ঝাড়গ্রাম প্রচারে গিয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেই ছবি-ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই আসরে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ঝালমুড়ি বিক্রি করলেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র। কামারহাটির বিদায়ী বিধায়কের সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী শ্রীতমা ভট্টাচার্যও।

মোদীকে একহাত নিতেও ভুললেন না মদন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাঁকে বলতে শোনা গেল, ‘যখনই উনি ওই মুড়ির দোকানে গিয়ে নাটক করেন, পরের দিন থেকেই আমরাও মুড়ির দোকানে গিয়ে মুড়ি খেতে শুরু করব। মুড়ি খাওয়ার কথা তো বললেন, কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতিগুলোর কী হল—২ কোটি চাকরি, ১৫ লাখ টাকা, ব্যাঙ্কে ৩ হাজার করে জমা—আজ পর্যন্ত কি একটাও পূরণ হয়েছে? মুড়ি খেতে খেতেই আবার নতুন করে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তবে মনে রাখবেন তৃণমূল যা বলে, তা মিথ্যে প্রতিশ্রুতি নয়।’
রবিবার বাংলায় এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। আর ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচার শেষ করে ফেরার পথে হঠাৎই কনভয় থামিয়ে রাস্তার ধারের এক ঝালমুড়ির দোকানে ঢুকে পড়েন। এমনকী সেখান থেকে ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনেও খান তিনি। যদিও নিন্দুকদের কটাক্ষ যে, সবটাই দেখনদারি! আর তাই তো, রাত পোহাতেই লেগে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অর্থাৎ মোদী যখন ঝাড়গ্রামের বিক্রমের দোকানে গিয়ে ‘জননেতা’ ইমেজ তৈরিতে ব্যস্ত, তখন মদন মিত্র কামারহাটিতে দাঁড়িয়ে সেই ইমেজকে ‘নাটক’ বলে দাগিয়ে দিতে মরিয়া।
ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ, 'মা' সিরিয়াল খ্যাত 'ঝিলিক' ওরফে শ্রীতমা ভট্টাচার্য রাজনীতিতে পা দিয়েছেন বহু আগেই। কামারহাটি পুরসভার ২৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তিনি। একুশের বিধানসভা ভোটের সময় তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। যদিও তাঁর আগে থেকেই ঘাসফুলের মঞ্চে দেখা মিলত তাঁর। এরপর ২০২২ সালে কাউন্সিলর হিসেবে জয়।
{{/usCountry}}ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ, 'মা' সিরিয়াল খ্যাত 'ঝিলিক' ওরফে শ্রীতমা ভট্টাচার্য রাজনীতিতে পা দিয়েছেন বহু আগেই। কামারহাটি পুরসভার ২৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তিনি। একুশের বিধানসভা ভোটের সময় তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। যদিও তাঁর আগে থেকেই ঘাসফুলের মঞ্চে দেখা মিলত তাঁর। এরপর ২০২২ সালে কাউন্সিলর হিসেবে জয়।
{{/usCountry}}মা সিরিয়াল শেষ করার পরও বেশ কয়েকটি মেগা সিরিয়ালে চুটিয়ে অভিনয় করেছেন শ্রীতমা। ‘ইচ্ছে নদী’, ‘দেবী চৌধুরানী’, ‘কাদম্বিনী’, ‘গ্রামের রানী বীণাপাণি' অন্যতম। একটি রান্নার শো সঞ্চালনাও করেন। কালার্স বাংলার জনপ্রিয় কমেডি-ধারাবাহিক ‘বসন্ত বিলাস মেসবাড়ি’তেও তাঁর অভিনয় পায় প্রশংসা।