Churni Ganguly: অনেক সময় কিছু গন্ধ অথবা কিছু শব্দ এমন হয় যা ছোটবেলার কথা মনে করিয়ে দেয় ভীষণভাবে। ছোটবেলায় ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা মানুষের মনে এমন ভাবে দাগ কেটে যায়, যা সারা জীবনেও ভোলা যায় না। সম্প্রতি একটি এমব্রডারি করা জামার সঙ্গে আটকে থাকা ছোটবেলার একটা মুহূর্ত সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়।

ছোটবেলাটা চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ের বেশ মজার ছিল কারণ বাজার থেকে জামা কিনতেন না তিনি কারণ সব জামাই বানিয়ে দিতেন তাঁর মা। বর্ষার ছুটির বিকেলে টিনের ছাদের ওপর বৃষ্টির শব্দের সঙ্গে কোথাও যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে যেত সেলাই মেশিনের টুকটাক আওয়াজ। মুগ্ধ দৃষ্টিতে মায়ের দিকে তাকিয়ে থাকতেন ছোট্ট চূর্ণী।
আরও পড়ুন: সিনেমার গণ্ডি পেরিয়ে ওয়েব সিরিজে পদার্পণ বনির, বিপরীতে থাকবেন কোন নায়িকা?
মায়ের সঙ্গে হাতে কাজও করতেন তিনি। হুক বোতাম লাগানো অথবা হেম করা, এই সবকিছুই মায়ের থেকে শিখেছেন তিনি। রুমালে গোলাপ ফুল কী করে তুলতে হয় সেটাও ধীরে ধীরে শিখেছেন মায়ের থেকে। সব থেকে মজার বিষয় হল সেই সময় আলমারি ভর্তি জামা ছিল না চূর্ণীর। বাড়িতে পরার জামা, দুটো ভালো অনুষ্ঠানের ড্রেস, কয়েকটা সোয়েটার তাও মায়ের হাতে বোনা।
পাঁচ বছর আগে মাকে হারিয়েছেন চূর্ণী, কিন্তু আজও এমব্রয়ডারি করা জামা পরলেই যেন মনে পড়ে যায় মায়ের কথা। মাত্র ৬ বছর থেকেই নিজের জামা নিজেই তৈরি করতে শিখেছেন পরিচালক, তাই কোনও বিশেষ দিনে আজও নিজের হাতে সেলাই করা জামা পরে মায়ের স্মৃতি আঁকড়ে থাকতেই ভালোবাসেন তিনি।
{{/usCountry}}পাঁচ বছর আগে মাকে হারিয়েছেন চূর্ণী, কিন্তু আজও এমব্রয়ডারি করা জামা পরলেই যেন মনে পড়ে যায় মায়ের কথা। মাত্র ৬ বছর থেকেই নিজের জামা নিজেই তৈরি করতে শিখেছেন পরিচালক, তাই কোনও বিশেষ দিনে আজও নিজের হাতে সেলাই করা জামা পরে মায়ের স্মৃতি আঁকড়ে থাকতেই ভালোবাসেন তিনি।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: 'সব থেকে বড় ক্ষতি তো আমার...', ‘চিরসখা’ বন্ধ, দেড় মাস ধরে কাজের সন্ধানে সুদীপ
চূর্ণী যে ছবিটি পোস্ট করেছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে একটি গোলাপি রঙের পোশাক পরে রয়েছেন তিনি, যেখানে খুব সুন্দর করে ছোট ছোট গোলাপ আঁকা রয়েছে। মায়ের অবর্তমানে মায়ের জায়গা নিয়েছেন মাসিরা, তাই মাসি আর বোনদের সঙ্গে কাটানো সেই বিশেষ মুহূর্তের কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে পুরনো দিনের স্মৃতি রোমন্থন করলেন চূর্ণী।