Kumar Sanu: বলিউড গায়ক কুমার শানু ৯০ দশকে টানা ৫ বছর ফিল্মফেয়ার বেস্ট সিঙ্গারের পুরস্কার নিজের নামে করেছেন। একদিনে ২৮টি গান রেকর্ড করার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডও কুমার শানুর নামে রয়েছে। এত সফলতার পরেও কুমার শানুর কেরিয়ারে এমন একটি সময় এসেছিল যখন তাঁর কাছে কোনও কাজ ছিল না।

সম্প্রতি অনু মালিক টিভি রিয়েলিটি শো 'সা রে গা মা পা'-তে কুমার শানুর সঙ্গে একটি ঘটনা শেয়ার করেছিলেন। অনু মালিক জানান যে এটি তাঁর কেরিয়ারের খারাপ সময় ছিল। প্রায় ১২-১৩ বছর ধরে তাঁর কাছে কোনও সিনেমা ছিল না। তাঁর কাছে গান করার জন্য কোনও প্রযোজক আসছিলেন না। অন্যদিকে তিনি কোথাও কাজ চাইতেও যাচ্ছিলেন না। এটি একটি খারাপ সময় ছিল। তারপর একদিন তাঁর কাছে একটি বার্তা আসে যাতে লেখা ছিল 'অনু জি আমার অফিসে এসে মিলুন'। এই বার্তাটি চলচ্চিত্র প্রযোজক আদিত্য চোপড়ার ছিল।
অনু মালিক আরও জানান যে যখন তিনি আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার অফিসে পৌঁছান তখন তাঁকে একটি সিনেমার কথা জানানো হয়। তাঁকে বলা হয়েছিল যে পরিচালক শরৎ কাটারিয়া সঙ্গে তিনি সেই সিনেমা করবেন। বরুণ গ্রোভার এই সিনেমার লিরিক্স লিখবেন। সিনেমার নায়ক আয়ুষ্মান খুরানার চরিত্রটি কুমার শানুর বড় ভক্ত। তিনি আদিত্য চোপড়াকে আইডিয়া দিয়েছিলেন যে এই সিনেমার জন্য একটি গান কুমার শানুর কাছ থেকে গাওয়ানো হোক।
{{/usCountry}}অনু মালিক আরও জানান যে যখন তিনি আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার অফিসে পৌঁছান তখন তাঁকে একটি সিনেমার কথা জানানো হয়। তাঁকে বলা হয়েছিল যে পরিচালক শরৎ কাটারিয়া সঙ্গে তিনি সেই সিনেমা করবেন। বরুণ গ্রোভার এই সিনেমার লিরিক্স লিখবেন। সিনেমার নায়ক আয়ুষ্মান খুরানার চরিত্রটি কুমার শানুর বড় ভক্ত। তিনি আদিত্য চোপড়াকে আইডিয়া দিয়েছিলেন যে এই সিনেমার জন্য একটি গান কুমার শানুর কাছ থেকে গাওয়ানো হোক।
{{/usCountry}}অনু মালিক আরও জানান তিনি কুমার শানুকে তাঁর বাড়িতে ডেকে বলেছেন যে তিনি একটি মুখড়া তৈরি করেছেন। তিনি এটিকে গাওয়াতে চান। এই কথা শুনে শানু কাঁদতে শুরু করেন। এই দিনের কথা কোনওদিন ভুলতে পারেন নি অনু।
যে গানটি তিনি তখন গেয়েছিলেন সেটি ছিল ‘তুম সে মিলে দিল মে উঠা দারদ কারারা’। এটি ছিল ‘দম লাগাকে হাইশা’ সিনেমা যা ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল। ৯০ দশকের রাজা ছিলেন কুমার শানু।
উল্লেখ্য, ৯০ দশকের সিনেমা 'আশিকী'র গান গেয়ে নিজস্ব পরিচয় গড়েছিলেন। এরপর সলমন খানের সিনেমা 'সাজন', শাহরুখ খানের 'দিওয়ানা' এবং ‘বাজিগর’-এর গানগুলো অসাধারণ হিট হয়েছিল এবং কুমার সানূ তার কেরিয়ারের শিখরে ছিলেন।
কুমার শানু প্রায় ৩ দশক ধরে হিন্দি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে ঝড় তুলেছিলেন। কিন্তু মানুষের পছন্দ পরিবর্তনের কারণে নতুন গায়কদের প্রবেশ এবং নতুন ধরনের মিউজিকের প্রবণতা শুরু হয়েছিল। একটি সময় ২৮টি গান রেকর্ড করা কুমার শানুর কাছে এখন আর আগে মতো কাজের অফার নেই।