কদিন আগেই ‘চটিচাটা’ কটাক্ষে তেড়েফুড়ে উঠেছিলেন ইমন চক্রবর্তী। ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে বঙ্গবিভূষণ দেওয়া হয় তাঁকে। শুধু তাই নয়, ইমন গান ‘উন্নয়নের পাঁচালি’। এরপর থেকেই কটাক্ষের শুরু। মাঝে তো সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরে দাঁড়ানোর মতো বড়সড় সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছিলেন। যদিও এরপর আসরে নামেন মমতা। তিনিই ইমনকে অনুরোধ করেন, কটাক্ষকারীদের পাত্তা না দিতে। আর ‘প্রিয়’ দিদির কথা ফেলতে পারেননি গায়িকা!

একসয় ছাত্র রাজনীতি করতেন ইমন বাং সংগঠনের হয়ে। তবে বর্তমানে শাসকদল বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি অনুপাগ ব্যক্ত করেছেন একাধিক সাক্ষাৎকারে। এবার যেমন ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় দেখা মিলল তাঁর। তৃণমূল সুপ্রিমোর পাশে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘‘একজন সংগীত শিল্পী হিসেবে এই বাংলায় দিদির সরকারের কাছ থেকে, আপনাদের কাছ থেকে যে সম্মান পেয়েছি সেটা শিরোধার্য। আর দিদি যেখানে আমি সেখানে…’
এরপর মমতার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘একলা চলো রে’ গানটিও করেন। বলেন, ‘এই গান দিদির জন্য, আর এই যা চলছে আমাদের গোটা বাংলা জুড়ে, যে মানুষ একা নেতৃত্ব দেন, তাঁকে আমরা অনুসরণ করি সকলে, তাঁর জন্য একটা গান তো গাইতেই হবে। আমার খুব আনন্দ হয়, খুব শান্তির ঘুম হয় এটা ভেবে যে, আমাদের রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন।’
তবে এই ভিডিয়ো সামনে আসতেও ট্রোল কমেন্টের বন্যা। একজন লিখলেন, ‘চটি চেটে আর রবি ঠাকুরের গান গাইবেন না, পাঁচালি গান।’ আরেকজন লেখেন, ‘সত্যিই ইমনকে দেখে অবাক লাগে… বহুরূপী!’ আরেকটি কমেন্টে লেখা, ‘এই তো এসে গেছে চটি চাটতে’।
চর্চা ছিল যে, উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হতে পারেন ইমন। ১৭ মার্চ ২০২৬-এ তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসিয়াল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর যদিও দেখা যায় যে, ইমনের নাম নেই তাতে। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে লেখেন, ‘বিগত কয়েকমাস ধরে আপনারা আমাকে বিভিন্ন জায়গায় দাঁড় করিয়েছিলেন। এই যেমন উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, বালি, সিমেন্ট, আমতলা, জামতলা ইত্যাদি। কেউ কেউ আবার কেওড়াতলাতে নিয়ে গিয়েও দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। আপনাদের কাছে কড়জোরে একটা বিনীত অনুরোধ রাখছি, প্লিজ আপনারা আমাকে এবার একটু নিজের পায়ে দাঁড়াতে দিন।’
{{/usCountry}}চর্চা ছিল যে, উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হতে পারেন ইমন। ১৭ মার্চ ২০২৬-এ তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসিয়াল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর যদিও দেখা যায় যে, ইমনের নাম নেই তাতে। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে লেখেন, ‘বিগত কয়েকমাস ধরে আপনারা আমাকে বিভিন্ন জায়গায় দাঁড় করিয়েছিলেন। এই যেমন উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, বালি, সিমেন্ট, আমতলা, জামতলা ইত্যাদি। কেউ কেউ আবার কেওড়াতলাতে নিয়ে গিয়েও দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। আপনাদের কাছে কড়জোরে একটা বিনীত অনুরোধ রাখছি, প্লিজ আপনারা আমাকে এবার একটু নিজের পায়ে দাঁড়াতে দিন।’
{{/usCountry}}২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে মূল লড়াই তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। কংগ্রেসের প্রদীপ প্রসাদ, সিপিএমের শ্রীজীব বিশ্বাস এবং এসইউসি-র অনুমিতা সাউ এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২৯ মে বুধবার ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট।