টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। তিনি খুবই স্পষ্ট বক্তা। নানা সময় নিজের বক্তব্যের জন্য চর্চায় থাকেন নায়িকা। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেও কখনও পিছ পা হন না। পাশাপাশি নায়িকা সব সময় তারকা খ্যাতির চাদরে নিজেকে জড়িয়ে রাখাতেও বিশ্বাসী নন। আবার সে রকমই একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এল।

আরও পড়ুন: জি বাংলায় আসছে নতুন রিয়্যালিটি শো 'ড্রামাবাজ'! প্রোমো দেখে কী বলল নেটপাড়া?
মাঝে মাঝেই নায়িকাকে বলতে শোনা যায় তিনি সাধারণ জীবনযাপনে বিশ্বাসী। আড়ম্বর, ভিড়ের মধ্যে নিজেকে আলাদা করে মেলে ধরতে তিনি খানিক অস্বস্তি বোধ করেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি কলকাতাতেও বাড়ির কাছাকাছি কোথাও যাওয়ার থাকলে অনেক সময় হেঁটে চলে যান। পথে তাঁকে অনেকেই চিনে ফেলেন ঠিকই, তবে অবলীলায় তিনি তাঁদের বলে দেন যে তিনি স্বস্তিকা নন। এমনকী তিনি মাঝে মধ্যেই পাবলিক ভেইকেলও ব্যবহার করেন। সম্প্রতি নায়িকা নিজেই তেমন একটি ছবি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন। সেখানে তাঁকে রিক্সায় করে একটি ছবির স্ক্রিনিংয়ে যেতে দেখা গিয়েছে।
বৃহস্পতিবার স্বস্তিকা একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নেন। সেখানে নো মেকআপ লুকে ধরা দেন তিনি। সাদা পোশাক, গলায় হার, কানের দুলে সাদামাটা অথচ সুন্দর দেখাচ্ছিল নায়িকাকে। ওই ভিডিয়োয় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার জীবনটাকে আরও সহজ করে যাপন করার চেষ্টা করছি।’
তিনি জানান যে, শিলাদিত্য মৌলিকের একটি ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে সেই অনুষ্ঠানে আরও বেশ কয়েকজন অভিনেত্রীর যাওয়ার কথা ছিল। ফলে সকলের জন্যই পরিচালক গাড়ির ব্যবস্থা করে দেবেন জানালে স্বস্তিকা বলেন, ‘আমাকে শিলাদিত্য বলল যে, 'আমি গাড়ির ব্যবস্থা করে দিচ্ছি, কারণ আমার চালক আজ থাকছেন না'। আমি ভাবলাম যে, গাড়ি করে গেলে অনেক আগে বের হতে হবে। তারপর জ্যামে ফাঁসবো। তার থেকে ভালো অটো বা রিক্সা নিয়ে মেট্রো চলে যাবো। মেট্রো থেকে তারপর এসপ্ল্যানেড নামবো। তারপর বাকিটা হেঁটে চলে যাবো। এটাই সাধারণত আমি করে থাকি।'
{{/usCountry}}তিনি জানান যে, শিলাদিত্য মৌলিকের একটি ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে সেই অনুষ্ঠানে আরও বেশ কয়েকজন অভিনেত্রীর যাওয়ার কথা ছিল। ফলে সকলের জন্যই পরিচালক গাড়ির ব্যবস্থা করে দেবেন জানালে স্বস্তিকা বলেন, ‘আমাকে শিলাদিত্য বলল যে, 'আমি গাড়ির ব্যবস্থা করে দিচ্ছি, কারণ আমার চালক আজ থাকছেন না'। আমি ভাবলাম যে, গাড়ি করে গেলে অনেক আগে বের হতে হবে। তারপর জ্যামে ফাঁসবো। তার থেকে ভালো অটো বা রিক্সা নিয়ে মেট্রো চলে যাবো। মেট্রো থেকে তারপর এসপ্ল্যানেড নামবো। তারপর বাকিটা হেঁটে চলে যাবো। এটাই সাধারণত আমি করে থাকি।'
{{/usCountry}}এরপর নায়িকা জানান এই প্রসঙ্গে তিনি তাঁর মেয়ের সঙ্গেও নানা কথা ভাগ করে নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আজ দুপুর বেলা খেয়ে উঠে মেয়েকে বলছিলাম, ’সব কিছু নিয়ে এত বিরক্ত লাগছে। যা চলছে আশেপাশে। ভাবছি পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ফিরত চলে গেলেই ভালো।' হাজার হাজার মানুষ এভাবে যাতায়াত করে। অটো, রিক্সা, বাস, ট্রাম, মেট্রো। প্রতিনিয়ত লোকে যদি আমাকে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে দেখে, তাহলে মানুষেরও অভ্যাস হয়ে যাবে। তাঁরা আর ওতো বিরক্ত করবেন না।'
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ যদি দেখেন সাধারণের মতোই সাধারণ ভাবে কাজে যাচ্ছি তাহলে তাঁদেরও সয়ে যাবে বার বার দেখতে দেখতে। আমারও অসুবিধা হবে না, তাঁদেরও আর উচ্ছ্বাস থাকবে না। বাঁচা যাবে। দেখি কতটা কী করতে পারি।’