ভোটকেন্দ্রের দায়িত্ব ছিল তাঁদের কাঁধে। তবে সেই দায়িত্ব ত্যাগ করে জামাত নেতার বাড়িতে খেতে গিয়েছিলেন নির্বাচনী আধিকারিকরা। সেই আধিরাকিরদের আটক করা হয় বাংলাদেশে। ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুরে। ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও এক পোলিং কর্মকর্তা। আটক নির্বাচনী আধিকারিকদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে বলে জানা যায়। আটক সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার নাম এমএ ওসমানি এবং পোলিং অফিসারের নাম ইকবাল হোসেন। পেশায় এই দুই অফিসারই শিক্ষক। আটক নির্বাচনী আধিকারিকরা লক্ষ্মীপুর-৩ (সদল) আসনের নলঠগি মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বে ছিলেন।
জানা গিয়েছে, ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে যখন এই দুই আধিকারিকের ভোটকেন্দ্রে থাকার কথা ছিল, তখন তাঁরা স্থানীয় এক জামাত নেতার বাড়িতে খাবার খেতে যান। এই ঘটনার খবর পেয়ে যান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি স্থানীয় সেই জামাত নেতার বাড়িতে অভিযান চালান। সেখানে ধরা পড়েন দুই নির্বাচনী আধিকারিক। ওসমানি এবং ইকবালকে আটক করা হয়। এই দুই অফিসারের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ করা হয়েছে।
এদিকে গতকাল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মিরপুরের একটি ভোটকেন্দ্রে প্রভাব খাটানোর চেষ্টার অভিযোগে জামাতের দুই পোলিং এজেন্টকে দুই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এদিকে সূত্রাপুরে টাকা বিতরণের সময় জামাতের থানা স্তরের উপপ্রধানকে আটক করা হয় এবং দু'দিনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। নেত্রকোণায়ও টাকা বিতরণের অভিযোগে আটক করা হয় জামাতের ইনিয়ন প্রধানকে। এদিকে ঢাকা-৬ আসনে জুবলি স্কুল ভোটকেন্দ্রে জামাত এবং বিএনপি কর্মীদের হাতাহাতিতে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান প্রিসাইডিং অফিসার শফিকুল হক। ধানমন্ডি-১০ আসনে ভোটকেন্দ্রে ঘর না খুলে দিয়ে দায়িত্ব পালনে বাধা দেন স্কুলের অধ্যক্ষ এবং দুই দারোয়ান। তাঁদের আটক করে পুলিশ। এদিকে ঝিনাইদহ-৪ আসনের একটি কেন্দ্র থেকে বিএনপি এবং জামাতের পোলিং এজেন্টদের সই করা ২৩টি শিট উদ্ধার করা হয়েছে ভোটের আগেই। সিলেটে এক ভোটকেন্দ্রে পর্যবেক্ষক পরিচয়ে প্রবেশের চেষ্টার সময় ৩ জনকে আটক করে পুলিশ।