ইরান যুদ্ধের জেরে ব্যাপকভাবে আলোড়িত গোটা বিশ্ব। হরমুজ প্রণালী রুদ্ধ হতেই বিশ্বের নানান দেশে জ্বালানি ঘিরে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে। এদিকে, ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধের মাঝেই হঠাৎই পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ দেশ হিসাবে পরিচিত তুরস্কের সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্য খলিলুর রহমান কোন উদ্দেশে তুরস্কে যাচ্ছেন, তাও এসেছে প্রকাশ্যে। শুধু যে তুরস্ক তা নয়। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধরত আমেরিকাতেও বাংলাদেশের এই মন্ত্রী সফর করবেন বলে জানা গিয়েছে।
শনিবারই ঢাকা থেকে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে যাচ্ছেন খলিলুর রহমান। নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর তুরস্কে যাবেন, সেখানে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। জানা গিয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের হয়ে প্রচার করতেই তাঁর এই দুই দেশের সফর। এই সফর বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি সমর্থন জোরদার করতে কূটনীতিক এবং অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে দেখা করবেন বলে খবর। তাদের প্রার্থিতায় যাতে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ তুরস্ক ও শক্তিমান আমেরিকা সমর্থন যোগায়, তার উদ্দেশেই এই সফর। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বি রয়েছে সাইপ্রাস। সেই জায়গা থেকে কূটনৈতিক আঙিনায় বাংলাদেশের দরকার সমর্থন। সেই সমর্থনকে সঙ্গে নিতেই এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের।
এদিকে, দুই সপ্তাহ পার করে ফেলেছে ইরান যুদ্ধ। ইতিমধ্যেই এই যুদ্ধ ঘিরে বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি সংকট। আমেরিকা ইতিমধ্যেই ইরানে আরও বড় হামলার হুমকি দিয়েছে। খারগ দ্বীপেও তারা হামলা চালাচ্ছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনির মাথার দাম ঘোষণা করে দিয়েছে তারা। এরই মাঝে আরব বিশ্বের নানান দেশে হামলা চালাচ্ছে ইরান। অন্যদিকে, ইরানের ওপর মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলার নিন্দায় সরব হয়েছে বাংলাদেশের বহু মহল। এমন পরিস্থিতিতে খলিলুরের মার্কিন সফর ঘিরেও রয়েছে রয়েছে বহু মহলের।