...
...
Next Story

Bangladesh Update: 'অসাংবিধানিক ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে সেনা', ইউনুসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

ইউনুসের সময়কালে বিভিন্ন ভাবে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। তাঁকে অপসারণের ছক কষা হয়েছিল বলে নিজেই জানিয়েছেন সাহাবুদ্দিন। সঙ্গে তিনি দাবি করেন, অসাংবিধানিক ভাবে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের যে ছক ইউনুস জমানায় কষা হয়েছিল, তা ব্যর্থ করেছিল বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী।

Updated on: Feb 23, 2026, 10:46:23 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

বাংলাদেশে ইউনুস জমানার সমাপ্তি ঘটতেই তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সেই দেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। এর আগে ইউনুসের সময়কালে বিভিন্ন ভাবে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। তাঁকে অপসারণের ছক কষা হয়েছিল বলে নিজেই জানিয়েছেন সাহাবুদ্দিন। সঙ্গে তিনি দাবি করেন, অসাংবিধানিক ভাবে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের যে ছক ইউনুস জমানায় কষা হয়েছিল, তা ব্যর্থ করেছিল বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী।

বাংলাদেশে ইউনুস জমানার সমাপ্তি ঘটতেই তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সেই দেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। (PTI)
বাংলাদেশে ইউনুস জমানার সমাপ্তি ঘটতেই তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সেই দেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। (PTI)

এদিকে ইউনুসকে তোপ দেগে তিনি বলেন, 'প্রধান উপদেষ্টা সংবিধানের কোনও বিধান মেনে চলেননি। আমেরিকার সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে, সেটা আমি জানি না। এমন একটি চুক্তির বিষয়ে আমাকে জানানো উচিত ছিল। সাংবিধানিক একটা বাধ্যবাধকতা এটা। ইউনুস রীতি অনুযায়ী বিদেশ সফরের পরে আমার সঙ্গে এসে সাক্ষাৎ করেননি। আমার দুটি বিদেশ সফর তিনি আটকে দিয়েছিলেন।'

বাংলাদেশের সংবাদপত্র কালের কণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আরও বলেন, 'গত দেড় বছরে অনেক প্রতিকূল অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কখনও বঙ্গভবনে মব সৃষ্টি করে মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা, কখনোবা আড়ালে গভীর চক্রান্ত। সবই ছিল আমাকে উপড়ে ফেলার ষড়যন্ত্র। তবে বাহিনীপ্রধানরা আমাকে জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান; রাষ্ট্রপতির পরাজয় মানে পুরো সশস্ত্র বাহিনীরই পরাজয়, যা তারা যেকোনও মূল্যে রোধ করবেন। বিভিন্ন সময় সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা বঙ্গভবনে এসে আমার মনোবল জুগিয়েছেন। আমি একবার শুনি সরকার নিজে থেকে আমাকে অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সেই সময় তিন বাহিনীর প্রধান আমার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন এবং সরকারের প্রধানকে বলেছিলেন, কোনও অসাংবিধানিক কাজ তাঁরা হতে দেবেন না। এছাড়া বৃহত্তর রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকেও আমাকে স্পষ্ট সমর্থনের বার্তা দেওয়া হয়েছিল।'

এদিকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আরও জানান, বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি হাইকমিশন থেকে এক রাতের মধ্যে রাষ্ট্রপতির ছবি নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ইউনুসের তরফে। সরকারের এই পদক্ষেপ মূলত তাঁকে অপসারণের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন সাহাবুদ্দিন। তাঁর কথায়, এসব অপমানজনক পরিস্থিতি সত্ত্বেও তিনি কেবল সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থে দৃঢ় অবস্থানে ছিলেন। এদিকে ইউনুসের মুখপাত্র শফিকুল আলমের বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন সাহাবুদ্দিন। তিনি জানান, সাংবাদিকরা তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসার পরে বঙ্গভবনে প্রেস উইং প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe