দেখতে দেখতে ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। এমনি এসএইআর প্রক্রিয়ার কারণে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে ভোটের তালিকা থেকে। জমিয়ে প্রচার করছে শাসক দল তৃণমূল, বিরোধি বিজেপি, ৩৪ বছর ধরে বাংলা শাসন করা সিপিএম! এখন দেখার ৪ মে কোন দলের মুখে ফোটে জয়ের হাসি।

বেশ কিছু বছর ধরেই বঙ্গ রাজনীতির সঙ্গে ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে গিয়েছেন তারকারা। বহু মুখ ইতিমধ্যেই সক্রিয় রাজনীতিতে। কারও নাম সরাসরি না এলেও, রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার খবর সামনে আসে। যেমন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, মাসখানেক আগে শোনা গিয়েছিল তিনি নাকি অফিসিয়ালি তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। তবে সেরকমটা এখনো না হলেও, কাকে মুখ্যন্ত্রী দেখতে চান পরমব্রত, তা নিয়ে কথা বলেছেন।
পরমব্রত সম্প্রতি আনন্দবাজারকে এক সাক্ষাৎকারে জানান যে, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এমন একজন মানুষকে দেখতে চান, যিনি বাঙালি পরিচয়কে সম্মান করবেন এবং বাংলার হৃদয়কে বুঝে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলার চেষ্টা করবেন। তাঁর মতে, সেই নেতৃত্বের মধ্যে থাকতে হবে সংগ্রামের অভিজ্ঞতা। এমন একজন, যিনি নানা লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছেন এবং শুধুমাত্র কূটনীতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে মানুষের পাশে দাঁড়াতে জানেন। পরমব্রত স্পষ্ট করে বলেন, তিনি এমন একজনকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান, যিনি বাস্তব লড়াই বোঝেন এবং মানুষের মধ্যে থেকে কাজ করেন।
আর পরমব্রতর এই সাক্ষাৎকার সামনে আসার পর থেকেই, নেটপাড়ায় এটি ভাইরাল। অনেকেরই দাবি, নাম না নিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন তিনি। এমনকী এই সাক্ষাৎকারে তাঁর পছন্দের রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে মন্তব্য করার সময়, ‘অতীত এবং বর্তমান মিলিয়ে এই মুহূর্তে ভারতের অন্যতম সেরা রাজনীতিবিদের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’ বলেছেন তিনি।
{{/usCountry}}আর পরমব্রতর এই সাক্ষাৎকার সামনে আসার পর থেকেই, নেটপাড়ায় এটি ভাইরাল। অনেকেরই দাবি, নাম না নিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন তিনি। এমনকী এই সাক্ষাৎকারে তাঁর পছন্দের রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে মন্তব্য করার সময়, ‘অতীত এবং বর্তমান মিলিয়ে এই মুহূর্তে ভারতের অন্যতম সেরা রাজনীতিবিদের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’ বলেছেন তিনি।
{{/usCountry}}২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জল্পনা তুঙ্গে উঠেছিল। মাঝে আরজি করের ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছিলেন তিনি ও তাঁর স্ত্রী পিয়া চক্রবর্তী। তবে আচমকাই তাঁদের একমাত্র ছেলে নিষাদের মুখেভাতে দেখা মেলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর।
প্রসঙ্গত, গত বছর ফেডারেশন বনাম পরিচালক গিল্ডের সংঘাতের আবহে শাসকদলের সঙ্গে পরমব্রতর বিরোধিতার কথাও শোনা গিয়েছিল। এমনকী, কানাঘুষো মাসখানেক ব্যান করে রাখাও নাকি হয় তাঁকে। তবে পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হয়। এরপরই অভিনেতার সুর নরম করে জানিয়েছিলেন, ফেডারেশনের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটা তাঁর ‘হঠকারী সিদ্ধান্ত’ ছিল। এমনকী এক ভিডিয়ো বার্তায় ফেডারেশনকে ‘সুবৃহৎ পরিবার’ বলে সম্বোধন করে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেন তিনি।