...
...
Next Story

Mausumi-Jeetu: ‘নেহাত মহিলা…’, মৌসুমীকে কটাক্ষ জীতু! রাহুলের বিচার চাওয়ার মাঝেও কাদা ছোড়াছুড়ি

রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বিচার চাইতে গিয়ে একজোট টলিউড। তবে এসেবর মধ্যেও একে-অপরের নামে কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ হচ্ছে না! একে-অপরকে নিয়ে বিস্ফোরক সব মন্তব্য করতে ব্যস্ত জীতু কমল ও মৌসুমী ভট্টাচার্য।

Published on: Apr 9, 2026, 14:30:50 IST
Advertisement

রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বিচার চাইতে গিয়ে একজোট টলিউড। তবে এসেবর মধ্যেও একে-অপরের নামে কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ হচ্ছে না! রাহুলের জন্য যেদিন রাস্তায় মিছিল করেন তারকারা, সেদিন নিজের শ্যুটিং সেটের বাইরেই প্রতীকী প্রতিবাদ করেন জীতু। রাহুলের গলাতে মালা পরান, পাশে নিজের ছবিতেও। আসলে তাঁর এরাও মানুষ ছবির পরিচালক-প্রযোজকের সঙ্গে ঝামেলা চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। প্রথমে প্রযোজক দাবি করেছিলেন যে, জীতু নাকি সেটে খারাপ ব্যবহার করছেন, দুম করে কাজ ছেড়েছেন! এরপর জীতু পালটা অভিযোগ তোলেন, সেটে বরং তাঁর সঙ্গে বাজে ব্যবহার হয়েছে। গালাগালি দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বারংবার বারণ সত্ত্বেও তাঁকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শ্যুটিং করতে বাধ্য করা হয়েছে, যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তাঁকে। এই নিয়ে আর্টিস্ট ফোরামে অভিযোগ জানালেও, প্রতিকার আসেনি। এমনকী, বারংবার ফোন, ম্যাসেজের পর জবাবও আসেনি বলে দাবি করেন জীতু। তাই নিজের ছবির গলায় মালা পরিয়েই সামিল হয়েছিলেন প্রতিবাদে।

জীতুর বিরুদ্ধে প্রথম মুখ খোলেন মৌসুমী:

জীতু কমলকে নিয়ে বিস্ফোরক মৌসুমী ভট্টাচার্য। এল পালটা জবাবও।
জীতু কমলকে নিয়ে বিস্ফোরক মৌসুমী ভট্টাচার্য। এল পালটা জবাবও।

এরপর অবশ্য জীতুকে দেখা যায় আর্টিস্ট ফোরামের মিটিংয়ে। যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, এবার থেকে তারকা থেকে কলাকুশলী সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আরও কঠোর নিয়ম আনা হবে। তবে এসবের মাঝেই অভিনেতাকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি তোলেন অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্য। বলেন, ‘মেইল করা বা অভিযোগ করা—সবই আমি বুঝি। কিন্তু আমরা যারা আর্টিস্ট, আমাদের তো শেষ পর্যন্ত আর্টিস্ট ফোরামের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে শুটিং ফ্লোরে এমন কিছু ব্যবহার করব না, যেটা নিয়ে পরে আমার নিজের বিরুদ্ধেই কমপ্লেন আসতে পারে।

নিজের ছবিতে মালা পরানো নিয়ে অভিনেত্রী কটাক্ষ করে জানালেন, ‘রাহুলের ছবির পাশে নিজের ছবিতে মালা পরিয়ে বসে থাকা—এটা কি মানায়? এরমভাবে কি আমরা বিহেব করব?’ তিনি যে জীতুর কার্যকলাপ একদমই সমর্থন করছেন না, এটা স্পষ্ট তাঁর কথায়। বলেন, ‘জীতু যেটা করেছে, ভীষণ ভুল করেছে। ভীষণ অন্যায় করেছে। তারপর ওঁকে ক্ষমা চাইতে হয়েছে। আজকেও ক্ষমা চেয়েছে। আমি হলে ওঁকে ক্ষমাই করতাম না। আর্টিস্টস ফোরামের অনেক বড় মন, তাই ওঁকে ক্ষমা করেছে।’

জীতুর ফেসবুক পোস্ট:

‘আর্টিস্ট ফোরামের সেই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে আমি এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করব না। একটি ডিসপিউট কমিটি গঠন করা হলে সেখানে আমার অভিযোগকে প্রাধান্য দিয়ে প্রথমেই তা নিয়ে আলোচনা করা হবে—এই আশ্বাসও আমাকে দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণেই আমি এতদিন ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছি। কিন্তু আপনি হঠাৎ করেই... জানি না কী খেয়েছেন। হয়তো কড়া চা বা তেলে ভাজাভুজি খেয়েছেন, গ্যাস অম্বল হয়েছে আপনার। আমি জানি না আপনি কোথায় দেখেছেন যে আমি ক্ষমা চাইছি, এবং ফোরাম আমায় ক্ষমা করে দিয়েছে। আজ আপনাদের মতো কিছু কমরেডের জন্য ওই পার্টির এই অবস্থা। আপনারা ঘরের ভিতর এক বলেন, বাইরে এক বলেন। সকালে প্রাক্তনের নামে কুৎসা রটান, আবার তার থেকে একটু সুবিধা পেলে তার পায়ের সামনে বসে পড়েন। সেই ধরনের রক্ত নিয়ে আমি অন্তত জন্ম নিইনি। আপনি নিয়েছেন। তাই জন্য এই পাল্টিবাজি কথাটা আপনি বললেন।’, আরও বলেন জীতু মৌসুমির বিরোধিতা করে।

আর সব শেষে মৌসুমীর উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মৌসুমী বলেন, ‘সেদিন প্রচুর সিনিয়র প্রযোজক, টেকনিশিয়ান, অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সবাই জানেন কী ঘটেছে। আর আপনি বললেন আমি ঘরের মধ্যে ঢুকে ক্ষমা চেয়েছি। কে ক্ষমা চেয়েছে? কেন ক্ষমা চাইতে যাব, কী অন্যায় করেছি। নোংরামি কম করুন। নেহাত মহিলা বলে, সম্মান করি বলে....। আপনি আমায় চ্যালেঞ্জ করুন যে কে মিথ্যে বলছে।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe