Sourav-Sovosmita Naboborsho: প্যাচপ্য়াচে গরমে সুতির নতুন জামা, ঠাকুমার একাদশী দেখার সেই বাংলা ক্যালেন্ডার, রসনার লাইনে দাঁড়িয়ে বুড়ির চুল খাওয়ার আনন্দ— বাঙালির নববর্ষ মানেই এই ছোট ছোট সুখের মুহূর্ত। বিশ্বায়নের এই যুগে যেখানে কাউন্টডাউন আর গ্ল্যামারের ছড়াছড়ি, সেখানে ‘লক্ষ্মী ঝাঁপি’ অভিনেতা সৌরভ চক্রবর্তীর এক আবেগঘন পোস্ট বাঙালির শিকড়ের টানকে আরও একবার মনে করিয়ে দিল। কিন্তু নেটিজেনদের চোখ আটকেছে সৌরভের পোস্টের শেষ লাইনে এবং সঙ্গে থাকা সেই ছবিটিতে। যেখানে সৌরভের পাশে মিষ্টি হাসিতে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী শুভস্মিতা মুখোপাধ্যায়।

৩৮-এর সৌরভ এবং শিকড়ের টান
মধুমিতা সরকারের সঙ্গে দাম্পত্য টেকেনি। নায়িকা ইতিমধ্যেই নতুন সংসার পেতেছেন। সৌরভের সঙ্গে পর্দার ঝাঁপির রসায়ন নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। সৌরভ তাঁর দীর্ঘ পোস্টে লিখেছেন, ‘জীবনের ৩৮টা বসন্ত পার করার পর আমি এটুকু নিশ্চিত—যে টান নাড়ির কিংবা শিকড়ের, শুধু বাণিজ্যের প্রলোভনে তাকে সহজে মুছে ফেলা যায় না।’ ওপেন মার্কেট ইকোনমির যুগেও সৌরভের এই বিশ্বাস বাঙালির সংস্কৃতিকে এক নতুন দিশা দিয়েছে। কিন্তু এই শিকড়ের টানের কথা বলতে বলতে সৌরভের পোস্টে ‘বসন্ত’-এর যে উল্লেখ, তা কি শুধুই বছরের হিসেব, নাকি তাঁর জীবনে কোনো নতুন ‘বসন্ত’-এর আগমনের ইশারা?
প্রেমিকা শুভস্মিতা এবং সৌরভের হাসি
সৌরভ এবং শুভস্মিতার এই ছবিটি সমাজমাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। লালপেড়ে সবুজ শাড়িতে শুভস্মিতার সেই চিরাচরিত লাজুক হাসি এবং পাশে সৌরভের পাঞ্জাবি-পরা আত্মবিশ্বাসী মুখাবয়ব— ভক্তরা বলছেন, ‘একেবারে পারফেক্ট জুটি।’ শুভস্মিতার কাঁধে সৌরভের হাত এবং দু’জনের কেমিস্ট্রি দেখে অনেকেই মনে করছেন, সৌরভ হয়তো তাঁর শিকড়ের টানের পাশাপাশি জীবনে নতুন এক ‘মনের ঠিকানা’ খুঁজে পেয়েছেন। আর সেই ঠিকানার নামই হয়তো শুভস্মিতা।
বসন্তের নতুন শুরু
সৌরভ তাঁর পোস্টে ‘বসন্ত’ নিয়ে লিখেছেন। আর বসন্ত মানেই তো নতুন কিছুর সূচনা। সৌরভের এই পোস্ট এবং ছবির টাইমিং নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। তাহলে কি এই নববর্ষেই সৌরভ আর শুভস্মিতা তাঁদের সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করলেন? নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, সৌরভের জীবনের ৩৮তম বসন্তটি হয়তো সত্যিই স্পেশাল হতে চলেছে শুভস্মিতার উপস্থিতিতে। কিছুদিন আগেই সৌরভের মা-কে ‘মা’ বলে সম্বোধন করেছিলেন শুভস্মিতা। বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তাঁদের সম্পর্কটা কতটা গভীর। এবার শুধু ছাদনা তলায় সাত পাক ঘোরবার অপেক্ষা।