Swastika-Anwesha: সম্প্রতি মায়ের সঙ্গে ‘বিবি পায়রা’-র প্রিমিয়ারে হাজির হয়েছিলেন স্বস্তিকা-কন্যা অন্বেষা! কাজের সূত্রে বাইরেই থাকেন অভিনেত্রীর মেয়ে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া অন্বেষার সেভাবে দেখা পাওয়া যায় না! তবে এবার তাঁকে সামনা সামনি দেখে রীতমতো মুগ্ধ নেটপাড়া।

স্বস্তিকা ‘বিবি পায়রা’-র প্রিমিয়ারে এসেছিলেন লাইল্যাক রঙের জামদানি ড্রেসে। আর অন্বেষাকে দেখা যায় কালো রঙের ট্রাউজার আর সাদা শার্টে। সঙ্গের কালো ওয়েস্টকোটটি দেখে অনেকেরই মনে পড়েছে ‘যব উই মেট’-এর করিনার সেই লুকের কথা। স্বস্তিকার পাশে অন্বেষাকে দেখে নেটপাড়ায় নানা ধরনের মন্তব্য। একজন লেখেন, ‘দুজনেই কিন্তু ভীষণ কিউট’। আরেকজন লেখেন, ‘আমার তো স্বস্তিকাকে বাচ্চা লাগছে, কী করে যে এই মহিলা এত সুন্দর’! আরেকজন লেখেন, ‘যেন দুই বোন’।
ছুটিছাটা থাকলে কখনো অন্বেষা কলকাতায় আসেন, আবার কখনো স্বস্তিকা নিজেই চলে যান মেয়ের কাছে। মা-দাদুর মতো অভিনয়ে পা রাখেননি তিনি। সাইকোলজিতে এমএসসি করে এখন কার্ডিফ থেকে লন্ডন পাড়ি দিয়েছেন। সেখানে চাকরি করছেন।
মায়ের মতোই কিন্তু অকপট হয়েছেন অন্বেষা। এমনকী, সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ জনপ্রিয়। একবার এক নেটিজেন অন্বেষাকে প্রশ্ন করে, সত্যিই কি তিনি অভিনয় করতে চান না? যাতে জবাব আসে, ‘তোমাদের কী মনে হয় আমি এত কষ্ট করে এখানে UK-তে এসেছি পড়াশোনা করতে, কলকাতা ফিরে গিয়ে অভিনেত্রী হব বলে? বাহ! কী মনে হচ্ছে এখানে আমি বেড়াতে এসেছি?’
খুব সহজ ছিল অন্বেষার জীবন। এক সাক্ষাৎকরে স্বস্তিকা জানিয়েছিলেন যে, সিঙ্গল মাদারের মেয়ে হওয়ায় কলকাতার নামী স্কুল একসময় ভর্তি নিতে চায়নি স্বস্তিকা-কন্যাকে। তবে লড়াই ছাড়েননি মা-মেয়ে। পড়াশোনায় বারাবরই তুখোড় অন্বেষা। মুম্বইয়ের নামী কলেজ থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি করেন। আর তারপর স্কলারশিপ পেয়ে কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন অন্বেষা। এখন তিনি লন্ডনে চাকরি করছেন।
{{/usCountry}}খুব সহজ ছিল অন্বেষার জীবন। এক সাক্ষাৎকরে স্বস্তিকা জানিয়েছিলেন যে, সিঙ্গল মাদারের মেয়ে হওয়ায় কলকাতার নামী স্কুল একসময় ভর্তি নিতে চায়নি স্বস্তিকা-কন্যাকে। তবে লড়াই ছাড়েননি মা-মেয়ে। পড়াশোনায় বারাবরই তুখোড় অন্বেষা। মুম্বইয়ের নামী কলেজ থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি করেন। আর তারপর স্কলারশিপ পেয়ে কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন অন্বেষা। এখন তিনি লন্ডনে চাকরি করছেন।
{{/usCountry}}১৮ হতে না হতেই স্বস্তিকা গাঁটছড়া বাঁধেন প্রমিত সেনের সঙ্গে। আর ১৯ বছর বয়স যখন, তখন জন্ম অন্বেষার। একরত্তি মেয়েকে নিয়ে সংসার ছাড়েন, ফিরে আসেন বাবার ঘরে। সেই থেকে একা হাতেই মেয়েকে বড় করছেন। বলা ভালো, মাতৃত্বই কেরিয়ারের ওঠা-পড়া, ব্যক্তিগত জীবনের ভাঙা-গড়ায় শক্তি জুগিয়েছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে।
বিবি পায়রা ছবি প্রসঙ্গে:
অর্জুন দত্ত-র পরিচালনায় বিবি পায়রা সিনেমায় কাজ করেছেন পাওলি দাম, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, অনির্বাণ চক্রবর্তী, অনিন্দ্য সেনগুপ্ত, সুব্রত দত্ত, ভবানী বসু মজুমদার, অঙ্কিতা মাঝি। ১০ এপ্রিল মুক্তি পায় ছবিটি। ঝুমা (পাওলি) ও শিউলি (স্বস্তিকা) মধ্যবিত্ত পরিবারের গৃহবধূ। তাদের লেখাপড়া, বাইরের দুনিয়ার জ্ঞানগম্যি নেই বললেই চলে। ঠিক যেমন আমরা চারপাশে দেখে থাকি। তবে এই ঝুমা আর শিউলিই ঘুরে দাঁড়ায়, আর সেই গল্পই দেখিয়েছে ‘বিবি পায়রা’।