Ritwick Chakraborty-Amit Shah: ভরা গ্রীষ্মে এমনিতেই অনেকদিন হল কালবৈশাখের দেখা নেই। তারওপর আবার বাংলার তাপমাত্রা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ভোট। মোদী, মমতা, অমিত শাহ কেউই বাদ যাচ্ছেন না জ্বালাময়ী ভাষণ থেকে। আর এসবের মাঝেই নেতারা রীতিমতো ‘আলটপকা’ মন্তব্য করে, নতুন নতুন বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে। আর তা থেকে তৈরি হচ্ছে মিম।

এবার যেমন অমিত শাহকে একহাত নিলেন বাংলার অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। অমিতের নাম উল্লেখ করে (শাহটা বাদ) লিখলেন, ‘দেখলাম,ভাই অমিত বলে একজন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ তারাশঙ্কর সাহানা বাজপেয়ী কে নিয়ে কি একটা জোক বলতে গিয়ে পুরো লেবড়ে গেছে’। (বানান অপরিবর্তিত রাখা হল)
যারা নিয়মিত খবরে চোখ রাখেন তাঁরা নিশ্চয়ই ধরে ফেলেছেন যে রবিশঙ্কর-রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে যে খিচুরি পাকিয়ে গিয়েছিলেন বাংলায় এসে, তা নিয়েই এই পোস্ট। আর যারা ব্যাপারটা নিয়ে ততটাও অবগত নন, তাঁদের জন্য না হয় একটু বিস্তারেই বলা যাক। বীরভূমের নির্বাচনী জনসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দেওয়া একটি বক্তব্য রীতিমতো ট্রোলের জন্ম দেয়। বোলপুরের সভায় বক্তব্য রাখার সময় অমিত শাহ শান্তিনিকেতন ও বাংলার কৃষ্টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সেতার সম্রাট পণ্ডিত রবিশঙ্কর এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম নিয়ে বেশ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। ওই ঋত্বিতকের কথায় ‘লেবড়ে দেন’! আসলে 'রবীন্দ্রসঙ্গীত' বলতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে 'রবিশঙ্কর' বলে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা উল্লেখ করতে গিয়েও জড়িয়ে যায় উচ্চারণ। বলেন, 'স্বর্গীয় শ্রী তারাচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়কেও প্রণাম জানাই।' তবে শুধু মিম হয়নি, বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে সমালোচনা হয়। তৃণমূলের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডল থেকে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করা হয়।
{{/usCountry}}সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা উল্লেখ করতে গিয়েও জড়িয়ে যায় উচ্চারণ। বলেন, 'স্বর্গীয় শ্রী তারাচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়কেও প্রণাম জানাই।' তবে শুধু মিম হয়নি, বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে সমালোচনা হয়। তৃণমূলের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডল থেকে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করা হয়।
{{/usCountry}}ফের ফিরে আসা যাক ঋত্বিকের পোস্টে। যার কমেন্টে এক নেটিজেন অভিনেতাকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, ‘আর দাদা ওই পতিদাহ প্রথাটা?’ যাতে অভিনেতার জবাব, ‘ওরা একই স্কুলের ছাত্র, কেউ সিনিয়ার কেউ জুনিয়র’! ভাবছেন এ আবার কী? তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কয়েকদিন আগে ভুলভাল বলেছিলেন এমনটাই। ভরা জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদরের ভাইপো বলেছিলেন, ‘রামমোহন রায় যদি আজকে না থাকত, আমার মা বা আপনার মা মারা যাওয়ার পর, সেই চিতায় ঝলসে পুরো আপনার বা আমার বাবাকে মৃত্যুবরণ করতে হত। সতীদাহ প্রথা রোধ করেছেন একজন বাঙালি।’