অভিনেতা রাহুল দেব বসুর জন্মদিন। কিন্তু সারাদিন শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত দেবাদৃতা। সদ্য শুরু হয়েছে কমলানিবাস। দম ফেলবার ফুরসৎ নেই তাঁর, কিন্তু শেষবেলায় প্রেমিকের কাছে হাজির জন্মদিনের সারপ্রাইজ দিতে। রাখঢাক না রেখেই দেবাদৃতা আর রাহুল নিজেদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। এদিন দেবাদৃতাও জানালেন রাহুল তাঁর কাছে শুধু বন্ধু নন, বরং তাঁর জীবনের ‘জিগার কা টুকড়া’।

খুল্লামখুল্লা প্রেম
নিজেদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করতে কার্পণ্য করেননি রাহুল-দেবাদৃতা। সোমবার সারাদিন ‘কমলানিবাস’-এর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন পর্দার পল্লবী। কিন্তু প্যাক-আপ হতেই আর দেরি করেননি। সোজা পৌঁছে গিয়েছেন তাঁর প্রিয় মানুষের কাছে। হাতে গরম বিরিয়ানির হাঁড়ি আর চোখে ভরা প্রেম নিয়ে রাহুলের বিশেষ দিনটি আরও রঙিন করে তুললেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বীকারোক্তি
দেবাদৃতা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বয়ফ্রেন্ডের সাথে ছবি পোস্ট করে লিখলেন, ‘শুভ জন্মদিন আমার জিগড় কা টুকরা’। উত্তরে রাহুলও তাঁকে ‘দেবী জি’ বলে সম্বোধন করে বুঝিয়ে দিলেন, তাঁদের রসায়নটা ঠিক কতটা গভীর। তাঁদের এই অকপট স্বীকারোক্তি দেখে ভক্তরা তো বটেই, খুশি টলিপাড়ার সহকর্মীরাও। টেলিপাড়ায় সাধারণত সম্পর্ক নিয়ে লুকোচুরি করার যে চল আছে, রাহুল-দেবাদৃতা যেন সেই প্রথা ভেঙেই এক অনন্য নজির গড়লেন।
কেরিয়ারের ব্যস্ততা বনাম কোয়ালিটি টাইম
সারাদিন ‘কমলানিবাস’-এর সেটে লড়াইয়ের পর শেষবেলায় বিরিয়ানি আড্ডায় নিজেদের মতো সময় কাটালেন এই তারকা জুটি। দেবাদৃতা নিজেই মজা করে লিখেছেন, ‘পোস্ট প্যাক-আপ বার্থডে বিরিয়ানি সারপ্রাইজ!’। একে অপরের প্রতি এই সহজ স্বীকারোক্তি এবং পেশাদার ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করে নেওয়া— সব মিলিয়ে ‘কাপল গোলস’ দিচ্ছেন টলিপাড়ার এই জুটি।
কীভাবে শুরু প্রেম?
{{/usCountry}}কীভাবে শুরু প্রেম?
{{/usCountry}}সিরিয়ালের সেটে শুরু প্রেম। আলোর ঠিকানা ধারাবাহিক রাহুলকে খুঁজে দিয়েছে তাঁর প্রেমের ঠিকানা। ২০২৩ সালের দুর্গাপুজোর দশমীর দিন রাহুল দেব বসু আর দেবাদৃতা বসু প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছিলেন— ‘হ্যাঁ, আমরা প্রেমে পড়েছি’। তবে সেই ঘোষণার আগেই অবশ্য প্রেমের সাত মাস পার করে ফেলেছিলেন এই জুটি। দুজনের সম্পর্কের বাঁধন এখন আরও মজবুত।
রাহুল-দেবাদৃতার সম্পর্কের বয়স প্রায় দু বছর। দুই পরিবারই তাঁদের এই সিদ্ধান্তকে মেনে নিয়েছেন। দেবাদৃতার বাবা সঞ্জয় বসুর সঙ্গে দারুণ বন্ধুত্ব রাহুলের। দেবাদৃতার ছোট বোন তো চোখে হারায় হবু জিজুকে। রাহুলের প্রেমজীবন নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে বরাবরই অনেক আলোচনা হয়েছে, যা ছিল একপ্রকার ‘ওপেন সিক্রেট’। অন্যদিকে, দেবাদৃতা কিন্তু তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই সাবধানী ছিলেন। রাহুলের হাত ধরার আগে পর্যন্ত তিনি নিজের কোনো সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেননি। বোঝাই যাচ্ছে, রাহুলের মধ্যে ভরসার ঠিকানার খোঁজ পেয়েছেন দেবাদৃতা।