তামান্না খুনে জালে আরও ৮, ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তামান্নার মা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই তৎপর হয় পুলিশ। এর আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তামান্নার মায়ের পোস্ট শেয়ার করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এবার সরাসরি প্রশ্ন তুললেন, কেন গ্রেফতারিতে এত দেরি হল পুলিশের।

শ্রীলেখা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গতকাল আমি তমান্নার মায়ের একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলাম, যেখানে তিনি আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী এবং শ্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। সেই পোস্ট শেয়ার করার মাত্র দু'ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ নাকি অভিযুক্তদের মধ্যে দু'জনকে গ্রেফতার করেছে। এতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠছে। যদি মাত্র দু'ঘণ্টার মধ্যে এই গ্রেফতারি সম্ভব হয়, তাহলে এর আগে পদক্ষেপ নিতে বাধা কোথায় ছিল? নতুন কোনও প্রমাণ মিলেছিল, নাকি নতুন কোনও নির্দেশ এসেছিল? নাকি অন্য কোনও কারণ ছিল, যার জন্য এতদিন দেরি হয়েছে?’
শ্রীলেখা আরও লেখেন, ‘যে কাজ এত অল্প সময়ে করা সম্ভব, সেটি আগে কেন করা গেল না—এই প্রশ্ন তোলাটা স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষ এর একটি স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়ার অধিকার রাখেন। এই বিলম্ব কি প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার কারণে, আইনি বা প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতার জন্য, নাকি অন্য কোনও অদক্ষতার ফল? জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখতে এই বিষয়ে স্বচ্ছতা অত্যন্ত জরুরি।’
নদিয়ার কালীগঞ্জের ছোট্ট মেয়ে তামান্না শেখ খুন হয় গত বছর ২৩ জুন। কালীগঞ্জের উপ নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের আনন্দে বিজয় মিছিল বেরিয়েছিল। সেই সময় মিছিল থেকে বোমা ছোড়া হয়, এরপর তামান্নার দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। সেই সময় মোট ২৪ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন। গত ১ বছর ধরে মেয়ের বিচারের আশায় লড়ে যাচ্ছেন তিনি। দিনের পর দিন মেয়ের হত্যাকারীদের এলাকায় দেখেছেন বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াতে। কিন্তু শাস্তি হয়নি। সেই যন্ত্রণা বুকে নিয়ে রাজনীতির লড়াইতেও নামেন তিনি। সিপিএমের টিকিটে লড়েছিলেন বিধানসভায়।
{{/usCountry}}নদিয়ার কালীগঞ্জের ছোট্ট মেয়ে তামান্না শেখ খুন হয় গত বছর ২৩ জুন। কালীগঞ্জের উপ নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের আনন্দে বিজয় মিছিল বেরিয়েছিল। সেই সময় মিছিল থেকে বোমা ছোড়া হয়, এরপর তামান্নার দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। সেই সময় মোট ২৪ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন। গত ১ বছর ধরে মেয়ের বিচারের আশায় লড়ে যাচ্ছেন তিনি। দিনের পর দিন মেয়ের হত্যাকারীদের এলাকায় দেখেছেন বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াতে। কিন্তু শাস্তি হয়নি। সেই যন্ত্রণা বুকে নিয়ে রাজনীতির লড়াইতেও নামেন তিনি। সিপিএমের টিকিটে লড়েছিলেন বিধানসভায়।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, তামান্না-হত্যা মামলায় সরকারি আইনজীবীকেও সরাল রাজ্য সরকার। বিভাস চট্টোপাধ্যায়কে সরকারি আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ করার জন্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একাধিকবার চিঠি লিখেছিলেন তামান্নার মা। কিন্তু কাজ হয়নি। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে মঙ্গলবার দেখা করে আইনজীবী বদলের অনুরোধও করেছিলেন তামান্নার মা। আর সেই দাবি মেনে বিভাস চট্টোপাধ্যায়কে নিয়োগ করল রাজ্য সরকার।