বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র এখন রাজনীতির ‘হটস্পট’। আর বালিগঞ্জ মানেই যার নাম সবার আগে মাথায় আসে, তিনি ইন্ডাস্ট্রি— প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রের বাম প্রার্থী আফরিন বেগম শিল্পী বর্তমানে ভোটারদের দরজায় দরজায় ঘুরছেন। তবে এদিন তাঁর গন্তব্য ছিল একটু বিশেষ। নিজের নির্বাচনী এলাকার অন্তর্গত ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচার চলাকালীন তিনি সোজা চলে গেলেন বুম্বাদার বাসভবন ‘উৎসব’-এ।

‘আশীর্বাদ লড়াইয়ের পথ সুদৃঢ় করবে’
সাক্ষাৎ শেষে প্রসেনজিতের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে আফরিন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নেন। তিনি লেখেন, ‘বিশিষ্ট অভিনেতা শ্রী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি আমার বালিগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত। আজ ওনার ওয়ার্ডে (৬৫) প্রচারের সময় দেখা করে এলাম। ওনার আশীর্বাদ আমাদের এই লড়াইয়ের পথ আরও সুদৃঢ় করবে।’
সৌজন্যের নতুন সমীকরণ:
আফরিনের এই বার্তায় স্পষ্ট যে, তিনি এই লড়াইয়ে প্রবীণদের আশীর্বাদ আর অভিজ্ঞদের সান্নিধ্যকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বরাবরই অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত এবং সব মহলেই তাঁর গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। বালিগঞ্জের প্রার্থী হিসেবে আফরিনের এই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
তরুণী প্রার্থী বনাম অভিজ্ঞ তারকা:
যাদবপুরের প্রাক্তনী আফরিন যখন বামেদের হয়ে পরিবর্তনের ডাক দিচ্ছেন, তখন বুম্বাদার হাসিমুখের পাশে তাঁর এই ছবি এক বিরল সৌজন্যের রাজনীতির সাক্ষী থাকল। টলিউডের মেগাস্টারের বাড়ি থেকে আশীর্বাদ নিয়ে বেরিয়ে আফরিন যেন তাঁর লড়াইয়ের ময়দানে নতুন অক্সিজেন খুঁজে পেলেন।
বালিগঞ্জ গত কয়েক বছরে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। এই কেন্দ্র থেকে শাসক শিবিরের হয়ে লড়ছেন পোড়খাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি এই কেন্দ্রে টিকিট দিয়েছে ডঃ শতরূপাকে। জাতীয় কংগ্রসেরে তরফে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রোহন মিত্র।
{{/usCountry}}বালিগঞ্জ গত কয়েক বছরে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। এই কেন্দ্র থেকে শাসক শিবিরের হয়ে লড়ছেন পোড়খাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি এই কেন্দ্রে টিকিট দিয়েছে ডঃ শতরূপাকে। জাতীয় কংগ্রসেরে তরফে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রোহন মিত্র।
{{/usCountry}}ভোটের আবহে প্রসেনজিৎ-এর পদ্ম-পুরস্কার প্রাপ্তির পর তাঁর সঙ্গে সৌজন্য় সাক্ষাৎ করতে পৌঁছেছিলেন সুকান্ত মজুমদার। সেই ছবি প্রসেনজিৎ পুত্র ফেসবুকে দিতেই হইচই শুরু হয়েছিল বুম্বাদা নাকি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। যদিও সেই সম্ভাবনা খারিজ করে দেন ইন্ডাস্ট্রি স্বয়ং। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখলেও সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরেই থেকেছেন প্রসেনজিৎ।
সদ্য অভিমানের শ্যুটিং শেষ করেছেন তারকা। কলকাতা-মুম্বই মিলিয়ে কর্মব্য়স্ত প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়।