টলিউড থেকে রাজনীতির ময়দান— দুই কেরিয়ারেই কি লক্ষ্মীলাভ হচ্ছে চুটিয়ে? সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী লাভলী মৈত্রের নির্বাচনী হলফনামা কিন্তু সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে। দ্বিতীয়বারের জন্য এই কেন্দ্র থেকে লড়তে নামা জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর সম্পত্তির খতিয়ান দেখে নেটপাড়ায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

সোনায় মোড়া ‘জলনূপুর’-এর নায়িকা
হলফনামা অনুযায়ী, লাভলী মৈত্রের সবথেকে বড় সম্পদ তাঁর গয়নার সম্ভার। অভিনেত্রীর কাছে রয়েছে মোট এক কেজি সোনা, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ৩৫ হাজার টাকা। সোনার প্রতি এই ভালোবাসা যেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় চরিত্রের মতোই রাজকীয়।
অস্থাবর সম্পত্তির পাহাড়
লাভলীর হাতে নগদ রয়েছে ৯০ হাজার টাকা। তবে ব্যাঙ্কের হিসেব বেশ নজরকাড়া। দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে ৫৮ লক্ষ ৮০ হাজার ৪৬১ টাকা। এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড এবং শেয়ার বাজারেও তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে প্রায় ৪৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার। সব মিলিয়ে লাভলীর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি ৬৯ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫২৫ টাকা। এত বিপুল পরিমাণ সোনা থাকলেও, নিজস্ব বাড়ি নেই লাভলির।
বিলাসবহুল গাড়ি ও পড়াশোনা
ছোটপর্দার এই নায়িকার গ্যারেজে রয়েছে একটি দামী এসইউভি (SUV) গাড়ি, যার দাম ২৫ লক্ষ ১৮ হাজার টাকারও বেশি। মজার বিষয় হলো, রুপোলি পর্দার এই তারকা করোনাকালেই অর্থাৎ ২০২০ সালে নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (B.A) হয়েছেন।
স্বামীকেও টেক্কা?
{{/usCountry}}স্বামীকেও টেক্কা?
{{/usCountry}}লাভলীর স্বামী সৌম্য রায় একজন পুলিশ আধিকারিক। তবে সম্পত্তির হিসেবে স্ত্রীকে টেক্কা দিতে পারেননি তিনি। সৌম্যবাবুর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। তাঁর কাছে ৫০০ গ্রাম সোনা থাকলেও কোনো গাড়ি নেই। দম্পতির উল্লেখ করার মতো কোনও স্থাবর সম্পত্তি (বাড়ি বা জমি) হলফনামায় দেখানো হয়নি।
ঋণের বোঝা
সম্পত্তির পাশাপাশি লাভলীর ঋণের বোঝাও মন্দ নয়। হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, তাঁর মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা।
লাভলি (অরুন্ধুতি)-কে শেষবার ছোটপর্দায় দেখা গিয়েছে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের চিরসখা-তে। রবিরার শেষ সম্প্রচার এই মেগার। মিটিলের চরিত্রে দর্শক মনে দাগ কাটতে সফল হয়েছেন লাভলি। তবে ভোট নিয়ে ব্যস্তার জেরে আগেই এই সিরিয়াল থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তারপরই ঘটে যায় রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যু। প্রযোজনা সংস্থার সাফাইয়ে খুশি নয় আর্টিস্ট ফোরাম। তাঁদের নির্দেশেই বন্ধ হচ্ছে চিরসখা।