টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল দেব বোস। ছোট পর্দা থেকে পথ চলা শুরু করলেও ওটিটি থেকে সিনেমা সর্বত্রই নিজেকে প্রমাণ করেছেন অভিনেতা। টলিপাড়ার গণ্ডি পেরিয়ে তিনি পা রেখেছেন বি-টাউনেও। নায়ককে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিকেও দেখা যাবে। তবে এই সব কিছুর মাঝেই রাহুল লিখলেন, ‘জীবনের বিভিন্ন সময়ে আমাকে বলা হয়েছে যে, আমি কোনও কিছুর জন্য যথেষ্ট ভালো নই।’ হঠাৎ কেন এমন লিখলেন তিনি?

রবিবার রাহুল একটি কিছু ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘সহনশীলতার সঙ্গে আমার সম্পর্ক চিরস্থায়ী। জীবনের বিভিন্ন সময়ে আমাকে বলা হয়েছে যে আমি কোনও কিছুর জন্য যথেষ্ট ভালো নই। আমি পড়াশোনায় টিকতে পারব না। আমি সামাজিক ভাবে খুব আনাড়ি। আমি কখনওই একজন পেশাদার অভিনেতা হতে পারব না। আমি হলেও বেশিদিন টিকতে পারব না। আমাকে শেষ পর্যন্ত ক্যামেরার পেছনে যেতে হবে, কারণ আমি ক্যামেরার সামনে টিকতে পারব না। আমি আর দশটা সাধারণ মুখের মতোই। আমি অভিনেতা হিসেবে যথেষ্ট বহুমুখী নই। আমি টেলিভিশনেই সীমাবদ্ধ থাকব। আমি বাংলা বিনোদন জগতেই আটকে থাকব। জাতীয় মঞ্চে আমি কেবল বিজ্ঞাপন, অতিথি শিল্পী বা এক-দুটি দৃশ্যের জন্যই উপযুক্ত হব। জীবন মাঝে মাঝে মানুষের সঙ্গে অদ্ভুত আচরণ করে। কারণ কোনও ভাবে, এই সবকিছু সত্ত্বেও, আমি এগিয়ে চলেছি।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমি এমন সব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছি যেখানে বলা হয়েছিল আমি কখনওই পৌঁছাতে পারব না। আমি এমন একজন মানুষে রূপান্তরিত হয়েছি, যা আমি হতে পারব বলে কেউ কখনও কল্পনাও করেনি। আগামী বছর এমন একটি ইন্ডাস্ট্রিতে পেশাদার অভিনেতা হিসেবে আমার টিকে থাকার এক দশক পূর্ণ হবে, যেখানে প্রতিদিন মানুষ নীরবে হারিয়ে যায়। আমি এমন সব চরিত্রে অভিনয় করেছি যা আমি একসময় কেবল স্বপ্ন দেখতাম। আমি টেলিভিশনের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছি। আঞ্চলিক সীমানা অতিক্রম করেছি। আর আজ, জীবনে প্রথমবারের মতো, আমি মন থেকে অনুভব করছি যে আমি জাতীয় মঞ্চের একজন যোগ্য ব্যক্তি।'
তাঁর কথায়, 'আর এই সব কিছুর মধ্যে দিয়ে আমি নিজের সম্পর্কে একটা জিনিস উপলব্ধি করলাম। আমাকে কেউ কিছু করতে পারবে না বললে আমি তা শুনবো না। হয়তো আমার এই দৃঢ়তার উৎস এখানেই। অহংকার নয়। প্রতিশোধও নয়। বরং আমার আগে অন্য কাউকে আমার জীবনের সীমা নির্ধারণ করতে না দেওয়ার এক দৃঢ় সংকল্প। কারণ দৃঢ়তা সরব হয় না। বেশিরভাগ সময়, একে জেদের মতো দেখায়। নীরব জেদ। সেই ধরনের জেদ যা বন্ধ দরজা দিয়ে হেঁটে যেতে থাকে, যতক্ষণ না অবশেষে একটা দরজা খোলে।’
{{/usCountry}}তাঁর কথায়, 'আর এই সব কিছুর মধ্যে দিয়ে আমি নিজের সম্পর্কে একটা জিনিস উপলব্ধি করলাম। আমাকে কেউ কিছু করতে পারবে না বললে আমি তা শুনবো না। হয়তো আমার এই দৃঢ়তার উৎস এখানেই। অহংকার নয়। প্রতিশোধও নয়। বরং আমার আগে অন্য কাউকে আমার জীবনের সীমা নির্ধারণ করতে না দেওয়ার এক দৃঢ় সংকল্প। কারণ দৃঢ়তা সরব হয় না। বেশিরভাগ সময়, একে জেদের মতো দেখায়। নীরব জেদ। সেই ধরনের জেদ যা বন্ধ দরজা দিয়ে হেঁটে যেতে থাকে, যতক্ষণ না অবশেষে একটা দরজা খোলে।’
{{/usCountry}}