Kajol: বলিউড অভিনেত্রী কাজল এবং অভিনেতা অজয় দেবগনের জুটি ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় জুটি। ১৯৯৯ সালে তাদের বিয়ে হয়েছিল, যা অনেক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। অজয় ও কাজলের দুই সন্তান রয়েছে – নাইসা এবং যুগ দেবগন। কাজল ও অজয়ের মতো তাদের মেয়ে নাইসাও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোচিত। প্রায়শই তাকে পার্টি এবং অনুষ্ঠানে দেখা যায়।

কাজল সম্প্রতি লিলি সিংয়ের পডকাস্টে অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে কাজল স্বীকার করেছেন যে তিনি তার জেন-জি (Gen Z) মেয়ে নাইসার প্যারেন্টিং নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি আরও বলেন যে প্রায় ৩ বছর ধরে তাদের মধ্যে অনেক ঝগড়া হতো। কাজল বলেন, 'আমি ওর সাথে অনেক কথা বলি। এটা এমন একটা সম্পর্ক যা আমাদের তৈরি করতে হয়েছিল। ওর বয়স ছিল ১২ বছর এবং সেই বয়সে হরমোনের পরিবর্তন হচ্ছিল। আমি ওর সাথে প্রতি মুহূর্তে ছিলাম। আমরা ঝগড়া করতাম এবং আমাদের দুজনের মধ্যে মাঝে মাঝে অকারণেই বিবাদ লেগে থাকত।'
কাজল আরও বলেন, 'বড় হিসেবে, আমিই এগিয়ে এসেছিলাম এবং বলেছিলাম, আমার আরও একটু পরিণত হওয়া উচিত। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আমি ওর সাথে আর বেশি ঝগড়া করব না। আমি ওর সাথে কথা বলার চেষ্টা করব। যতক্ষণ না ও আমার কথা শুনতে শুরু করে, আমি ওর সাথে যতটা সম্ভব কথা বলব। এবং ওর সাথে কাজ করব।'
কাজল আরও স্বীকার করেন যে তিন বছর ধরে তার প্যারেন্টিং নিয়ে সমস্যা হয়েছিল এবং সেই সময় থেকে তিনি সবচেয়ে বড় কী শিখেছেন তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'আমাদের দুজনেরই প্রায় তিন বছর ধরে সমস্যা হয়েছিল। আমাদের দুজনেরই এমন মনোভাব ছিল যে, 'আমি তোমার কথা শুনতে চাই না, আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই না।' কিন্তু অবশেষে, এটি দীর্ঘ কথোপকথনে পরিণত হয়েছিল। তখন আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে এটা শুধু আমার বসে ওর কথা শোনার বিষয় ছিল। এটা বেশি কথা বলার বিষয় ছিল না। এটা শুধু ওকে নিজের কথা বলার এবং নিজের মতামত জানানোর সুযোগ দেওয়ার বিষয় ছিল। এই বিষয়টিই সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল। এটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় শিক্ষা।'
{{/usCountry}}কাজল আরও স্বীকার করেন যে তিন বছর ধরে তার প্যারেন্টিং নিয়ে সমস্যা হয়েছিল এবং সেই সময় থেকে তিনি সবচেয়ে বড় কী শিখেছেন তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'আমাদের দুজনেরই প্রায় তিন বছর ধরে সমস্যা হয়েছিল। আমাদের দুজনেরই এমন মনোভাব ছিল যে, 'আমি তোমার কথা শুনতে চাই না, আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই না।' কিন্তু অবশেষে, এটি দীর্ঘ কথোপকথনে পরিণত হয়েছিল। তখন আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে এটা শুধু আমার বসে ওর কথা শোনার বিষয় ছিল। এটা বেশি কথা বলার বিষয় ছিল না। এটা শুধু ওকে নিজের কথা বলার এবং নিজের মতামত জানানোর সুযোগ দেওয়ার বিষয় ছিল। এই বিষয়টিই সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল। এটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় শিক্ষা।'
{{/usCountry}}