...
...
Next Story

‘আমি আর মা জানতামই না…’, পরিবারকে গোপন করে দুজনের বিয়ে, প্রসেনজিৎ-দেবশ্রীকে নিয়ে দাবি বোন পল্লবীর

প্রসেনজিৎ বা দেবশ্রী কেউই নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে খুব একটা কথা বলেননি মিডিয়ায়। সম্প্রতি এক পডকাস্টে বোন পল্লবী জানালেন যে, বাড়ির কাছে গোপন রেখেই দুজনে করেছিলেন বিয়ে।

Published on: Jun 18, 2026 05:38 PM IST
Advertisement

টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী দেবশ্রী রায় ১৯৯২ সালে ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তবে তাঁদের এই সম্পর্ক মাত্র তিন বছর টিকেছিল এবং ১৯৯৫ সালে তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর আরও দুবার ছাদনাতলায় গিয়েছেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’। তবে কখনো-সখনো প্রথম দাম্পত্যের ব্যর্থতা ও তাঁরপরের অবসাদ নিয়ে কথা বলেন অভিনেতা। এবার এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন অভিনেতার বোন পল্লবী। জানালেন, বাড়ির লোকের কাছে গোপন রেখেই করেছিলেন বিয়ে।

১৯৯২ সালে ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন প্রসেনজিৎ ও দেবশ্রী।
১৯৯২ সালে ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন প্রসেনজিৎ ও দেবশ্রী।

ভিকি লালওযয়ানির পডকাস্টে পল্লবী বললেন, ‘খুব অল্প মেয়াদ ছিল সেই বিয়ের। দেবশ্রীর পরিবার আমাদের খুব কাছের ছিল। বিয়ের সময় দেবশ্রী নিঃসন্দেহে আমার দাদার থেকে বড় সুপারস্টার ছিল। আমি বা মা কেউই সেই বিয়ের অংশ ছিলাম না। আমরা আসলে জানতামই না। আমরা অন্য কারও থেকে জেনেছিলাম। বাড়িতে কেউ একটা এসে বলেছিল, ওঁদের তো বিয়ে হয়ে গিয়েছে। মাকে বলেছিল।’

‘এই নিয়ে দাদার সঙ্গে মায়েরও কিছু মনোমালিন্য হয়েছিল। মাত্র ১ বছরই ওদের সম্পর্ক ছিল। তারপর ভাই আবার আমাদের পরিবারে ফিরে আসে। এরপর মা যখন মারা যা, তখন অপর্ণার সঙ্গে ভাইয়ের ডেটিং চলছিল।', আরও বলেন পল্লবী এই পডকাস্টে।

প্রসেনজিৎ বা দেবশ্রী কেউই নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে খুব একটা কথা বলেননি মিডিয়ায়। জানা যায় যে, ছোটবেলার বন্ধু হওয়ার সুবাদে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর খানিক তাড়াহুড়োতেই করেছিলেন বিয়ে।

এরপর ১৯৯৭ সালে অপর্ণা গুহঠাকুরতাকে বিয়ে করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় | এই সম্পর্কটিও ২০০২ সালে বিচ্ছেদে গড়ায় এবং তাঁদের একটি কন্যা সন্তান (প্রেরণা) রয়েছে | যদিও মেয়ের সঙ্গে অভিনেতার কোনো সম্পর্ক নেই। অপর্ণা ও প্রেরণা দুজনেই থাকেন দেশের বাইরে। ২০০২ সালেই অভিনেত্রী অর্পিতা পালকে বিয়ে করেন প্রসেনজিৎ। এই বিয়ে থেকে জন্ম হয় ছেলে মিশুকের (তৃষাণজিৎ)। যদিও দেবশ্রী আর দ্বিতীয়বার ছাদনাতলায় যাননি। নিজের অভিনয় কেরিয়ার ও রাজনীতি, পশুপ্রেমী সংস্থা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন দেবশ্রী।

অপর্ণার সঙ্গে ডিভোর্সের কারণ জানতে চাওয়া হলে পল্লবী এই পডকাস্টে জানান, ‘তৃতীয় বউয়ের সঙ্গে এখনো আছেন, আর থাকবেনও। ওঁদের (অপর্ণা আর প্রসেনজিৎ) মধ্যে কিছু মতানৈক্য ছিল। খুব কষ্ট পেয়েছিল অপর্ণা। সবে বাচ্চাও হয়েছিল।’

দাদার তৃতীয় বিয়ে নিয়ে পল্লবী বলেন, ‘হতে পারে ওঁর ভালো লাগে একজন স্ত্রী থাকুক এই ব্যাপারটা। বিবাহিত থাকতে চান। এমনিতে খুব ঘরোয়া মানুষ। মাটির মানুষ। ওদের এক ছেলে আছে। ছেলেও ভীষণ ভালো। ওঁর জন্য শুধু বউ আর ছেলে পরিবার নয়, গোটা বাংলা ইন্ডাস্ট্রি ওঁর পরিবার। আমরা ওঁর পরিবার কি না জানা নেই, কিন্তু টলিউড ইন্ডাস্ট্রি ওঁর পরিবার।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe