...
...
Next Story

Dev-Subhahsree: চোখে চোখে ইশারা! পুরনো সেই প্রেমের ছাই ওড়ানো মহরৎ, দেব-শুভশ্রী জুটি মানেই 'পারফেক্ট'

শ্বেতশুভ্র সাজে ভাঙল সব দূরত্ব! সব বিতর্ক ভুলে মহরতের ফ্লোরে দেব-শুভশ্রী, চোখ সরল না নায়কের।

Published on: May 31, 2026 08:05 PM IST
Advertisement

টলিপাড়ার দেওয়ালে দেওয়ালে একসময় তাঁদের প্রেমের রূপকথা লেখা থাকত। দেব এবং শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়— এই দুই নাম এককালে শুধু রূপোলি পর্দা কাঁপাত না, বরং তাঁদের অফ-স্ক্রিন রসায়নও ছিল টিনসেল টাউনের সবচেয়ে বড় গসিপ। একে অপরের চোখের ভাষা বোঝা থেকে শুরু করে একসঙ্গে পথচলার সেই দিনগুলো আজ অতীত। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল।

চোখে চোখে ইশারা! পুরনো সেই প্রেমের ছাই ওড়ানো মহরৎ, দেব-শুভশ্রী জুটিই 'পারফেক্ট'
চোখে চোখে ইশারা! পুরনো সেই প্রেমের ছাই ওড়ানো মহরৎ, দেব-শুভশ্রী জুটিই 'পারফেক্ট'

রাজ চক্রবর্তীর ঘরনী হিসেবে শুভশ্রী আজ সংসারী ও দুই সন্তানের মা, আর দেবও নিজের ব্যক্তিগত জীবনে রুক্মিণীর সঙ্গে থিতু। কিন্তু রবিবার দেশু৭-এর মহরতের ফ্লোরে শ্বেতশুভ্র সাজে যখন এই প্রাক্তন জুটি আবার মুখোমুখি দাঁড়াল, তখন টলিপাড়ার পুরনো সব গসিপ ম্যাগাজিনের পাতা যেন এক ধাক্কায় আবার সজীব হয়ে উঠল।

চ্যালেঞ্জ-এর সেই চনমনে প্রেম থেকে আকস্মিক ব্রেকআপের ট্র্যাজেডি

ফ্ল্যাশব্যাকে পিছন ফিরে তাকালে মনে পড়ে যাবে ২০০৯ সালের সেই ব্লকবাস্টার ছবি চ্যালেঞ্জ-এর কথা। রাজ চক্রবর্তীর হাত ধরেই পর্দায় এই জুটির রসায়ন আগুন জ্বালিয়েছিল। সেখান থেকে শুরু করে পরান যায় জ্বলিয়া রে বা খোকাবাবু— দেব-শুভশ্রী জুটি মানেই ছিল বক্স অফিসে কোটি টাকার খেলা। আর সিনেমার রিল লাইফ প্রেম কখন যে রিয়েল লাইফে গড়িয়েছিল, তা টের পেয়েছিল পুরো টলিপাড়া। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কান পাতলে শোনা যেত, দুজনে নাকি বিয়ে করার কথাও ভেবে ফেলেছিলেন!

দেব-শুভশ্রীর নতুন ছবির শুভ মহরৎ

ছবিতে লুকিয়ে কোন অব্যক্ত ইশারা?

প্রযোজক দেবের প্রথম ছবি ধুমকেতুর নায়িকা ছিলেন শুভশ্রী। যদিও দুই প্রযোজক (দেব ও রানা সরকার)-এর টানাপোড়েনের জেরে আটকে ছিল এই ছবির মুক্তি। অবশেষে গত বছর সেই ছবি মুক্তির আলো দেখে।

দীর্ঘ বছর কেটে গেলেও অনুরাগীদের মনে একটা চাপা আশা ছিল— ‘এরা কি আর কোনোদিনও ফিরবে না?’ সেই আশাপূরণের খবর মাস কয়েক আগেই দিয়েছিলেন দেব-শুভশ্রী। আর এবার তার বাস্তব প্রতিচ্ছবি ধরা পড়ল রবিবার।

এদিন দেব-শুভশ্রীর যে ফ্রেমবন্দি মুহূর্ত ধরা পড়ল তাতে কোথাউ শুভশ্রীর গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছেন দেব। কখনও আবার নায়িকার চোখ আটকে প্রাক্তনে। শুভশ্রীর পরনে সাদা শাড়ি আর চুলে জড়ানো জুঁইয়ের মালা, আর দেবের গায়ে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি। ছবিটিতে দেবের সেই চেনা চাহনি, যেখানে তিনি শুভশ্রীর দিক থেকে চোখ সরাতেই পারছেন না, তা দেখে পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা। অনেকেই বলছেন, সম্পর্কের সমীকরণ বদলালেও পুরোনো সেই ‘স্পার্ক’ বা টান কি পুরোপুরি মুছে ফেলা যায়?

এবার পরিচালক দেবের খাঁচায় বন্দি শুভশ্রী!

অতীতের সব অভিমান ও তিক্ততা ভুলে এই কামব্যাক শুধু অভিনয়ের খাতিরে নয়, বরং এবার সমীকরণটা আরও একধাপ উপরে। কারণ এবার শুভশ্রীর পারফরম্যান্সের রাশ থাকবে খোদ পরিচালক দেবের হাতে। রাজ চক্রবর্তীর ঘর থেকে বেরিয়ে প্রাক্তন প্রেমিক দেবের পরিচালনায় শুভশ্রী কতটা সাবলীল হতে পারেন, এখন সেটাই দেখার। অনির্বাণ ভট্টাচার্য এবং কাঞ্চন মল্লিকের মতো হেভিওয়েট কাস্টিং এই ছবিতে থাকলেও, স্পটলাইট যে পুরো মাত্রায় দেব-শুভশ্রীর এই ‘রি-ইউনিয়ন’-এর ওপরেই থাকবে, তা হলফ করে বলা যায়। শুভশ্রী নিজেই লিখেছেন, নিউ বিগিনিংস উইথ লটস অফ পজিটিভিটি অ্যান্ড হোপ। এখন দেখার, ১১ বছরের এই দীর্ঘ ব্যবধান পেরিয়ে প্রাক্তনদের এই নতুন রসায়ন বক্স অফিসে কতটা ম্যাজিক তৈরি করতে পারে! পুজোয় মুক্তি পাবে এই ছবি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe