...
...
Next Story

Sania Mirza-Khesari Lal Yadav: খেসরি লাল যাদবের বিরুদ্ধে এফআইআর, ভোজপুরি সুপারস্টারকে জেল খাটান সানিয়া মির্জা

Khesari Lal Yadav controversy: খেসারি লাল যাদবের বয়স যখন ১৭ বছর, তখন তিনি জেলে গিয়েছিলেন। আর এর পিছনে ছিলেন সানিয়া মির্জা। ভারতীয় টেনিস তারকা তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিলেন।

Published on: Apr 15, 2026, 14:58:12 IST
Advertisement

Khesari Lal Yadav-Sania Mirza controversy: বিখ্যাত টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার জন্য একসময় ভোজপুরি ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার খেসরি লাল যাদবকে জেলেও যেতে হয়েছিল—জানেন সেই ঘটনা? না জানলে চলুন, শোনা যাক পুরো ঘটনাটি।

খেসরি লাল যাদবকে জেল খাটান সানিয়া মির্জা।
খেসরি লাল যাদবকে জেল খাটান সানিয়া মির্জা।

আসলে তখন খেসারি লাল যাদবের বয়স মাত্র ১৭ বছর। সেই সময় সানিয়া মির্জা পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে বিয়ে করেন। এতে মন খারাপ হয়ে খেসারি একটি গান বানান। গানের নাম ছিল—‘টেনিস ওয়ালি সানিয়া দুলহা খোঁজানি পাকিস্তানি’। কিন্তু এই গানটি সানিয়ার মোটেই পছন্দ হয়নি এবং তিনি খেসারির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। এর ফলে খেসারি লাল যাদবকে ২ থেকে ৩ দিন জেলেও কাটাতে হয়। তবে মজার বিষয়, এরপর একসময় দু’জনকে একসঙ্গে মঞ্চেও দেখা গিয়েছিল।

কবে এবং কোথায় দেখা হয়েছিল সানিয়া ও খেসারির?

দু’জনের সাক্ষাৎ হয় রিয়েলিটি শো ইয়াঁরো কি বারাত-এর তৃতীয় এপিসোডে। এই শোটি সঞ্চালনা করতেন রীতেশ দেশমুখ এবং সাজিদ। সেই পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিণীতি চোপড় এবং সানিয়া মির্জা। শো চলাকালীন সাজিদ খান মজার ছলে সানিয়াকে বলেন, ‘আমার খুব খারাপ লেগেছিল, যখন তুমি আমার ছবিতে নাচ করোনি, কিন্তু অন্য ছবিতে গিয়ে নেচে ফেললে।’ এতে অবাক হয়ে সানিয়া জিজ্ঞেস করেন, ‘আমি কার ছবিতে নেচেছি?’ তখন সাজিদ বলেন, 'আমি দেখাচ্ছি।ট এরপর খেসারি লাল যাদবের গান ‘টেনিস ওয়ালি সানিয়া দুলহা খোঁজলি পাকিস্তানি’ চালানো হয়।

সানিয়ার প্রতিক্রিয়া

‘এই গান থেকেই আমি স্টার হয়েছি’—খেসারি লাল যাদব

পরিণীতি চোপড়া খেসারিকে বলেন, ‘আমার আশা, এবার আমার ওপরও একটা গান বানাবেন।’ খেসারি মজার ছলে উত্তর দেন, ‘আমাদের কোনও পূজা শুরু হয় না বিধি ছাড়া, আর হিন্দি ইন্ডাস্ট্রি অসম্পূর্ণ পরিণীতি ছাড়া।’

এরপর সানিয়া তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আমার ওপর ওখানে ২-৩টা গান হয়েছে, তাই তো?’ খেসারি উত্তর দেন, ‘এটাই প্রথম গান। এই গান থেকেই আমি স্টার হয়েছি। তখন আমার বয়স ছিল ১৭ বছর। আমি আমার মহিষ চড়াচ্ছিলাম, আর তখন উনি বিয়ে করে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন। তাই ওঁর চলে যাওয়ার দুঃখে আমি এই গানটা গেয়েছিলাম। আর হয়তো আজ ওঁর জন্যই আমি ভোজপুরি ইন্ডাস্ট্রির স্টার হয়ে উঠেছি।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe