...
...
Next Story

Jeet-Fact Check: TMC-র সমালোচনা আর বামেদের প্রশংসায় জিৎ? ভাইরাল পোস্ট,সত্যিটা জানালো নায়কের টিম

সুপারস্টার জিৎ-কে নিয়ে নেটমাধ্যমে এক চাঞ্চল্যকর রাজনৈতিক পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে শাসকদলের সমালোচনা এবং পুরনো বাম জমানার প্রশংসা করতে দেখা যাচ্ছে অভিনেতাকে। তবে জিতের ঘনিষ্ঠ মহল এবং তাঁর টিমের তরফে জানানো হয়েছে, এই ভাইরাল পোস্টটি সম্পূর্ণ ভুয়ো ও ভিত্তিহীন।

Published on: Apr 13, 2026, 18:30:33 IST
Advertisement

তিনি টলিউডের ‘বস’। রাজনীতি থেকে শতহস্ত দূরে থাকতেই পছন্দ করেন সুপারস্টার জিৎ। অথচ সেই জিতের নামেই নেটপাড়ায় এক ভুয়ো বক্তব্য দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছে, জিৎ নাকি বর্তমান শাসকদলের কাজ করার পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বুদ্ধবাবু-জ্যোতিবাবুদের জমানাকেই শ্রেয় মনে করছেন। কিন্তু বাস্তবের সঙ্গে এই পোস্টের বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই।

TMC-র সমালোচনা আর বামেদের প্রশংসায় জিৎ? ভাইরাল পোস্ট,সত্যিটা জানালো নায়কের টিম
TMC-র সমালোচনা আর বামেদের প্রশংসায় জিৎ? ভাইরাল পোস্ট,সত্যিটা জানালো নায়কের টিম

ভাইরাল পোস্টে ঠিক কী বলা হয়েছে?

ভাইরাল হওয়া সেই লাল রঙের কার্ডে জিতের ছবির পাশে লেখা হয়েছে, ‘যখন থেকে এই তৃণমূল সরকার এসেছে, তখন থেকে শাসকদলের তাবেদারী না করলে তেমন কাজ জোটে না... সময় এসেছে সেই সরকার ফিরিয়ে আনুন যাদের নামের পর সম্মানের সাথে ‘বাবু’ শব্দগুলো জুড়ে দিতেন। উদাহরণ— বুদ্ধবাবু, জ্যোতিবাবু, বিমানবাবু!’ অভিনেতা জিৎ-এর নাম ব্যবহার করে এমন উস্কানিমূলক রাজনৈতিক বার্তা ছড়াতেই শুরু হয় বিতর্ক।

টিমের পক্ষ থেকে সাফাই

জিৎ-এর টিমের সঙ্গে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা স্পষ্ট জানান, এই পোস্টটি আগাগোড়া ভুয়ো। অভিনেতার নাম ভাঙিয়ে কেউ বা কারা নোংরা রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। জিতের ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, ‘দাদা (জিৎ) এমন কোনো মন্তব্য করেননি। রাজনীতি থেকে তিনি বরাবরই বিরত থাকেন। এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভুয়ো’।

রাজনীতিতে আসবার ব্যাপারে প্রশ্ন করলে, জিৎ আগে বহুবার জানিয়েছেন- ‘এটা যার যার ব্যক্তিগত চয়েজ। আমার চয়েজের মধ্যে সেটা (রাজনীতি) আসেনি। আমি রাজনীতি পারি না। ওটা আমার জানা নেই’।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe