Bengali Singer Iman Chakraborty: বাংলার গায়িকাদের মধ্যে বরাবরই আলোচনায় থাকেন ইমন চক্রবর্তী। গান দিয়ে যেমন লাখ লাখ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন, তেমনই তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের দিকেও নজর কম থাকে না ভক্তদের। বৃহস্পতিবার শরীরচর্চার একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন গায়িকা। বাড়ির ড্রইং রুমেই খুব সম্ভবত এক্সারসাইজে মজে ইমন। তবে এই ভিডিয়ো সামনে আসতেই, নেটিজেনদের নজর আটকাল তাঁর পিছনে থাকা দেওয়ালে। দেখা গেল পাশাপাশি চারটে ঘড়ি ঝোলানো। আর চারটেতেই দেখাচ্ছে পৃথক সময়! কেন এমন?

অবশ্য একটু নজর করলেই ব্যাপারটা সহজে বোধগম্য হবে। ছবিতে দেওয়ালে চারটি দেওয়াল ঘড়ি দেখা গেলেও, যেগুলো আলাদা আলাদা টাইম জোন অনুযায়ী চলছে। একদম উপরে IST অর্থাৎ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড টাইম। যেখানে সময় দেখাচ্ছে ১১টা ৪৫। ডান পাশের ঘড়িটি PST অর্থাৎ প্যাসিফিক টাইম জোনে চলছে। যেখানে বাজে ৩টে ১৫। নীচের ঘড়িটি খুব সম্ভবত ইউরোপের সময় দেখাচ্ছে অর্থাৎ CET সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান টাইম। আর নীচেরটি এশিয়ান টাইম জোন অনুসারে। যেখানে বাজে ৭টা ১০।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ‘প্রাক্তন’ ছবিতে অনুপম রায়ের সুরে ‘তুমি যাকে ভালোবাসো’ গানটির জন্য শ্রেষ্ঠ নেপথ্য গায়িকার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতেন। এটিই ছিল তাঁর প্লেব্যাক ডেবিউ। আর এরপর পুরোপুরি ঘুরে যায় ভাগ্যের কাঁটা। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘রঙ্গবতী’ (গোত্র), ‘টাপা টিনি’ (বেলাশুরু), এবং ‘আলাদা আলাদা’ (মুখার্জিদা’র বউ)। তবে সঙ্গে তিনি চালান ‘ইমন চক্রবর্তী মিউজিক একাডেমি’, যেখানে তিনি নতুন প্রতিভাদের তালিম দেন।
তবে জাতীয় পুরস্কারের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বেশ কিছু পুরস্কার দিয়েছে। চলতি বছরেই পেয়েছেন রাজ্যের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান বঙ্গবিভূষণ। ২০২২ সালে পেয়েছিলেন বঙ্গভূষণ। এছাড়াও তিনি দুবার বাংলা ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়নও পেয়েছেন তিনি। সঙ্গে বহু বছর ধরে রয়েছেন বাংলার মিউজির রিয়েলিটি শো সারেগামাপা-র বিচারকের আসনে।
{{/usCountry}}তবে জাতীয় পুরস্কারের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বেশ কিছু পুরস্কার দিয়েছে। চলতি বছরেই পেয়েছেন রাজ্যের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান বঙ্গবিভূষণ। ২০২২ সালে পেয়েছিলেন বঙ্গভূষণ। এছাড়াও তিনি দুবার বাংলা ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়নও পেয়েছেন তিনি। সঙ্গে বহু বছর ধরে রয়েছেন বাংলার মিউজির রিয়েলিটি শো সারেগামাপা-র বিচারকের আসনে।
{{/usCountry}}তবে কেরিয়ারের এই এত খ্যাতির সঙ্গে ইমনকে বারবার বিড়ম্বনায় ফেলেছেন ট্রোলাররা। কখনো তাঁর পোশাক, কখনো তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ক্রমাগত ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছে। মাসখানেক আগেও ইমন কটাক্ষে জর্জরিত হয়ে ঘোষণা করেছিলেন যে, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরে যাবেন। কাজ ছাড়া কোনো ব্যক্তিগত পোস্ট করবেন না। যদিও তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে সেই সিদ্ধান্ত বদলান। আর তাতে ইমনের ভক্তরাও দারুণ খুশি।