মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। যুদ্ধের শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক রুটে উড়ান পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। এরই মাঝে আবার তেলের দাম রকেট গতিতে বাড়ছে। এই আবহে গত ১০ মার্চ এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির জেরে তারা ভাড়া বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উড়ানের টিকিটের দাম বাড়াবে এয়ার ইন্ডিয়া। জ্বালানি সারচার্জ হিসেবে সেই ভাড়া বাড়বে। তবে বর্তমানে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে কোনও জ্বালানী সারচার্জ লাগবে না। এয়ার ইন্ডিয়া এই আবহে জ্বালানি সারচার্জের একটি স্ল্যাব দিয়েছে, যা তিনটি পর্যায়ে কার্যকর হবে। প্রসঙ্গত, জ্বালানি খরচ বিমান সংস্থার মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ।
এয়ার ইন্ডিয়া জানাচ্ছে, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে অভ্যন্তরীণ উড়ানের ক্ষেত্রে ৩৯৯ টাকা করে সারচার্জ নেবে তারা। এছাড়া সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলিতে যাওয়ার ক্ষেত্রেও এই সারচার্জ দিতে হবে। এদিকে পশ্চিম এশিয়ায় যাওয়ার জন্য ১০ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৯০০ টাকার ওপরে) সাচার্জ দিতে হবে। এদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় যাওয়ার ক্ষেত্রে জ্বালানি সারচার্জ এতদিন ছিল ৪০ ডলার। তা ২০ ডলার বাড়িয়ে ৬০ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫৫০০ টাকা) করা হচ্ছে। আফ্রিকার দেশগুলিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে জ্বালানি সারচার্জ এতদিন ছিল ৬০ ডলার। তা ২০ ডলার বাড়িয়ে ৯০ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৮০০০ টাকারও বেশি) করা হচ্ছে।
এরপর আগামী ১৮ মার্চ থেকে ইউরোপ যাত্রার ক্ষেত্রে জ্বালানি সারচার্জ ১০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২৫ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১১ হাজার টাকা) করা হচ্ছে। এদিকে উত্তর আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার বিমানে সারচার্জ ১৫০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২০০ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৮ হাজার টাকা) করা হচ্ছে। এদিকে এরপরে হংকং, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াগামী বিমানেও সারচার্জ বৃদ্ধি করা হবে। তবে সেই সারচার্জ ধার্য করার দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করেনি এয়ার ইন্ডিয়া। এই নতুন সারচার্জ এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস পরিচালিত ফ্লাইটগুলির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। আগামী ১২ মার্চ তারিখের আগে ইস্যু করা টিকিটের উপর নতুন সারচার্জ প্রযোজ্য হবে না। তবে, যদি যাত্রীরা তাদের ভ্রমণের তারিখ বা রুট পরিবর্তন করেন এবং ভাড়া পুনর্বিবেচনা করা হয়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে নয়া হারে সারচার্জ প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া।
প্রসঙ্গত, ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়েছে বহু তেলের ট্যাঙ্কার। এর জেরে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক এবং ঘরোয়া উড়ানের ওপর। এমনিতেই ইরান যুদ্ধের জেরে বিগত ১১ দিন ধরে প্রচুর আন্তর্জাতিক উড়ান বাতিল করতে হয়েছে উড়ান সংস্থাগুলিকে। এর জেরে লোকসানের মুখ দেখতে হচ্ছে তাদের। এরই সঙ্গে তেলের দাম বৃদ্ধিতে নাজেহাল দশা এয়ার ইন্ডিয়ার। তাই বাধ্য হয়েই যাত্রীদের থেকে জ্বালানি সারচার্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। তাদের কথায়, অতিরিক্ত সারচার্জ ছাড়া কিছু ফ্লাইট অলাভজনক হয়ে উঠত এবং তা চালানো যেত না। এরই সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়া আবার জানিয়েছে যে, তারা পর্যায়ক্রমে এই সারচার্জগুলি পর্যালোচনা করবে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়েছে বহু তেলের ট্যাঙ্কার। এর জেরে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক এবং ঘরোয়া উড়ানের ওপর। এমনিতেই ইরান যুদ্ধের জেরে বিগত ১১ দিন ধরে প্রচুর আন্তর্জাতিক উড়ান বাতিল করতে হয়েছে উড়ান সংস্থাগুলিকে। এর জেরে লোকসানের মুখ দেখতে হচ্ছে তাদের। এরই সঙ্গে তেলের দাম বৃদ্ধিতে নাজেহাল দশা এয়ার ইন্ডিয়ার। তাই বাধ্য হয়েই যাত্রীদের থেকে জ্বালানি সারচার্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। তাদের কথায়, অতিরিক্ত সারচার্জ ছাড়া কিছু ফ্লাইট অলাভজনক হয়ে উঠত এবং তা চালানো যেত না। এরই সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়া আবার জানিয়েছে যে, তারা পর্যায়ক্রমে এই সারচার্জগুলি পর্যালোচনা করবে।
{{/usCountry}}