আওয়ামী লীগের গড় হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জ জেলা। শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগের পরে এই জেলায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছিল সেনা এবং পুলিশের বিরুদ্ধেও। সেই গোপালগঞ্জেও আজ ভোটগ্রহণ চলছে। তবে নির্বাচন চলাকালীনই বোমা বিস্ফোরণ হল গোপালগঞ্জে। এই বিস্ফোরণে এক শিশু এবং দু'জন নিরাপত্তারক্ষী জখম হয়েছেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশি সময় ৯টা নাগাদ গোপালগঞ্জ সদরে অবস্থিত রেশমা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভোটেকেন্দ্রের সামনে এই বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনায় আহত দুই নিরাপত্তারক্ষীরা হলেন সুকন্ঠ মজুমদার ও সেকশন কমান্ডার জামাল হোসেন। এছাড়া একজন ভোটারের সঙ্গে আসা ১৩ বছর বয়সি শিশু জখম হয়েছে। জানানো হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে দূর থেকে ককটেল ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা।
এর আগে ১১ ফেব্রুয়ারি, ভোটের একদিন আগে গোপালগঞ্জের একাধিক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছিল। ১১ তারিখ রাতে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের আটটি ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই সব বিস্ফোরণে অবশ্য কেউ জখম হননি। তবে এর জেরে গোপালগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এদিকে গোপালগঞ্জে গতকাল থেকে এতগুলি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে মাত্র একজন।
এর আগে আওয়ামী লীগ জমানায় নাকি 'রাতের ভোট' হত বাংলাদেশে। এমনই অভিযোগ তুলে দীর্ঘ কয়েকবছর নির্বাচনী রাজনীতি থেকে দূরে থেকেছিল বিএনপি। তবে আওয়ামী লীগ বিহীন নির্বাচনে সেই বিএনপির বিরুদ্ধেই উঠেছে 'রাতের ভোট' করানোর অভিযোগ, তাও আবার নির্বাচন শুরুর আগেই ভোটকেন্দ্র 'দখলের' অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য শুধু বিএনপি নয়, এই একই অভিযোগে অভিযুক্ত একদা বিএনপির 'বেস্ট ফ্রেন্ড' জামাতে ইসলামি। এই আবহে ভোটকেন্দ্রে 'অনুপ্রবেশের' অভিযোগে বাংলাদেশের ফেনিতে আটক বিএনপি এবং জামাতে ইসলামির ১৬ জন নেতাকর্মী। পরে অবশ্য তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়, কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
১১ ফেব্রুয়ারি রাতে, বাংলাদেশে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে ফেনির দক্ষিণ সতর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করে কয়েকজন। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় ১৬ জনকে। এই আবহে ১৩ জনকে ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। আর বাকি তিনজনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে ৭ জন বিএনপি কর্মী আটক হয়েছিল এবং জামাতের ৯ জন আটক হয়েছিল।
{{/usCountry}}১১ ফেব্রুয়ারি রাতে, বাংলাদেশে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে ফেনির দক্ষিণ সতর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করে কয়েকজন। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় ১৬ জনকে। এই আবহে ১৩ জনকে ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। আর বাকি তিনজনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে ৭ জন বিএনপি কর্মী আটক হয়েছিল এবং জামাতের ৯ জন আটক হয়েছিল।
{{/usCountry}}