চলতি বছরেই বিজেপি নেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন মডেল ঋতিকা গিরি। যদিও এই বিয়ে নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এমনকী আদৌ এই বিয়ে বৈধ না অবৈধ, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন! তবে সেসবে পাত্তা না দিয়েই পয়লা বৈশাখে ঋতিকার দেখা মিলল লাল-সাদা শাড়িতে। সঙ্গে হাতে শাঁখা-পলা। আপাতত চর্চায় ঋতিকার বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনে আসা এই পোস্ট।

ঋতিকাকে দেখা গেল পথ শিশুদের হাতে খাবার আর জল তুলে দিতে। আর এই ভিডিয়ো পোস্ট করে হিরণ-পত্নী ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আজকে নববর্ষ কাটলো এই ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে। এই ছোট ছোট মুখে তাদের সুন্দর হাসিটা দেখেই মন ভরে গেল। শুভ নববর্ষ সবাইকে!’ ঋতিকা আরও লেখেন, ‘মানুষ প্রায়ই আমাকে জিজ্ঞেস করে—কতটা ধনী হতে চাই? শুধু এতটাই বড়লোক হতে চাই…’
ঋতিকার এই পোস্টে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘আজ বুঝতে পারলাম হিরনদাদা তোমাকে কেন বিয়ে করেছে। তুমি কিন্তু সত্যি একজন অসাধারণ মানুষ, তোমার কাজকর্ম, ভগবানের প্রতি বিশ্বাস, সত্যিই তোমার জন্য আমার মনে একটা সম্মানের জায়গায় তৈরি হয়ে গেছে।’ আরেকজন আবার লেখেন, ‘বাহ! নতুন বছর এত সুন্দর কাজ দিয়ে শুরু করেছেন। সারা বছর আপনার আর দাদার খুব ভালো কাটুক।’ আরেকজন লেখেন, ‘খুব মিষ্টি মেয়ে। প্রাউড অফ ইউ ঋতিকা।’
মেদিনীপুরের মেয়ে ঋতিকা গিরি। হিরণের স্ত্রী অনিন্দিতার দাবি তাঁর বয়স নাকি মাত্র ২১। আইনের ছাত্রী ছিলেন তিনি। রয়েছে আইনে সাম্মানিক স্নাতক ডিগ্রিও। এখানেই শেষ নয়। যোগব্য়ায়ামে জাতীয় স্তরে গোল্ড মেডেল পেয়েছিলেন হৃতিকা। দুটো সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা জেতেন। এমনকী, মডেল হিসেবেও করেছেন কাজ।
{{/usCountry}}মেদিনীপুরের মেয়ে ঋতিকা গিরি। হিরণের স্ত্রী অনিন্দিতার দাবি তাঁর বয়স নাকি মাত্র ২১। আইনের ছাত্রী ছিলেন তিনি। রয়েছে আইনে সাম্মানিক স্নাতক ডিগ্রিও। এখানেই শেষ নয়। যোগব্য়ায়ামে জাতীয় স্তরে গোল্ড মেডেল পেয়েছিলেন হৃতিকা। দুটো সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা জেতেন। এমনকী, মডেল হিসেবেও করেছেন কাজ।
{{/usCountry}}তবে ঋতিকা-হিরণের বিয়ের ছবি সামনে আসার পর, মুখ খোলেন অভিনেতা-রাজনীতিবিদ হিরণের প্রথম বউ অনিন্দিতা। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানান, তাঁর সঙ্গে ডিভোর্স হয়নি হিরণের। আর আইনত বিবাহবিচ্ছেদ না নিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন হিরণ। অনিন্দিতা স্পষ্ট জানান, হিন্দুধর্মে এর মান্যতা নেই। এমনকী আকার-ইঙ্গিতে ঋতিকাকে ‘রক্ষিতা’ বলেও কটাক্ষ করেছেন।
অনিন্দিতার দাবি, তাঁদের উপর খুব অত্যাচার করতেন হিরণ। এতদিন শুধু মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে ব্যাপরটা চেপে গিয়েছিলেন। অনিন্দিতা বলেন, ‘মেয়ে ও আমার উপর খুব অত্য়াচার হয়েছে।কাউকে এটা বলিনি, কারণ মেয়েরও একটা কেরিয়ার রয়েছে। সেটা নষ্ট করতে চাইনি। এখন আর বলার কিছু নেই। সবাই তো সব কিছু দেখতেই পাচ্ছে। বলার কোনও ভাষা নেই। কতটা অভদ্র একটা লোক হতে পারে, আবার ইনস্টাগ্রাম থেকে বিয়ের ছবি পোস্ট করেছিল। কোনওদিন তো মেয়ের একটাও ছবি পোস্ট করেনি! এর থেকে বোঝা যায়, কতটা খারাপ মানুষ হিরণ।’