Nabanita-Jeetu: জীতু কমলের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর টলিপাড়ার চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন নবনীতা দাস। অনেক দিন চুপ থাকার পর এবার মনের আগল খুললেন অভিনেত্রী। খারাপ অভিজ্ঞতা হয়েছে বলেই যে তিনি নেতিবাচক হয়ে গিয়েছেন, তেমনটা নয়। বরং জীবনের এই মোড়ে দাঁড়িয়ে একা বাঁচার লড়াই তাঁকে শিখিয়েছে অনেক নতুন পাঠ।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও পজিটিভ মাইন্ডসেট
নবনীতা স্পষ্ট জানান, একটি খারাপ অভিজ্ঞতার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিয়েকে ঘৃণা করেন না। তাঁর কথায়, ‘আমার মানসিকতা খুব পজিটিভ। বন্ধু-বান্ধবদের বিবাহিত জীবনের সমস্যা নিয়ে যখন আলোচনা হয়, বয়সে ছোট হওয়া সত্ত্বেও আমি আমার অভিজ্ঞতার নিরিখে কথা বলি। একটা বাজে অভিজ্ঞতার জন্য আমি পুরো সিস্টেমটাকে দোষ দেব না।’
জীবনসঙ্গী হিসেবে কেন অবাঙালি পছন্দ?
ভবিষ্যতে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসা নিয়ে নবনীতার পরিকল্পনা একটু অন্যরকম। তিনি সিটি সিনেমাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, বর্তমানে কলকাতায় বা বাঙালি কালচারের মধ্যে থেকে আবারও বিয়ে করার তেমন একটা ইচ্ছে তাঁর নেই, আপতত কোনও সম্পর্কে নেই তিনি তাও স্পষ্ট করেন। নবনীতা বলেন, 'বিয়েটা নিয়ে আলাদা করে কোনো প্ল্যান নেই। তবে যদি এমন কারোর সঙ্গে আমার চিন্তা-ভাবনা বা ইন্টারেস্ট মিলে যায়, তবে সে বাঙালি না হলেই মনে হয় বেশি ভালো হবে।'
মা হওয়ার সুপ্ত বাসনা
{{/usCountry}}মা হওয়ার সুপ্ত বাসনা
{{/usCountry}}একা থাকতে থাকতে নবনীতার মনে হয়েছে, তিনি এখন কারোর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। তবে কোনো অ্যাডাল্ট বা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দায়িত্ব নেওয়ার চেয়ে তাঁর ঝোঁক কোনও শিশুর দায়িত্ব নেওয়ার প্রতি। তিনি বলেন, ‘ভারতের বাইরে কী নিয়মকানুন আছে আমি জানি না’। অভিনেত্রী অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে জানান, ‘আমি মা হতে চাই। কোনো ছোট বাচ্চাকে নিজের মনের মতো করে গড়ে তোলার আনন্দই আলাদা। যদি জীবন সেই সুযোগ দেয়, তবে আমি তা দু’হাতে গ্রহণ করব।’
একাকীত্ব থেকে পূর্ণতার পথে
নবনীতার এই বয়ান পরিষ্কার করে দেয় যে, তিনি অতীতকে আঁকড়ে ধরে বসে থাকতে চান না। বরং একজন স্বাধীনচেতা নারী হিসেবে তিনি নিজের জীবনকে নতুন ভাবে সাজাতে চাইছেন, যেখানে কোনো একজনের ‘শ্রী’ হওয়ার চেয়ে তিনি নিজের পরিচয়ে এবং মাতৃত্বের সান্নিধ্যে বড় হতে চান। আপতত ছোটপর্দা থেকে দূরে নবনীতা। বেঙ্গালুরুতে একটি ব্যবসা সামলাচ্ছেন। ভালো সুযোগ এলে অবশ্যই পর্দায় ফিরতে চান।