...
...
Next Story

'মুঝসে পাঙ্গা মত লেনা', এভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ডকে পালটা হুমকি দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র

বলিউডের 'হি-ম্যান' ধর্মেন্দ্র শুধু পর্দাতেই নয়, বাস্তব জীবনেও ছিলেন নির্ভীক। এক সময় আন্ডারওয়ার্ল্ডের হুমকির মুখেও তিনি মাথা নত করেননি। বরং এমন জবাব দিয়েছিলেন যে, এরপর আর কখনও তাঁকে বিরক্ত করার সাহস দেখায়নি দুষ্কৃতিরা।

Published on: Jul 03, 2026 09:02 AM IST
Advertisement

ধর্মেন্দ্র আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। তবে তাঁর অভিনীত অসংখ্য ছবির মাধ্যমে তিনি আজও দর্শকের হৃদয়ে অমর। কর্মজীবনে তিনি একের পর এক আইকনিক ও সুপারহিট ছবি উপহার দিয়েছেন। কমেডি, অ্যাকশন থেকে রোম্যান্স—সব ধরনের চরিত্রেই তিনি নিজের অভিনয়ের ছাপ রেখেছেন। তাঁর অভিনয়জীবন ঘিরে যেমন অসংখ্য গল্প প্রচলিত, তেমনই বাস্তব জীবনেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাহসী। এমনকি আন্ডারওয়ার্ল্ডের হুমকির সামনেও মাথা নত না করে তাঁদেরই পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র।

বাস্তব জীবনেও ছিলেন প্রকৃত নায়ক

জানেন কীভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ডকে পালটা হুমকি দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র।
জানেন কীভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ডকে পালটা হুমকি দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র।

অভিনেতা ও পরিচালক সত্যজিৎ পুরি 'ফ্রাইডে টকিজ'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে একটি অত্যন্ত চমকপ্রদ ঘটনা শোনান। তিনি জানান, আন্ডারওয়ার্ল্ডের মতো শক্তিশালী চক্রও কখনও ধর্মেন্দ্রকে ভয় দেখাতে পারেনি। তাঁর কথায়, শুধু সিনেমার পর্দাতেই নয়, বাস্তব জীবনেও ধর্মেন্দ্র ছিলেন প্রকৃত নায়ক। তিনি এমন একজন মানুষ ছিলেন, যিনি কোনও ব্যক্তি বা শক্তির সামনে ভয় পেতেন না এবং নিজের অবস্থান থেকে কখনও সরে আসতেন না।

যখন আন্ডারওয়ার্ল্ডকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র

আসলে ১৯৯০-এর দশকে বলিউডে আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রভাব ছিল অত্যন্ত প্রবল। সেই সময় চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের যোগাযোগ নিয়ে নানা খবর প্রকাশ্যে আসত। পাশাপাশি বহু অভিনেতা-অভিনেত্রীকে হুমকির ফোন আসার ঘটনাও সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত শিরোনাম হতো। ধর্মেন্দ্রও সেই সময় এমনই হুমকির মুখোমুখি হয়েছিলেন। কিন্তু যেখানে অনেক তারকাই বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকাই শ্রেয় মনে করেছিলেন, সেখানে ধর্মেন্দ্র একেবারেই নির্ভীকভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছিলেন।

‘আমার সঙ্গে লাগতে এসো না’

সত্যজিৎ পুরির দাবি, ধর্মেন্দ্রর এই জবাবের পর আন্ডারওয়ার্ল্ড আর কখনও তাঁর সঙ্গে ঝামেলায় জড়ানোর সাহস দেখায়নি।

২০২৫ সালে প্রয়াত হন ধর্মেন্দ্র

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর প্রয়াত হন ধর্মেন্দ্র। তাঁর মৃত্যু শুধু পরিবারের জন্য নয়, কোটি কোটি অনুরাগীর কাছেও ছিল এক বিরাট ধাক্কা। অভিনেতার মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা একে অপরের শক্তি হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। মৃত্যুর পর তাঁকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত করা হয়। সেই সম্মান গ্রহণ করতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী হেমা মালিনী। এই বিশেষ মুহূর্তে শুধু হেমা মালিনীই নন, তাঁদের মেয়ে ঈশা দেওলও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON