Siddharth Sen: ২৯ মার্চ রাহুলের মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছিলেন সিদ্ধার্থ সেন। ‘ভোলে বাবা পার কারেগা’ ধারাবাহিকের দ্বিতীয় পর্বে রাহুলের সঙ্গে অভিনয় করার কথা ছিল। তাঁর। কিন্তু ধারাবাহিকে সিদ্ধার্থর এন্ট্রি হওয়ার আগেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হওয়ার জন্য তিনি কলকাতা ছেড়ে পাড়ি দিয়েছিলেন মুম্বই।

এবার নিজেকে অনেকটা সময় দিয়ে আবার কাজে ফিরলেন সিদ্ধার্থ। তবে এবার ধারাবাহিকের পর্দায় নয়, অভিনেতাকে দেখতে পাওয়া যাবে ওয়েব সিরিজের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে। শুভেন্দু চক্রবর্তী পরিচালিত ‘দহন’ সিরিজে অভিনয় করবেন তিনি। এই সিরিজে সিদ্ধার্থ ছাড়া অভিনয় করবেন পূজা, অ্যানমেরি টম এবং শিশু শিল্পী শুভশ্রী।
আরও পড়ুন: 'আমরা তো শুধু অভিনয় দেখব...', রাজকুমারের সঙ্গে মিল প্রসঙ্গে যা বললেন সৌরভ
ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে সিরিজের ট্রেলার যেখানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, পুনর্জন্মের গল্প নিয়ে তৈরি হবে এই সিরিজ। স্টেজ ওটিটি প্লাটফর্মে আগামী ১৬ জুলাই থেকে সম্প্রচারিত হবে দহন। তবে পুনর্জন্মের ঘটনার পেছনে ঠিক কোন ইতিহাস লুকিয়ে রয়েছে, সেটা জানা যাবে দহন মুক্তি পেলে।
এর আগে সানবাংলার দুটি ধারাবাহিক একসঙ্গে কাজ করেছিলেন সিদ্ধার্থ এবং অ্যানমেরি। সেই সময় এই জুটিকে ভীষণ পছন্দ করেছিলেন অনুরাগীরা। আবার সেই পুরনো জুটিকে ফিরতে দেখে খুশি দর্শকমহল।
প্রসঙ্গত, ২৯ মার্চ কী ঘটেছিল সেই প্রসঙ্গে সম্প্রতি মুখ খুলেছিলেন সিদ্ধার্থ। তিনি আজকাল ডট ইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, 'মাথায় সব সময় ঘুরছে সেদিনের ঘটনাটা। চোখের সামনেই শ্যুটিং করতে করতে রাহুলদা জলে তলিয়ে গেল। অনেকেই বলছে শ্বেতাকে আগে উদ্ধার করা হয়েছিল, রাহুলদা জলে এক, দেড় ঘণ্টা বেশি ছিল। কিন্তু আমি তো দেখেছি, দু'জনকেই একসঙ্গে জল থেকে তোলা হয়েছিল। হাসপাতালে যাওয়ার সময়ই সব শেষ।'
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, ২৯ মার্চ কী ঘটেছিল সেই প্রসঙ্গে সম্প্রতি মুখ খুলেছিলেন সিদ্ধার্থ। তিনি আজকাল ডট ইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, 'মাথায় সব সময় ঘুরছে সেদিনের ঘটনাটা। চোখের সামনেই শ্যুটিং করতে করতে রাহুলদা জলে তলিয়ে গেল। অনেকেই বলছে শ্বেতাকে আগে উদ্ধার করা হয়েছিল, রাহুলদা জলে এক, দেড় ঘণ্টা বেশি ছিল। কিন্তু আমি তো দেখেছি, দু'জনকেই একসঙ্গে জল থেকে তোলা হয়েছিল। হাসপাতালে যাওয়ার সময়ই সব শেষ।'
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: 'আমরা তো শুধু অভিনয় দেখব...', রাজকুমারের সঙ্গে মিল প্রসঙ্গে যা বললেন সৌরভ
তিনি আরও বলেন, ‘যখন জানতে পারি রাহুলদা আর নেই, তারপর থেকেই শরীরের মধ্যে অস্বস্তি হতে থাকে। ঘুমাতে পারছি না ঠিক করে। জনসমক্ষে আসছি না বলে অনেকেই অনেক কিছু ভাবছেন, কিন্তু আমি এই প্রসঙ্গে বারবার কথা বলতে পারছি না। বাড়িতেও এই নিয়ে কথা উঠছে না, যাতে আমি সুস্থ থাকতে পারি। চোখের সামনে দেখা এই ঘটনা ভোলা সম্ভব নয়। রাহুলদার মৃত্যুর তদন্ত হচ্ছে জেনে খুশি হয়েছি। আমিও চাই সত্যিটা যেন সবার সামনে আসে, তাহলে সবার মাথার মধ্যে যে হাজার প্রশ্ন ঘুরছে সেসব বন্ধ হবে।’