তিনি টলিউডের ‘বস’। রাজনীতি থেকে শতহস্ত দূরে থাকতেই পছন্দ করেন সুপারস্টার জিৎ। অথচ সেই জিতের নামেই নেটপাড়ায় এক ভুয়ো বক্তব্য দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছে, জিৎ নাকি বর্তমান শাসকদলের কাজ করার পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বুদ্ধবাবু-জ্যোতিবাবুদের জমানাকেই শ্রেয় মনে করছেন। কিন্তু বাস্তবের সঙ্গে এই পোস্টের বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই।

ভাইরাল পোস্টে ঠিক কী বলা হয়েছে?
ভাইরাল হওয়া সেই লাল রঙের কার্ডে জিতের ছবির পাশে লেখা হয়েছে, ‘যখন থেকে এই তৃণমূল সরকার এসেছে, তখন থেকে শাসকদলের তাবেদারী না করলে তেমন কাজ জোটে না... সময় এসেছে সেই সরকার ফিরিয়ে আনুন যাদের নামের পর সম্মানের সাথে ‘বাবু’ শব্দগুলো জুড়ে দিতেন। উদাহরণ— বুদ্ধবাবু, জ্যোতিবাবু, বিমানবাবু!’ অভিনেতা জিৎ-এর নাম ব্যবহার করে এমন উস্কানিমূলক রাজনৈতিক বার্তা ছড়াতেই শুরু হয় বিতর্ক।
টিমের পক্ষ থেকে সাফাই
জিৎ-এর টিমের সঙ্গে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা স্পষ্ট জানান, এই পোস্টটি আগাগোড়া ভুয়ো। অভিনেতার নাম ভাঙিয়ে কেউ বা কারা নোংরা রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। জিতের ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, ‘দাদা (জিৎ) এমন কোনো মন্তব্য করেননি। রাজনীতি থেকে তিনি বরাবরই বিরত থাকেন। এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভুয়ো’।
রাজনীতিতে আসবার ব্যাপারে প্রশ্ন করলে, জিৎ আগে বহুবার জানিয়েছেন- ‘এটা যার যার ব্যক্তিগত চয়েজ। আমার চয়েজের মধ্যে সেটা (রাজনীতি) আসেনি। আমি রাজনীতি পারি না। ওটা আমার জানা নেই’।
জিৎ বরাবৎই সিনেমা নিয়েই আলোচনায় আসতে পছন্দ করেন। দেব থেকে শুরু করে কোয়েল মল্লিকও এখন তৃণমূলের সদস্য়। কিন্তু জিৎ সেই পথে হাঁটতে চান না। আগামিতে তাঁকে দেখা যাবে কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত ছবিতে।
{{/usCountry}}জিৎ বরাবৎই সিনেমা নিয়েই আলোচনায় আসতে পছন্দ করেন। দেব থেকে শুরু করে কোয়েল মল্লিকও এখন তৃণমূলের সদস্য়। কিন্তু জিৎ সেই পথে হাঁটতে চান না। আগামিতে তাঁকে দেখা যাবে কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত ছবিতে।
{{/usCountry}}