...
...
Next Story

Parambrata-Piya: নৈনিতলে নডিচন্দ্র! মাম্মা পিয়ার কোলে চেপে পাহাড়ে ঘুরুঘুরু পরমব্রত-পুত্রের

নৈনিতাল সফরে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় আর পিয়া চক্রবর্তী। সঙ্গী হয়ে অবশ্য রয়েছেন নডিচন্দ্রও। নৈনি লেকের সৌন্দর্যে মুগ্ধ খুদে।

Published on: Apr 21, 2026, 12:54:44 IST
Advertisement

মঙ্গলবারের একঘেয়ে কাজের চাপে নেটপাড়ায় খানিক স্বস্তি আর আনন্দের বাতাস নিয়ে এল পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় আর পিয়া চক্রবর্তীর ছেলে নিষাদ। কলকাতা যখন গরমে ঘেমে-নেয়ে অস্থির, তখন মা-বাবার সঙ্গে পাহাড়ের কোলে ঘুরছে খুদে। কুমায়ুনের নৈনিতাল শৈলশহর থেকে ছেলের সঙ্গে ছবি শেয়ার করলেন পিয়া।

মাম্মা পিয়ার কোলে চেপে নৈনিতাল ভ্রমণ নডিচন্দ্রের।
মাম্মা পিয়ার কোলে চেপে নৈনিতাল ভ্রমণ নডিচন্দ্রের।

পিয়ার ছবিতে দেখা গেল, তাঁর কাঁধে বেবি কেরিয়ার। আর তাতে চেপেছে নডিবাবু। ডেনিম আর টি-শার্টে দেখা গেল পিয়াকে। চোখে কালো রঙের সানগ্লাস। খোলা চুল। আর খুদে পরে আছে প্যান্ট আর টি-শার্ট। সঙ্গে জ্যাকেট। নৈনি লেকের সামনে দাঁড়িয়ে ছবির জন্য পোজ দিয়েছেন। ক্যাপশনে লেখা, ‘নৈনিতালে নডিচন্দ্র !’

পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের আগে পিয়া ঘর বেঁধেছিলেন অনুপম রায়ের সঙ্গে। ২০২২ সাল নাগাদ দুজনে আলাদা হন। পরমব্রতও ছিলেন একাধিক সম্পর্কে। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে একসময় প্রেম ছিল তাঁর। নেদারল্যান্ডসভিত্তিক চিকিৎসক ইকা শাউটেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ছিলেন লিভ ইনে। পরমব্রত যখন ইংল্যান্ডে ফিল্ম ও টেলিভিশন প্রোডাকশন বিষয়ে পড়তে যান, তখন ইকার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আর প্রেম হয়।

২০২৫ সালের জুন মাসে পরমব্রত-পিয়ার কোলে আসে তাঁদের প্রথম পুত্র সন্তান। ছেলেকে পিয়া নডি ডাকলেও, বাবা পরমব্রত ডাকেন জুনিয়র বলে। আর খুদের ভালো নাম নিষাদ। এই নামের প্রধান অর্থ ভারতীয় সঙ্গীতশাস্ত্রের সাতটি সুরের সপ্তম বা শেষ সুর। এই নামের আরেকটি অর্থ হলো—যাকে দুঃখ বা বেদনা ছুঁতে পারে না। তবে সংগীতের প্রতি ভালোবাসা থেকেই ছেলের নাম নিষাদ রেখেছেন। দুজনেই অবসর সময়ে গান করতে ভালোবাসেন। পরমব্রত অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হলেও, পিয়া কাজ করেন মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী (Mental Health Professional) হিসেবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe