ভারত বিরোধিতার চক্করে বাংলাদেশ বাদ পড়েছে আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ থেকে। আর এর পরপরই বিসিবি ডিরেক্টর পদ থেকে সরলেন ইশতিয়াক সাদেক। গতকাল বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেই সভায় যাননি ইশতিয়াক। বদলে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি। জানা গিয়েছে, বোর্ডে ইশতিয়াক সাদেক গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে তিনি তিনি জানান, বোর্ডের সঙ্গে আমি ঠিকভাবে মানিয়ে নিতে পারিনি। তবে বিশ্বকাপ ইস্যু নিয়ে তিনি কোনও শব্দব্যয় করেননি। তবে বিশ্বকাপ থেকে দেশ বাদ পড়ার পরপরই বিসিবি থেকে ডিরেক্টরের পদত্যাগে জল্পনা বেড়েছে।

উল্লেখ্য, ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে কাজ করার বদলে বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল রাজীতিবিদের মতো ভাষণ দিয়ে গিয়েছেন বিগত সপ্তাহগুলিতে। তিনি দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি তাদের সঙ্গে সুবিচার করেনি। বুলবুল আবার বলেছিলেন, বিশ্বে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে ক্রিকেট। এদিকে বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও ভারত বিরোধী ভাষণ রাখেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিসিসিআই। এই সিদ্ধান্তে চরম অপমানিত হয়েছিল বাংলাদেশ। এর জেরে বাংলাদেশের ক্রিকেট মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ দাবি তুলেছিল, টি২০ বিশ্বকাপে যেন বাংলাদেশ দল ভারতে খেলতে না যায়। সেই পরিস্থিতিতে ভারত খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে আইসিসিকে চিঠিও লেখে বাংলাদেশ। তবে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার পরে আইসিসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়ে দেয়, তাদের ম্যাচগুলি অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে না। তাদের গ্রুপও অন্য কোনও দলের সঙ্গে অদলবদল করা হবে না। এরপরই ভারতকে তোপ দাগে বিসিবি সভাপতি এবং ইউনুস সরকরের ক্রীড়া উপদেষ্টা। যদিও আইসিসির ভোটাভুটিতে এক পাকিস্তান ছাড়া কেউ বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেয়নি। এমনকী যে শ্রীলঙ্কায় গিয়ে বাংলাদেশ খেলতে চেয়েছিল, সেই শ্রীলঙ্কা নিজেরাই চায় না বাংলাদেশ তাদের দেশে গিয়ে খেলুক। এই আবহে আইসিসির ভোটাভুটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষেই ভোট দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। তাও নিজেদের পুরনো অবস্থানেই অনড় থেকে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
প্রসঙ্গত, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে চলেছে আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ। ৮ মার্চ টুর্মামেন্টের ফাইনাল। টুর্নামেন্টে গ্রুপ সি-তে ছিল বাংলাদেশ। তাদের গ্রুপ পরবের তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতায়, একটি মুম্বইতে। বিশ্বকাপ শুরুর দিনই কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা ছিল বাংলাদেশের। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইডেনেই ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। আর নেপালের বিরুদ্ধে ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইতে খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। এখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গ্রুপ সি-তে স্থান পেল স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশের বদলে সেই একই তারিখে উল্লেখিত ভেন্যুগুলিতে খেলবে স্কটল্যান্ড।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে চলেছে আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ। ৮ মার্চ টুর্মামেন্টের ফাইনাল। টুর্নামেন্টে গ্রুপ সি-তে ছিল বাংলাদেশ। তাদের গ্রুপ পরবের তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতায়, একটি মুম্বইতে। বিশ্বকাপ শুরুর দিনই কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা ছিল বাংলাদেশের। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইডেনেই ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। আর নেপালের বিরুদ্ধে ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইতে খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। এখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গ্রুপ সি-তে স্থান পেল স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশের বদলে সেই একই তারিখে উল্লেখিত ভেন্যুগুলিতে খেলবে স্কটল্যান্ড।
{{/usCountry}}