...
...
Next Story

Jeetu Kamal: থমথমে চিরদিনই-র সেট, জীতুর বিরুদ্ধে পায়েল-শিরিন একজোট, ‘শালা’র জন্মদিনের কেকে মুখে নিলেন না নায়ক!

টেলিপাড়ার অন্দরে এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে কামড়াকামড়ির শব্দ। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকের শুটিং সেট এখন যেন এক বারুদঘর। কাঠগড়ায় খোদ নায়ক জীতু কমল। একদিকে পায়েল দে-র বিস্ফোরক পোস্ট, আর অন্যদিকে সেই পোস্টে অভিনেতা অর্কজ্যোতি ও শিরিনের সমর্থন— সব মিলিয়ে জীতু এখন কার্যত একঘরে।

Published on: Apr 21, 2026, 12:31:05 IST
Advertisement

‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকের নাম ভালোবাসায় মোড়া হলেও, পর্দার পিছনের গল্পটা এখন বিতর্কে ভরা। দাসানি ২ স্টুডিও-য় এখন থমথমে পরিবেশ। সোমবার সিরিয়ালের সেটে সেলিব্রেট করা হল অভিনেতা অর্কজ্যোতি পাল চৌধুরীর জন্মদিন। গল্পে তিনি রাজনন্দিনী ওরফে পায়েল দে-র ভাই, অর্ঘ্যর চরিত্রে অভিনয় করেন। অর্থাৎ ‘আর্য’ জীতু কমলের অনস্ক্রিন শ্যালক। কিন্তু সেই জন্মদিনের উৎসবে যে তিক্ততা দেখা গেল, তা কারুর নজর এড়ায়নি।

থমথমে চিরদিনই-র সেট, জীতুর বিরুদ্ধে পায়েল-শিরিন একজোট, ‘শালা’র জন্মদিনের কেকে মুখে নিলেন না নায়ক!
থমথমে চিরদিনই-র সেট, জীতুর বিরুদ্ধে পায়েল-শিরিন একজোট, ‘শালা’র জন্মদিনের কেকে মুখে নিলেন না নায়ক!

জন্মদিনের কেক খেলেন না জীতু!

সেটে অর্কজ্যোতির জন্মদিন পালনের তোড়জোড় হলেও নায়ক জীতু কমলকে দেখা গেল সম্পূর্ণ আলাদা মেরুতে। সেটে হাজির ছিলেন অর্কর স্ত্রী দেবশ্রীও। অর্কজ্যোতির জন্মদিনের কেক মুখে নেননি জীতু। সৌজন্যতা দেখিয়ে অর্কর মুখে কেক তুলে দেন নায়ক। শিরিনের থেকে দূরে দূরেই থাকলেন তিনি। নায়ক-নায়িকা দুই প্রান্তে। ক্যামেরা হাতে ছিল পায়েল দে-র। তাঁর সঙ্গে আপতত জীতুর সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়।

পায়েল দে-র বিস্ফোরক পোস্ট ও অর্কজ্যোতি-শিরিনের সমর্থন

রাহুল-শিরিন কাণ্ডের পর থেকেই জীতুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন পায়েল দে। জীতুর নাম না করে তাঁকে ‘অসভ্য’ বা ‘অহংকারী’ বলে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। অবাক করা বিষয় হলো, পায়েলের সেই বিতর্কিত পোস্টে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট দিয়েছিলেন খোদ অর্কজ্যোতি এবং শিরিন। পর্দার দিদি যখন পর্দার জামাইবাবুকে তুলোধনা করছেন, তখন ভাইয়ের এই সমর্থন জীতু সহজভাবে নিতে পারেননি বলেই খবর। আর সেই কারণেই ‘শালা’র জন্মদিনের আনন্দ থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখলেন জীতু।

এই লড়াইয়ে শিরিনের অবস্থানও এখন পরিষ্কার। জীতুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে শিরিন কার্যত সমর্থনই জানিয়েছেন। ফলে সেটের পরিবেশ এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে শট দেওয়া ছাড়া কেউ কারও সঙ্গে কথা বলছেন না। কলাকুশলীরা দু’ভাগে বিভক্ত। একদিকে পায়েল-শিরিন-অর্কজ্যোতি জোট, আর অন্যদিকে একা জীতু।

কী নিয়ে ঝামেলা জীতু-পায়েলের?

রাহুলের ছবি ধুলোয় ফেলে রেখে এসেছিলেন জীতু, এমন অভিযোগ করেন পায়েল। ফেসবুক পোস্টে নায়িকা লেখেন, ‘টেকনিশিয়ান স্টুডিওর গাছতলায় সেই মালা দেওয়া ছবি পড়ে ছিল। যীশু সেনগুপ্ত এবং ইন্দ্রাশিস রায় সেই ছবিগুলো পরম যত্নে তুলে এনে ফোরামের অফিসে রেখেছেন।’ পায়েলের প্রশ্ন, ‘জীতু কি নিজের ছবির সাথে রাহুলদার ছবিটা নিতে ভুলে গিয়েছিলেন?’ ফোরামের একনিষ্ঠ কর্মী এবং রাহুলের বোনের মতো হয়ে পায়েল এই ‘অমর্যাদা’ মেনে নিতে পারেননি।

পেশাদারিত্ব বনাম ব্যক্তিগত সংঘাত

টেলিপাড়ার প্রবীণদের মতে, সেটের ঝগড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়ে আসা এবং তার জেরে শুটিংয়ের পরিবেশে বিষিয়ে তোলা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। জীতু কি সত্যিই দোষী, নাকি পরিকল্পিতভাবে তাঁকে কোণঠাসা করা হচ্ছে— সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে স্টুডিও পাড়ায়। তবে আপাতত জীতুর এই ‘দূরত্ব’ বজায় রাখা স্পষ্ট করে দিল যে, মান-অভিমানের পালা মিটতে ঢের দেরি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe