজেপি-র দিলীপ! নেতা থেকে সোজা গায়ক

সোমবরা সকালে মর্নিং ওয়াক সেরে রেকর্ডিং স্টুডিয়োতে গিয়ে ঝালমুড়ি গান রেকর্ড করলেন বিজেপি-র দাবাং নেতা দিলীপ ঘোষ। সেই ভিডিয়ো এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে।

Published on: Jul 13, 2026 03:31 PM IST
Advertisement

বঙ্গ বজেপি-র দুঁদে নেতা দিলীপ ঘোষ। যদিও কয়েক বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের পাশাপাশি, চর্চায় রয়েছে ব্যক্তিগত জীবনও। প্রায় প্রতি সকালেই স্ত্রী রিঙ্কুকে নিয়ে বের হন মর্নিং ওয়াকে। সেই সময় একপ্রকার তাঁকে ঘিরে থাকে বিজেপি কর্মী, অনুরাগীরা। স্বভাবে ঠোঁটকটা, অকপটে এমন কথা বলে দেন, যা নিয়ে চর্চায় মজে আট থেকে আশি। চলে চায়ে পা চর্চা! তবে আপাতত দিলীপ ঘোষ খবরে তাঁর ‘ঝালমুড়ি’ গানের কারণে।

ঝালমুড়ি গান রেকর্ড দিলীপ ঘোষের।
ঝালমুড়ি গান রেকর্ড দিলীপ ঘোষের।

সোমবার সকালেই চিনার পার্কের একটি রেকর্ডিং স্টুডিয়োতে গিয়ে গান রেকর্ড করেন দিলীপ। করেন ঝালমুড়ি নিয়ে গান রেকর্ড। ইতিমধ্যে তাঁর গান রেকর্ডিংয়ের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এমনকী, দিলীপের গানের দলার প্রশংসাও হচ্ছে বেশ।

‘আম আচারে টক মিলবে, অল্প দাও হে ভাই’, এবাবেই এগিয়েছে দিলীপের গান। শিল্পী লোকেশ গিরি ও তাঁর স্ত্রী রিমাশ্রীর লেখা ও সুর করা গানটি। বিজেপি নেতা অনুপম হাজরার ফেসবুক পেজ থেকে গানটি ভাইরাল হয়েছে। এর আগে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের প্রচারে এসে ঝালমুড়ি খেয়ে ‘ঝাল’ লাগিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এবার পালা দিলীপের।

পুরুলিয়া সফরে মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়া চমকে দিয়েছিল গোটা দেশকে। ভোট প্রচারের মাঝেই সোজা ঢুকে পড়েন ফুটপাতের এক দোকানে। ঠোঙা থেকে হাতে ঢেলে নেন ঝালমুড়ি। আর তারপরই বেড়ে যায় এই চটপটে খাবারের জনপ্রিয়তা। বাংলার সুস্বাদু, সস্তা খাবার ঝালমুড়ি রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে গোটা দেশে। এমনকী তারপর থেকে ঝালমুড়ি থাকছে বিজেপি-র যে কোনো মিটিংয়ে। আর সেটাকেই এবার গান বানালেন দিলীপ।

২০২৫ সালের ১৮ এপ্রিল বিয়ে করেন দিলীপ ঘোষ। ৬০ বছর বয়সে সহকর্মী ও বিজেপি নেত্রী রিঙ্কু মজুমদারের গলায় দেন মালা। বিজেপি নেতার দাবি ছিল, মায়ের ইচ্ছাকে সম্মান জানাতে বিয়ে করেন তিনি। এরপর বউকে নিয়ে হানিমুনে গিয়েছিলেন আন্দামানে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe