বলিউডে পার্টি মানেই উপহারের হিড়িক। কিন্তু আপনি কি জানেন, ইন্ডাস্ট্রির ‘বাদশাহ’ আর ‘ভাইজান’-এর জন্মদিনের আসরে অতিথিরা খালি হাতে যেতেই বেশি পছন্দ করেন? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই গোপন কথাটি প্রকাশ্যে এনেছেন একতা কাপুর। আর তার পেছনের কারণটি বেশ মজার।

‘ওদের দেওয়ার মতো কিছু নেই’
একতা কাপুরের মতে, শাহরুখ এবং সলমনের কাছে জাগতিক সব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যই রয়েছে। তিনি বলেন, ‘শাহরুখ আর সলমনের কাছে পৃথিবীর সবকিছু আছে। আপনি যখন ওদের বাড়িতে যান, তখন আপনার মাথায় আসবে না যে ওদের ঠিক কী উপহার দেওয়া যেতে পারে। ওদের জন্য উপহার কেনা পৃথিবীর সবথেকে কঠিন কাজ।’ একতা ঠাট্টা করে আরও বলেন যে, ওদের উপহার দেওয়া মানে ‘সূর্যকে প্রদীপ দেখানো’।
উপহারের চেয়ে বড় তাঁদের ‘মন’
একতা জানান, এই দুই সুপারস্টারের কাছে সবথেকে বড় উপহার হলো তাঁদের অনুরাগীদের ভালোবাসা এবং কাছের মানুষদের উপস্থিতি। মানুষ সেখানে উপহার দিতে নয়, বরং তাঁদের খুশিতে সামিল হতে যান। শাহরুখের ‘মন্নত’ আর সলমনের ‘গ্যালাক্সি’ অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে প্রতি বছর যে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় জমে, সেটাই তাঁদের কাছে সেরা ‘রিটার্ন গিফট’।
গ্ল্যামার বনাম সাদাসিধে জীবন
বলিউডের এই দুই দিগগজের জন্মদিনে উপহারের চেয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুরুত্বই বেশি পায়। একতার এই বক্তব্য যেন সেই কথারই প্রতিধ্বনি— কিছু মানুষের কাছে বস্তুর চেয়ে আবেগের মূল্য অনেক বেশি।
{{/usCountry}}বলিউডের এই দুই দিগগজের জন্মদিনে উপহারের চেয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুরুত্বই বেশি পায়। একতার এই বক্তব্য যেন সেই কথারই প্রতিধ্বনি— কিছু মানুষের কাছে বস্তুর চেয়ে আবেগের মূল্য অনেক বেশি।
{{/usCountry}}জিতেন্দ্র কন্যা বলিউডের সফল প্রযোজক। ভারতীয় টেলিভিশনের অবিসংবাদিত মুখ একতা কাপুর। বালাজি টেলিফিল্মস দর্শকদের উপহার দিয়েছে অগুণতি কাল্ট ধারাবাহিক। কাজ পাগল একতা বিয়ে করেননি, তবে সারোগেসির মাধ্যমে পুত্র সন্তান লাভ করেছেন।
এর আগে একতা কিছুদিন আগে নিজের ডেইলি রুটিন শুরু করে বলেছিলেন, 'আমি দেরি করে ঘুম থেকে উঠি। আমার রুটিন শুনলে মানুষ অবাক হবে। আমি সকাল ১১ টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠি। এর পরে, আমি ফোন কল এবং সামগ্রী লেখার জন্য ৩ ঘন্টা ব্যয় করি। এটা আমার সৃজনশীল সময়। এর পরে, আমি দুপুর ২ টো নাগাদ বাড়ি থেকে বের হই। যখন আমি আমার ছেলেকে স্কুল ছেড়ে যেতে দেখি, তখন আমি মাত্র ১০মিনিটের জন্য জেগে উঠি এবং তারপরে ঘুমাতে যাই। ’
একতা আরও বলেন, ‘এর পরে, আমি আমার ছেলেকে স্কুল থেকে তুলে নিয়ে যাই এবং তারপরে তাকে আমার মায়ের বাড়িতে নামিয়ে দিই। এর পরে, আমি অনুশীলন করি এবং তারপরে বিকেল ৪টে-তে অফিসে যাই, এবং সেখানে ভোর চারটে অবধি কাজ করি।’