...
...
Next Story

Sourav-Sana: ‘বাবা পেদিয়ে ছত্রাকার করে দেবে…’! আদুরে মেয়ে সানাকে নিয়ে কেন এমন বলেন সৌরভ?

Sourav Ganguly-Sana Ganguly: আর পাঁচটা বাবার মতো, ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও কিন্তু মেয়ে অন্ত প্রাণ। জানেন একবার সানার প্রেম-সম্পর্ক নিয়ে দাদাগিরিতে কী বলেছিলেন মহারাজ?

Published on: Apr 15, 2026, 15:16:12 IST
Advertisement

Sourav Ganguly's Daughter Sana Ganguly: ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন যেমন আকর্ষণীয়, তেমনই তাঁর পরিবার নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ কম নয়। বিশেষ করে তাঁর একমাত্র মেয়ে সানা গঙ্গোপাধ্যায় ঘিরে কৌতূহল বরাবরই তুঙ্গে। জানেন একবার মেয়ের প্রেম-সম্পর্ক নিয়ে কী বলেছিলেন দাদা?

প্রেম, আপত্তি আর অবশেষে ধুমধাম বিয়ে

সানা-অন্ত প্রাণ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।
সানা-অন্ত প্রাণ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

অবশ্য সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেম ও বিয়ের গল্প কিন্তু বেশ নাটকীয়। হয়ে যায় যে কোন রোম্যান্টিক সিনেমার গল্প। ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ের গল্প মোটামুটি সকলেরই জানা। ১৯৯৬ সালে দু’জনে চুপিসারে রেজিস্ট্রি করে নেন। সেই সময় দুই পরিবার থেকেই আপত্তি ছিল এই সম্পর্কে। তবে সময়ের সঙ্গে সেই অনীহা কাটে। অবশেষে ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পরিবারের উপস্থিতিতে সামাজিকভাবে জাঁকজমক করে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

এর কয়েক বছর পর, ২০০১ সালের নভেম্বরে তাঁদের জীবনে আসে কন্যা সন্তান সানা। একমাত্র মেয়েকে ঘিরেই সংসার পূর্ণতা পায়। আর পাঁচটা বাবার মতো, সৌরভও কিন্তু মেয়ে অন্ত প্রাণ।

লন্ডনে সানার উড়ান

ছোট থেকে গঙ্গোপাধ্যায় বাড়িতে সকলের আদরে বড় হওয়া মেয়ে সানা এখন নিজের কেরিয়ার গড়তে বিদেশে। বর্তমানে লন্ডনে কর্মরত ২৪ বছরের সৌরভ-কন্যা। তিনি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থায় কাজ করছেন এবং মাস গেলে মোটা অঙ্কের বেতনও ঢোকে ব্যাঙ্কে। যদিও মেয়ে বিদেশে থাকেন, তবুও তাঁর প্রতি বাবার নজর যে সবসময়ই সতর্ক, তা নানা সময়ে সৌরভের কথাতেই স্পষ্ট হয়েছে।

মেয়ের বিয়ে নিয়ে ‘দাদাগিরি’-তে মজার মন্তব্য

মুচকি হেসে সৌরভের জবাব ছিল, ‘ও এখনো ছোট। তবে আশেপাশে কাউকে দেখলে বাবা কিন্তু পিটিয়ে ছত্রাকার করে দেবে!’ তাঁর এই কথায় উপস্থিত সকলে হেসে ওঠেন। এখানেই না থেমে তিনি আরও বলেন, ‘বাবা সব করতে পারবে, মেয়ে পারবে না।’

পড়াশোনায় সানার নজির গড়া সাফল্য

ছোটবেলা থেকে ডনার কাছে নাচ শিখলেও, মায়ের মতো এটিকে পেশা হিসেবে বেছে নেননি। খেলাধুলোতেও যাননি বাবার জুতোয় পা গলিয়ে। বরাবরই শিক্ষাক্ষেত্রে সানার সাফল্য প্রশংসনীয়। ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ লন্ডন থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। স্কুলজীবন কেটেছে কলকাতার বিখ্যাত লোরেটো হাউজ স্কুলে-এ। আইএসসি পরীক্ষায় ৯৮ শতাংশ নম্বর পেয়ে নজর কেড়েছিলেন সানা।

মেয়েকে স্বাবলম্বী করতেই বিদেশে পাঠানো

এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ জানিয়েছিলেন, মেয়েকে বিদেশে পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য শুধুই অর্থ উপার্জন নয়। তাঁর কথায়, ‘আমি সানাকে টাকা রোজগারের জন্য পাঠাইনি, পাঠিয়েছি শৃঙ্খলা শেখার জন্য। চাকরি মানুষকে দায়িত্বশীল করে তোলে—সহকর্মীদের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, সময়মতো কাজ শেষ করা, নিয়ম মেনে চলা—এই সবই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।’

বাবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক

লন্ডনে গেলে শুধু মেয়ের সঙ্গেই নয়, সানার বন্ধুদের সঙ্গেও সময় কাটাতে দেখা যায় সৌরভকে। সকল বয়সের মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়ার এই গুণ বরাবরই মহারাজের ব্যক্তিত্বকে আরও আলাদা করে তোলে।

আসছে সৌরভের বায়োপিক

এদিকে খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের জীবনের উপর ভিত্তি করে তৈরি বায়োপিকের শুটিং। ২০২৬-এর মাঝামাঝি সময় ফ্লোরে যাবে ছবি। দাদার চরিত্রে রাজকুমার রাও, আর ডোনার ভূমিকায় থাকছেন সাইনা মলহোত্রা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe