তিনি প্রকাশ্য রাজনীতিতে নেই, কিন্তু স্বামী রাজ চক্রবর্তীর পাশে সর্বদা রয়েছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। এবারেও ব্যারাকপুরে রাজের উপর ভরসা রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনী প্রচারের শেষ বেলায় রাজের হয়ে প্রচারে ব্যস্ত তাঁর পরিণীতা। ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ নির্বাচনের আগে আবারও সেই চেনা ছবি ধরা পড়ল ব্যারাকপুরে। স্বামীর সমর্থনে প্রচারে নেমে শুভশ্রী যেভাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গেলেন, তাতে মুগ্ধ ব্যারাকপুরবাসী।

আবেগঘন শুভশ্রী:
ব্যারাকপুরের এক নির্বাচনী সভায় দাঁড়িয়ে শুভশ্রী তাঁর হৃদয়ের কথা ভাগ করে নেন। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী সপ্তাহে এখন পাঁচদিন ব্যারাকপুরে থাকেন। ব্যারাকপুর আমার দ্বিতীয় বাড়ি… ভবিষ্যতেই দুই সন্তান নিয়ে এখানেই থাকতে হবে’। শুভশ্রীর এই ‘ঘরের মেয়ে’ ভাবমূর্তি যে রাজের রাজনৈতিক পালে বাড়তি হাওয়া দিচ্ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
রাজনীতির ঊর্ধ্বে ভালোবাসা:
রবিবারের পর সোমবারও রাজের হয়ে গলা ফাটালেন শুভশ্রী। সাদায় রং মিলান্তি চক্রবর্তী দম্পতির। শ্বেতশুভ্র শাড়িতে এদিন ঝলমলে নায়িকা। পছন্দের নায়িকাকে একটিবার ছুঁতে রাজের কনভয়ের দিকে ছুটে এল আট থেকে আশি। শুভশ্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাজনৈতিক আদর্শ বা দলের চেয়েও তাঁর কাছে বড় হলো রাজের প্রতি মানুষের বিশ্বাস। তিনি মনে করেন, রাজ গত কয়েক বছরে ব্যারাকপুরের মানুষের জন্য যে কাজ করেছেন, তার প্রতিদান মানুষ ব্যালট বক্সেই দেবেন। টলিউডের ব্যস্ত শিডিউল আর দুই সন্তান (ইউভান ও ইয়ালিনি)-এর দায়িত্ব সামলেও শুভশ্রী যেভাবে স্বামীর রাজনৈতিক মিছিলে পা মেলাচ্ছেন, তা অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার।
রাজের লড়াই ও সংকল্প:
{{/usCountry}}রাজের লড়াই ও সংকল্প:
{{/usCountry}}২০২১-এ প্রথমবার বিধায়ক হওয়ার পর থেকেই রাজ চক্রবর্তী ব্যারাকপুরের উন্নয়নের কাজে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন। এবারও তিনি জয়ের বিষয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। রাজের কথায়, ‘শুভশ্রী পাশে থাকলে আমার শক্তি দ্বিগুণ হয়ে যায়। ও কেবল আমার স্ত্রী নয়, ও আমার সবথেকে বড় সমালোচক এবং সমর্থক।’
২০১৮ সালে সাত পাকে বাঁধা পড়েন রাজ-শুভশ্রী। তাঁদের দাম্পত্যের বয়স প্রায় আট বছর। এই মুহূর্তে টলিউডের অন্যতম ব্যস্ত নায়িকা শুভশ্রী। তবে সংসার-সন্তানের প্রতিও সমান দায়িত্বশীল। সদ্য ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের আসন্ন ছবির কাজ শেষ করেছেন নায়িকা। আগামিতে দেবের সঙ্গে ফের জুটি বাঁধবেন শুভশ্রী। পুজোয় আসছে দেশু ৭। সেই ছবি পরিচালনার দায়িত্বেও রয়েছেন দেব।