সোশাল মিডিয়ায় উস্কানিমূলক পোস্টের অভিযোগ পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও স্বস্তিকা মুখোপাধ্য়ায়ের নামে। ঘটনাটি ২০২১ সালের। তা নিয়ে বৃহস্পতিবারই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন এক আইনজীবী। এবার জানা গেল, যে দুটি ধারায় মামলা করা হয়েছে, তার মধ্যে একটি জামিন অযোগ্য।

ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৯ ও ১৫৩এ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে টলিউডের দুই তারকার নামে। এর মধ্যে ১৫৩এ ধারাটি জামিন অযোগ্য। ২০২১-এর মামলা বলে ভারতীয় ন্যায়সংহিতার জায়গায় ভারতীয় দণ্ডবিধিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন সন্ধেতে, যখন তৃণমূলের জয় প্রায় নিশ্চিত, একটি টুইট আসে পরমব্রতর টুইটারে হ্যান্ডেলে (বর্তমানের এক্স)। 'আজ বিশ্ব রগড়ানি দিবস ঘোষিত হোক।', লেখেন তিনি। যাতে সম্মতি জানান অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। ২০২৬ সালে বিজেপি-র জয়ের পর থেকেই, পরমব্রতর এই পোস্ট ও তাতে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের মন্তব্যের স্ক্রিনশট ঘুরতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা রাজারহাট গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারিও শেয়ার করে নিয়েছিলেন।
কী বলছেন পরমব্রত?
পরমব্রতর এই রগড়ানি মন্তব্যটি এসেছিল দিলীপ ঘোষের একটি কথার সূত্র ধরে, অন্তত তেমনটাই দাবি করলেন অভিনেতা সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে। ২০২১ সালে ভোটের আগে ‘নিজেদের মতে নিজেদের গান’ বানিয়েছিলেন টলিউডের বেশকিছু তারকা। আর তাতে বিজেপির বর্তমান বিধায়ক দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করেন, ‘শিল্পীদের বলছি আপনারা নাচুন, গান। ওটা আপনাদের শোভা পায়। রাজনীতি করতে আসবেন না। ওটা আমাদের ছেড়ে দিন। না হলে রগড়ে দেব।’ আর সেই সূত্র ধরেই এই টুইট বলে জানান পরমব্রত।
টিভি নাইনকে অভিনেতা বলেন, ‘আমি ওঁর কথায় এতটা অপমানিত হয়েছিলাম, আমি কল্পনা করতে পারি না কোনো রাজনীতিবিদ এই কথাটা বলতে পারেন। যাদের আজকে এই শব্দ প্রয়োগে অসুবিধা হচ্ছে, আমি তাঁদেরকে বলি দলমত নির্বিশেষে তাঁরা কেন বলেননি দিলীপ ঘোষকে গিয়ে এই ভাষার বিরোধিতা করে। আজ যারা প্রতিবাদ করছেন, তাঁরা আসলে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যটি জানেনই না আসলে। টুইটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে 'কল টু ভায়োলেন্স' হিসেবে ধরা হচ্ছে। আমি টুইটটি করেছিলাম যে মানুষটা দম্ভ থেকে এমন ভাষা ব্যবহার করেছিলেন, সেই মানুষটার হারের পর আমি আনন্দ থেকে এই টুইটটি করেছিলাম। সেটাকে আজকে এভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। এটা নিয়ে আমি যদি ভাবতে বসি, তাহলে তো সমাজমাধ্যমের প্রতিটা বিষয় নিয়ে এতটা ভাবতে বসতে হবে। আমি শুধু ভাবি, এতটা সময় কোথা থেকে আসে। নতুন সরকার এসে যদি একটু কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন, তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সারাক্ষণ থাকার, অযাচিত মন্তব্য করার ব্যাপারটা যদি একটু কমে, তাহলে খুশি হব।’
{{/usCountry}}টিভি নাইনকে অভিনেতা বলেন, ‘আমি ওঁর কথায় এতটা অপমানিত হয়েছিলাম, আমি কল্পনা করতে পারি না কোনো রাজনীতিবিদ এই কথাটা বলতে পারেন। যাদের আজকে এই শব্দ প্রয়োগে অসুবিধা হচ্ছে, আমি তাঁদেরকে বলি দলমত নির্বিশেষে তাঁরা কেন বলেননি দিলীপ ঘোষকে গিয়ে এই ভাষার বিরোধিতা করে। আজ যারা প্রতিবাদ করছেন, তাঁরা আসলে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যটি জানেনই না আসলে। টুইটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে 'কল টু ভায়োলেন্স' হিসেবে ধরা হচ্ছে। আমি টুইটটি করেছিলাম যে মানুষটা দম্ভ থেকে এমন ভাষা ব্যবহার করেছিলেন, সেই মানুষটার হারের পর আমি আনন্দ থেকে এই টুইটটি করেছিলাম। সেটাকে আজকে এভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। এটা নিয়ে আমি যদি ভাবতে বসি, তাহলে তো সমাজমাধ্যমের প্রতিটা বিষয় নিয়ে এতটা ভাবতে বসতে হবে। আমি শুধু ভাবি, এতটা সময় কোথা থেকে আসে। নতুন সরকার এসে যদি একটু কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন, তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সারাক্ষণ থাকার, অযাচিত মন্তব্য করার ব্যাপারটা যদি একটু কমে, তাহলে খুশি হব।’
{{/usCountry}}