নুসরত জাহান ফের খবরে! মঙ্গলবার সাড়ে ৮ ঘণ্টার জেরার মুখে পড়েন তিনি ইডি-র অফিসে। ‘সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ নামক একটি সংস্থাকে কেন্দ্র করে কোটি কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের মামলায় জেরা করা হয় তাঁকে। আর সেই জেরার ৩ দিন পর, নুসরতের পোস্ট এল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ট্যাঙ্ক টপ আর শর্টসে নিজের দুটি ছবি শেয়ার করলেন নুসরত জাহান। চোখে কালো সানগ্লাস। আর ক্যাপশনে লেখা, ‘অভিযোগ আর অপবাদ—এই দুইয়ের মাঝামাঝি কোথাও…! সত্যি খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত শান্তি খুঁজে নিচ্ছি।’ সঙ্গে নুসরত এই পোস্টে আরও লেখেছেন, ‘এসো, ট্রোলরা—যা ইচ্ছে বলার বলে ফেলো’।
প্রসঙ্গত, প্রবীণ নাগরিকদের ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোটি কোটি টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছিল ‘সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ নামক একটি সংস্থার বিরুদ্ধে, যার অন্যতম ডিরেক্টর ছিলেন নুসরত। অভিযোগকারীদের দাবি, নুসরত ওই টাকা নিজের কাজে ব্যবহার করেছেন। পাম অ্যাভিনিউয়ের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের নাম জড়ায় এতে। যদিও এর আগে এক সাংবাদিক বৈঠক করে অভিনেত্রী দাবি করেছিলেন, তিনি ওই সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে নিজের ফ্ল্যাট কিনেছিলেন এবং সুদ-সহ সেই টাকা ফেরতও দিয়ে দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, সংশ্লিষ্ট মামলায় দ্বিতীয় বার তলব করা হল নুসরতকে। মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকেন তিনি। সন্ধ্য়া সাড়ে ছটার পর ইডি অফিস থেকে বেরোন। ইডি সূত্রে খবর, নুসরতের দেওয়া বয়ান খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে তাঁকে আবারও তলব করা হতে পারে।
চলতি বিধানসভা ভোটে তারকা প্রচারকের তালিকায় নাম ছিল তাঁর। তবে এরপরই আসে ইডি-র ডাক। একসময় বসিরহাট কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন নুসরত! তবে জণগণের জন্য কাজের থেকেও, ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্কেই জর্জরিত ছিলেন সেই পাঁচ বছর। নিখিল জৈনকে বিয়ে করা, সিঁদুর পরে সাংসদ হিসেবে শপথ নেওয়া, সেই বিয়েকেই পরবর্তীতে অবৈধ ঘোষণা, যশের সঙ্গে সম্পর্ক, প্রেগন্যান্সি, সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন--- একাধিক বিতর্কের কালো মেঘ ঘিরে রেখেছিল তাঁকে। ফলে দলের অন্দরেও বেশ একটা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ফলত এরপর আর দলের থেকে টিকিট পাননি। এখন দেখার তাঁকে ঘিরে যে নতুন ‘কলঙ্ক’ তা সাফ হয় কবে!
{{/usCountry}}চলতি বিধানসভা ভোটে তারকা প্রচারকের তালিকায় নাম ছিল তাঁর। তবে এরপরই আসে ইডি-র ডাক। একসময় বসিরহাট কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন নুসরত! তবে জণগণের জন্য কাজের থেকেও, ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্কেই জর্জরিত ছিলেন সেই পাঁচ বছর। নিখিল জৈনকে বিয়ে করা, সিঁদুর পরে সাংসদ হিসেবে শপথ নেওয়া, সেই বিয়েকেই পরবর্তীতে অবৈধ ঘোষণা, যশের সঙ্গে সম্পর্ক, প্রেগন্যান্সি, সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন--- একাধিক বিতর্কের কালো মেঘ ঘিরে রেখেছিল তাঁকে। ফলে দলের অন্দরেও বেশ একটা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ফলত এরপর আর দলের থেকে টিকিট পাননি। এখন দেখার তাঁকে ঘিরে যে নতুন ‘কলঙ্ক’ তা সাফ হয় কবে!
{{/usCountry}}