...
...
Next Story

Jasmine Sandlas: মদের নেশায় ডুবে থাকতেন, তিলে তিলে শেষ করছিলেন নিজেকে! বিস্ফোরক ধুরন্ধর গায়িকা

জেসমিন স্যান্ডলাস আজ শুধু পাঞ্জাবি পপ জগতের রানী নন, বলিউডেও তাঁর কণ্ঠের জাদু অনস্বীকার্য। জন্ম পঞ্জাবের জলন্ধরে হলেও তাঁর বড় হয়ে ওঠা ক্যালিফোর্নিয়ার উন্মুক্ত পরিবেশে। কীভাবে মদের নেশায় নিজের জীবন শেষ করতে বসেছিলেন শরারাত গায়িকা? ফিরে দেখলেন অতীত অধ্যায়।

Published on: Apr 21, 2026, 12:01:04 IST
Advertisement

গান হোক বা জীবন— জেসমিন স্যান্ডলাস মানেই একটু ‘অন্যরকম’। ‘ইয়ার না মিলে’ বা ‘ইললিগ্যাল ওয়েপন’-এর মতো সুপারহিট গানের এই গায়িকা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অ্যালকোহল আসক্তি নিয়ে মুখ খুললেন। তিনি অকপটে স্বীকার করলেন যে, এক সময় তিনি এতটাই মদ্যপান করতেন যে তাঁর ব্যক্তিগত এবং পেশাদার জীবন ওলটপালট হতে শুরু করেছিল।

মদের নেশায় ডুবে থাকতেন, তিলে তিলে শেষ করছিলেন নিজেকে! বিস্ফোরক ধুরন্ধর গায়িকা (Instagram)
মদের নেশায় ডুবে থাকতেন, তিলে তিলে শেষ করছিলেন নিজেকে! বিস্ফোরক ধুরন্ধর গায়িকা (Instagram)

‘প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পান করতাম’

জেসমিন জানান, একসময় মদ্যপান করাটা তাঁর কাছে স্রেফ মজার ছিল না, বরং সেটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। গায়িকার কথায়, ‘আমি যতটা সহ্য করতে পারতাম, তার চেয়ে অনেক বেশি পান করতাম। একটা সময় এমন এসেছিল যে মদ ছাড়া আমি কিছুই ভাবতে পারতাম না।’ তিনি আরও যোগ করেন যে, এই আসক্তি তাঁকে ভেতর থেকে একা এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল।

ফিরে আসার লড়াই

সাফল্যের আলোয় থাকা একজন তারকার পক্ষে এই ধরনের স্বীকারোক্তি বেশ সাহসের। জেসমিন জানান, সেই অন্ধকার জগত থেকে বেরিয়ে আসা সহজ ছিল না। তিনি নিজের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে দেখে ভয় পেয়েছিলেন। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর আজ তিনি সেই নেশা থেকে মুক্ত। গায়িকা এখন অনেক বেশি ফিট এবং নিজের কেরিয়ারে মনোযোগী। তাঁর এই স্বীকারোক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো তাঁর ভক্তদের সতর্ক করা, যাতে কেউ নেশার ফাঁদে পা না দেন। ধুরন্ধর ছবিতে শরারাত গান গেয়ে লাইমলাইটে জ্য়াসমিন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় জেসমিনের এই অকপট সততা প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই লিখেছেন, 'নিজের দুর্বলতা স্বীকার করা মানেই আপনি শক্তিশালী হতে শুরু করেছেন।' পাঞ্জাবি পপ তারকা থেকে নিজের জীবন বদলে ফেলার এই গল্প এখন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা।

জ্যাসমিনের কেরিয়ার

২০০৮ সালে ‘মুসকান’ (Muskan) গানটি দিয়ে গানের জগতে পা রেখেছিলেন জেসমিন। তবে তাঁর কেরিয়ারে বড় মোড় আসে যখন তিনি জনপ্রিয় র‍্যাপার বোহেমিয়া-র (Bohemia) সঙ্গে ‘গুলাবি’ অ্যালবামে কাজ করেন। এই অ্যালবামটি রাতারাতি তাঁকে সেনসেশনে পরিণত করে এবং ‘গুলাবি কুইন’ তকমা এনে দেয়। য়ো ইয়ো হানি সিং-এর সুরে সালমান খানের ছবি ‘কিক’-এর জন্য তিনি লিখেছিলেন এবং গেয়েছিলেন ‘ইয়ার না মিলে’ (Yaar Na Miley)। এই একটি গানই তাঁকে জাতীয় স্তরে পরিচিতি এনে দেয়। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। ‘প্যাটিয়ালা পেগ’ থেকে শুরু করে একের পর এক চার্টবাস্টার গান উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে ধুরন্ধর নিঃসন্দেহে তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় মাইলফলক।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe