বেশ কিছুদিন ধরেই চর্চায় 'দিল্লি ক্রাইম'-খ্যাত শেফালি শাহ। বিশেষ করে অভিনেত্রীর করা একটি মন্তব্য। তিনি বলেন, ‘আমি জানি এর জন্য আমাকে মারাত্মক ট্রোল হতে হবে, তাও বলছি— বাচ্চা নিও না, বরং কুকুর পোষো। স্রেফ কুকুর নিয়ে থাকো।’ শেফালির যুক্তি, মানুষের জীবনে একমাত্র কুকুরই পারে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিতে।

তারপর থেকেই শেফালিকে নিয়ে চর্চা থামার নামই নিচ্ছে না। চলুন আমরা আপনাদের কাছে অভিনেত্রীর সম্পর্কে কিছু না জানা কথা। মুম্বইয়ে জন্ম নেওয়া শেফালি ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহী ছিলেন না। ব্যাংকার সুধাকর শেট্টি এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক শোভা শাহের একমাত্র সন্তান শেফালির আগ্রহ ছিল গান, নাচ এবং ছবি আঁকার দিকে। ভারতনাট্যম শিখেছেন শেফালি। পাশাপাশি, তিনি একজন প্রশিক্ষিত ও পেশাদার চিত্রশিল্পীও। বান্দ্রার 'লাস্ট শিপ' এবং বার্সেলোনার আর্ট স্কুল 'মেটাফোরা'-তে এই নিয়ে প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন।
তবে অভিনেত্রী শেফালি শাহের আগ্রহ শুধুমাত্র ছবি আঁকা বা নাচেই আটকে নেই, তিনি রান্না করতেও ভালোবাসেন। খাবারের প্রতি তাঁর ভালোবাসা থেকে গুজরাটের আহমেদাবাদে তিনি জলসা নামের একটি রেস্তোরাঁ খুলেছেন। নান্দনিকদিক থেকে এই রোস্তারাঁ খুবই পছন্দ করেন অতিথিরা। রেস্তোরাঁর দেওয়ালগুলো শেফালি নিজের হাতেই এঁকেছেন। একইসঙ্গে নিজের রেস্তোরাঁ জলসায় পরিবেশিত ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক খাবারের কিউরেটরের দায়িত্বও তিনিই পালন করছেন।
এই রেস্তোরাঁয় জিভে জল আনা খাবারের পাশাপাশি রয়েছে আরও এক আকর্ষণ। এখানে আপনি মাটির কাজ, মেহেন্দির মচো প্রোজেক্টেও অংশ নিতে পারবেন। রেস্তোরাঁটিতে বিশেষ দিনগুলোতে গরবারও আয়োজন করা হয়ে থাকে।
{{/usCountry}}এই রেস্তোরাঁয় জিভে জল আনা খাবারের পাশাপাশি রয়েছে আরও এক আকর্ষণ। এখানে আপনি মাটির কাজ, মেহেন্দির মচো প্রোজেক্টেও অংশ নিতে পারবেন। রেস্তোরাঁটিতে বিশেষ দিনগুলোতে গরবারও আয়োজন করা হয়ে থাকে।
{{/usCountry}}নিজের রেস্তরাঁ সম্পর্কে এক সাক্ষাৎকারে শেফালি বলেছিলেন, ‘আমার বিশ্বাস হল জীবনকে মন খুলে উদযাপন করো। পরিবার, বন্ধু, খাবার, আনন্দ, গান, নাচ এবং আরও অনেক কিছু নিয়ে। আর জলসাও ঠিক তাই! জলসা শুধু একটি রেস্তোরাঁ নয়, এটি একটা অভিজ্ঞতা। নামের মতোই, জলসা উপরোক্ত সবকিছু এবং আরও অনেক কিছু পরিবেশন করে।’ শেফালির রেস্তোরাঁ জলসায় ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের খাবারের পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক মানের খাবারও পরিবেশন করা হয়ে থাকে।
শেফালি শাহ প্রথমে টেলিভিশন অভিনেতা হর্ষ ছায়াকে বিয়ে করেছিলেন। ১৯৯৪ সালে তাঁদের বিয়ে হয় এবং প্রায় ৬ বছর সংসার করার পর ২০০০ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। প্রথম বিয়ের ভাঙার পরপরই ২০০০ সালেই শেফালি চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক বিপুল অমৃতলাল শাহকে বিয়ে করেন। বিপুল শাহ ও শেফালি শাহ-র দুই ছেলে রয়েছে, যাঁদের নাম আর্যমান এবং মৌর্য।