...
...
Next Story

‘দেবদাস’ সিনেমার জন্য এই গানটি গেয়েছিলেন মাধুরী! বলতে পারবেন কোনটি?

সঞ্জয় লীলা বনশালি পরিচালিত দেবদাস ছবিতে অভিনয় করেছিলেন শাহরুখ খান, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং মাধুরী দীক্ষিত। ছবিটি নিয়ে এখনও দর্শকদের আগ্রহ কমেনি। তবে এই সিনেমা সম্পর্কে এমন একটি তথ্য রয়েছে, যা অনেকেরই অজানা। শুধু অভিনয় বা নাচ নয়, এই ছবির জন্য একটি গানও গেয়েছিলেন মাধুরী দীক্ষিত।

Published on: May 27, 2026 08:02 PM IST
Advertisement

২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দেবদাস আজও বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ক্লাসিক ছবির তালিকায় জায়গা করে নেয়। সঞ্জয় লীলা বনশালি পরিচালিত এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন শাহরুখ খান, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং মাধুরী দীক্ষিত। ছবিটি নিয়ে এখনও দর্শকদের আগ্রহ কমেনি। তবে এই সিনেমা সম্পর্কে এমন একটি তথ্য রয়েছে, যা অনেকেরই অজানা। শুধু অভিনয় বা নাচ নয়, এই ছবিতে গানও গেয়েছিলেন মাধুরী দীক্ষিত।

দেবদাস ছবিতে গান গেয়েছিলেন মাধুরী।
দেবদাস ছবিতে গান গেয়েছিলেন মাধুরী।

‘দেবদাস’-এ কোন গান গেয়েছিলেন মাধুরী?

ছবির জনপ্রিয় গান ‘কাহে ছেড়ে মোহে’-তে নিজের কণ্ঠ দিয়েছিলেন মাধুরী। ছবির অফিসিয়াল প্লেব্যাক ক্রেডিটেও তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এই গানে তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছিলেন কিংবদন্তি কত্থক গুরু পণ্ডিত বিরজু মহারাজ এবং প্রখ্যাত গায়িকা কবিতা কৃষ্ণমূর্তি।

পণ্ডিত বিরজু মহারাজের বিশেষ ভূমিকা

‘কাহে ছেড়ে মোহে’ গানটির অন্যতম বড় আকর্ষণ ছিলেন পণ্ডিত বিরজু মহারাজ। তিনি শুধু গানটির কোরিওগ্রাফিই করেননি, নিজের শক্তিশালী শাস্ত্রীয় কণ্ঠও দিয়েছেন এতে। তাঁর নৃত্যশৈলী এবং সংগীতের ছোঁয়া গানটিকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছিল।

অন্যদিকে, কবিতা কৃষ্ণমূর্তি ভারতীয় সঙ্গীত জগতের এক অত্যন্ত পরিচিত নাম। হিন্দি, বাংলা, কন্নড়, রাজস্থানি, ভোজপুরি, তেলুগু-সহ একাধিক ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। চারবার ফিল্মফেয়ারে সেরা প্লেব্যাক সিঙ্গার পুরস্কার জিতেছেন এই শিল্পী। এছাড়াও ২০০৫ সালে তিনি পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন।

কোথায় শোনা যাবে মাধুরীর কণ্ঠ?

কীভাবে গান গাইলেন মাধুরী?

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, সঞ্জয় লীলা বনশালি এবং পণ্ডিত বিরজু মহারাজ নাকি চেয়েছিলেন মাধুরীর লাইভ ভয়েস স্টুডিয়োতেই রেকর্ড করা হোক, যাতে তাঁর অন-স্ক্রিন পারফরম্যান্স এবং গানের মধ্যে কোনও ফারাক না থাকে। যদিও এই বিষয়ে মাধুরী, বনশালি বা বিরজু মহারাজ কেউই কোনও সাক্ষাৎকারে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেননি। ফলে বিষয়টি নিয়ে এখনও কিছুটা রহস্য থেকেই গিয়েছে।

‘দেবদাস’-এর বক্স অফিস সাফল্য

২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দেবদাস’ তৈরি হয়েছিল প্রায় ৪৪ কোটি টাকার বাজেটে। ভারতীয় বক্স অফিসে ছবিটি ৪১.৬৬ কোটি টাকার নেট কালেকশন করেছিল। অন্য দিকে, বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় দাঁড়ায় প্রায় ৯৯.৮৭ কোটি টাকা। সেই সময়ের হিসেবে এটি ছিল একটি বড় বাজেটের এবং আলোচিত সিনেমা।

মিডিয়া রিপোর্ট এবং নিউজ১৮-এর তথ্য অনুযায়ী, ছবির মূল চরিত্র ‘দেবদাস’-এর জন্য প্রথমে নাকি সলমন খান-কে ভাবা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ‘চুন্নিলাল’-এর চরিত্রের প্রস্তাব গিয়েছিল গোবিন্দা এবং সইফ আলি খান-এর কাছেও। অন্যদিকে, ‘পারো’ চরিত্রে ঐশ্বর্য রাইয়ের আগে স্ক্রিন টেস্ট দিয়েছিলেন করিনা কাপুর খান। তবে সেই সময় বয়স কম হওয়ায় তাঁর মা এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ‘দেবদাস’কে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ এখনও অটুট। আর মাধুরী দীক্ষিতের কণ্ঠে ‘কাহে ছেড়ে মোহে’ গাওয়ার তথ্য যেন নতুন করে ছবিটিকে আলোচনায় এনে দিয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe