ইরান যুদ্ধের মাঝে গোটা বিশ্বে জ্বালানি সংকট ক্রমেই মাথাচাড়া দিচ্ছে। এদিকে, সামনেই ইদ। আসন্ন সপ্তাহে রয়েছে ইদ। পবিত্র রমজান মাস জুড়ে বিশেষ রীতি পালিত হয় বহু মুসলিম পরিবারে। এদিকে, এমনই এক পরিস্থিতিতে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া। ইরানে, আমেরিকা, ইজরায়েলের হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্য সরগরম। এমন যুদ্ধের অবস্থায় ভারতের প্রতিবেশী বাংলাদেশে ভারত থেকে পৌঁছল ১৬ হাজার মেট্রিক টন চাল।

এদিন বাংলাদেশের মোংলা বন্দরে ভারত থেকে রপ্তানি করা চাল পৌঁছয়। কলকাতা থেকে পানামা পতাকাবাহী ‘এইচ টি পাইনিওর’ জাহাজে ১১ হাজার মেট্রিক টন এবং ভিয়েতনাম পতাকাবাহী ‘হোয়াংটন-৮৯’ জাহাজে ৫ হাজার মেট্রিক টন চাল পৌঁছয় বাংলাদেশের মোংলা বন্দরে। সামনেই ইদ। বাংলাদেশ জুড়ে পালিত হবে এই উৎসব। তার আগে এই বিপুল পরিমাণ চাল সেদেশে পৌঁছে, তা সেদেশের জন্য সুখবর এনে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, রবিবার সকালে বিদেশি জাহাজ দুটির বাংলাদেশের স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিয়েস’র ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম জানিয়েছেন, উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে এই চাল আমদানি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, রবিবার সকাল থেকে চাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এরপর ছোট জাহাজে করে বাংলাদেশের নানান জায়গায় সেই চাল সরবরাহ হবে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের নানান জেলার গুদামে সেই চাল নৌপথে চলে যাবে বলে খবর। চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে মোংলা বন্দরে আসা বিদেশি দুটি জাহাজ থেকে পুরোপুরি চাল খালাসের কাজ শেষ হবে।
জানা যাচ্ছে, জিটুজি (G2G) চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার থেকে আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধু এই দুই দেশই নয়, পাকিস্তানের থেকেও আতপ চাল কিনছে বাংলাদেশ। এই তিন দেশ থেকে মোট ৮ লাখ টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা। মোংলা খাদ্য অফিসের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার বলেছেন, দেশের বাজারে চালের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং সরবরাহ বাড়াতে ভারত থেকে সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি শুরু হয়েছে।
{{/usCountry}}জানা যাচ্ছে, জিটুজি (G2G) চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার থেকে আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধু এই দুই দেশই নয়, পাকিস্তানের থেকেও আতপ চাল কিনছে বাংলাদেশ। এই তিন দেশ থেকে মোট ৮ লাখ টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা। মোংলা খাদ্য অফিসের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার বলেছেন, দেশের বাজারে চালের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং সরবরাহ বাড়াতে ভারত থেকে সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি শুরু হয়েছে।
{{/usCountry}}